যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য আলোচনাকে ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ এখন কার্যত কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে কনটেইনার ও কাঁটাতারের ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন অংশে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন দেখা যাচ্ছে।
বিশেষ করে যে সেরেনা হোটেলে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের অবস্থান বা বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তার চারপাশের প্রায় দুই মাইল এলাকা সম্পূর্ণভাবে সিলগালা করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ইসলামাবাদের মনোরম পাহাড়ঘেরা এলাকায় থাকা জনপ্রিয় হাঁটার পথগুলোকেও সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

নীরব পাকিস্তান প্রশাসন
এত বড় কূটনৈতিক ঘটনার প্রেক্ষাপট থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে খুব কমই মুখ খুলছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে তারা বিস্তারিত কিছু জানাতে চাইছেন না। পাশাপাশি তারা মনে করছেন, আলোচনা কীভাবে এগোবে, সে বিষয়ে মূল সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের হাতেই থাকা উচিত।
আলোচনা শুরুর আগে অনিশ্চয়তা
আলোচনা শুরুর সম্ভাব্য সময়ের ২৪ ঘণ্টারও কম বাকি থাকলেও, পুরো প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। বৈঠকের ধরন, আলোচ্যসূচি, অংশগ্রহণকারীদের অবস্থান কিংবা সম্ভাব্য ফলাফল—সবকিছুই এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের অস্বাভাবিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেমন বৈঠকের গুরুত্ব বোঝাচ্ছে, তেমনি ঘিরে থাকা নীরবতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আলোচনা শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তেও অনেক কিছু এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















