মূল সংকট আইসিইউ বেড

গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে হাম ও হাম সন্দেহে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। এরপরই ঢাকার শিশু হাসপাতালে বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ড চালু করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশেষায়িত হাম ইউনিট চালুর পর এই ওয়ার্ডে মোট ৭০টি বেডের ব্যবস্থা করা গেছে এখন পর্যন্ত। যে কারণে ধারণাক্ষমতার বাইরে রোগী ভর্তি করাতে পারছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বুধবার হাসপাতালটিতে গিয়ে দেখা গেছে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেকেই হাম ও হাম সন্দেহে শিশুদের ভর্তির জন্য নিয়ে এসেছিলেন, কিন্তু সিট না পেয়ে অনেককে ফিরে যেতে হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুল হক বিবিসি বাংলাকে বলেন, “পর্যাপ্ত বেড নেই, প্রতিদিন অনেক রোগীকে ফেরত দিতে হচ্ছে। শুধুমাত্র সিরিয়াস রোগী যারা তাদেরকেই ভর্তি করানো হচ্ছে”।

এই হাসপাতালে হাম আক্রান্ত বা সন্দেহে গত দুই সপ্তাহে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বিশেষায়িত ওয়ার্ডের এক পাশেই চালু করা হয়েছে আইসিইউ ইউনিট। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই আইসিইউতে রয়েছে ১৪টি সিট।

বুধবার সেখানে গিয়ে দেখা যায়, এই আইসিইউ বেডের সবগুলোতেই এখন রোগী ভর্তি।

হাসপাতাল পরিচালকের কাছে প্রশ্ন করা হয়- যদি ওয়ার্ডে ভর্তি কোনো শিশুর পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়, তখন পরিস্থিতি সামাল দেবেন কীভাবে?

জবাবে অধ্যাপক হক বিবিসি বাংলাকে বলেন, “ভর্তি রোগীদের মধ্যে যাদের অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে তাদের অক্সিজেন সাপোর্ট দিচ্ছি, বাবল সিপ্যাপ (একটি অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা) দিচ্ছি। যাদের অবস্থা বেশি খারাপ, লাইফ সাপোর্ট দরকার শুধু তাদের আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে”।