কেন এই আবেদন
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আমদানি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস হিসেবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির কথা ভাবছে বাংলাদেশ। কিন্তু রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরাসরি আমদানি করলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই কারণে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড়ের আবেদন করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওয়াশিংটন সফর
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইটের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের কথা তুলে ধরে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। মার্কিন জ্বালানি সচিব বলেছেন, বাংলাদেশের চাহিদা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং প্রাসঙ্গিক বিভাগগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সহায়তার চেষ্টা করা হবে।

মার্কিন-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন গুরুত্বপূর্ণ
মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর সম্প্রতি বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সুশাসন সহযোগিতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ রক্ষায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে মার্কিন ছাড় পাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জ্বালানি মজুত পরিস্থিতি
৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ডিজেল, ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন অকটেন, ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন জেট জ্বালানি মজুত আছে বলে সরকারি তথ্যে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এখনই জ্বালানি সংকট নেই। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















