১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? কারখানার মেঝেতেই জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আসল লড়াই ২৫ বছরেই শেষ ৫ লাখ ডলারের ক্যারিয়ার, ই-স্পোর্টসে বাড়ছে চোটের ভয়াবহতা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার দিকে কানাডার নতুন বাণিজ্যযাত্রা

মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেলের জাহাজ আসছে আজ চট্টগ্রামে, জ্বালানি সংকট সামলাতে বিকল্প পথে আমদানি

আজ আসছে ডিজেলের জাহাজ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার বিকল্প উৎস থেকে আমদানি জোরদার করেছে। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই চালান দেশের জ্বালানি মজুত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন মালয়েশিয়া থেকে আনা হচ্ছে

ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে স্বাভাবিক জ্বালানি আমদানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষত মালয়েশিয়াকে বিকল্প উৎস হিসেবে ব্যবহার করছে বাংলাদেশ। রাশিয়া থেকে আমদানির বিষয়েও আলোচনা চলছে, তবে সেজন্য মার্কিন ছাড় প্রয়োজন।

মালয়েশিয়া থেকে এল ৩০ হাজার টন ডিজেল | Campus Times

মজুত পরিস্থিতি এখন কেমন

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ডিজেল, ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন অকটেন, ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন জেট জ্বালানি মজুত রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এখনই সংকট নেই। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি কঠিন হতে পারে।

জরুরি আমদানির অনুমোদন

মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যে ২ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানির জরুরি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে একসঙ্গে একাধিক জাহাজে জ্বালানি আনার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি দেশীয় পর্যায়ে মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

সাধারণ মানুষ কি স্বস্তি পাবেন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন চালান আসলে মজুত বাড়বে ঠিকই, কিন্তু পাম্পে সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হলে বিতরণ ব্যবস্থাও ঠিক করতে হবে। মজুতদারি বন্ধ না হলে এবং ট্যাগ অফিসাররা কার্যকরভাবে কাজ না করলে শুধু আমদানি বাড়িয়ে পাম্পে সংকট কমানো সম্ভব নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি

মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেলের জাহাজ আসছে আজ চট্টগ্রামে, জ্বালানি সংকট সামলাতে বিকল্প পথে আমদানি

০৩:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

আজ আসছে ডিজেলের জাহাজ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার বিকল্প উৎস থেকে আমদানি জোরদার করেছে। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই চালান দেশের জ্বালানি মজুত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন মালয়েশিয়া থেকে আনা হচ্ছে

ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে স্বাভাবিক জ্বালানি আমদানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষত মালয়েশিয়াকে বিকল্প উৎস হিসেবে ব্যবহার করছে বাংলাদেশ। রাশিয়া থেকে আমদানির বিষয়েও আলোচনা চলছে, তবে সেজন্য মার্কিন ছাড় প্রয়োজন।

মালয়েশিয়া থেকে এল ৩০ হাজার টন ডিজেল | Campus Times

মজুত পরিস্থিতি এখন কেমন

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ডিজেল, ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন অকটেন, ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন জেট জ্বালানি মজুত রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এখনই সংকট নেই। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি কঠিন হতে পারে।

জরুরি আমদানির অনুমোদন

মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যে ২ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানির জরুরি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে একসঙ্গে একাধিক জাহাজে জ্বালানি আনার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি দেশীয় পর্যায়ে মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

সাধারণ মানুষ কি স্বস্তি পাবেন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন চালান আসলে মজুত বাড়বে ঠিকই, কিন্তু পাম্পে সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হলে বিতরণ ব্যবস্থাও ঠিক করতে হবে। মজুতদারি বন্ধ না হলে এবং ট্যাগ অফিসাররা কার্যকরভাবে কাজ না করলে শুধু আমদানি বাড়িয়ে পাম্পে সংকট কমানো সম্ভব নয়।