রিজার্ভ কোথায় দাঁড়িয়ে
ইরান যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩ হাজার ৪৪৩ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস) সর্বশেষ এই তথ্য প্রকাশ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রিজার্ভ আপাতত স্বস্তিদায়ক হলেও যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে চাপ বাড়বে।
কেন এই রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান সূচক। এই রিজার্ভ দিয়ে আমদানি বিল পরিশোধ করা হয়। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বাড়ায় বাংলাদেশকে এখন অনেক বেশি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হচ্ছে জ্বালানি কিনতে। ফলে রিজার্ভের ওপর চাপ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ভর্তুকির চাপ কীভাবে রিজার্ভে পড়ছে
সরকার জ্বালানিতে যে বিশাল ভর্তুকি দিচ্ছে তার একটি বড় অংশ আসছে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত থেকেই। প্রতি মাসে হাজার হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি অব্যাহত থাকলে রিজার্ভে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ ইতিমধ্যে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে।
রেমিট্যান্স এখন নতুন ঝুঁকিতে
বাংলাদেশের রিজার্ভের একটি বড় উৎস হলো প্রবাসী আয়। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষত ইউএই, কুয়েত ও বাহরাইনে যুদ্ধের প্রভাবে কর্মরত বাংলাদেশিরা বিপদে পড়েছেন। কাজ হারানো, দেশে ফেরা এবং নতুন নিয়োগ বন্ধ থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহে ধাক্কা লাগতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















