বিশ্বব্যাংক তাদের সর্বশেষ বাংলাদেশ উন্নয়ন প্রতিবেদনে বলেছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৯ শতাংশে নামতে পারে। টানা তৃতীয় বছর দারিদ্র্য বাড়ছে, মূল্যস্ফীতি ৮.৫ শতাংশে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে, ব্যাংকিং খাত চাপে এবং বেসরকারি বিনিয়োগ দুর্বল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলেছে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব
বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে, ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে, জ্বালানি ভর্তুকির কারণে রাজস্ব স্থান সংকুচিত হবে, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও রপ্তানি দুর্বলতায় চলতি হিসাব খারাপ হবে এবং উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স কমতে পারে। ক্ষীণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কঠোর আর্থিক পরিস্থিতি এবং ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ধাক্কা সামলানোর সক্ষমতা সীমিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংস্কারের আহ্বান
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগীয় পরিচালক জঁ পেম বলেন, রাজস্ব আহরণ, আর্থিক খাত ও ব্যবসায়িক পরিবেশে সাহসী ও তাৎক্ষণিক সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশের সহনশীলতা টিকবে না। তিনি আরও বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কাঠামোগত সংস্কার অত্যাবশ্যক। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার সম্ভব বলে প্রতিবেদনে আশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















