গাজার উত্তরাঞ্চল বেইত লাহিয়ায় একটি অস্থায়ী তাঁবু-শ্রেণিকক্ষে পাঠ চলার সময় এক স্কুলছাত্রী গুলিতে নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রিতাজ রিহান সহপাঠীদের সামনেই গুলিবিদ্ধ হয়, যা উপস্থিত শিশুদের ওপর গভীর মানসিক অভিঘাত তৈরি করেছে।
এই ঘটনাটি শুধু একটি মৃত্যুর খবর নয়; এটি দেখিয়ে দিচ্ছে যুদ্ধ কীভাবে শিশুদের দৈনন্দিন জীবন, বিশেষ করে শিক্ষার অধিকারকে ভেঙে দিচ্ছে। যখন স্কুল ভবন নেই, নিরাপদ শ্রেণিকক্ষ নেই, তখন তাঁবুতে বসে শিক্ষা চালানোর চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু সেখানেও নিরাপত্তা নেই। একটি শিশুর মৃত্যু তাই বৃহত্তর বাস্তবতার প্রতীক হয়ে উঠছে—সংঘাতে সবচেয়ে ঝুঁকির মুখে থাকে সাধারণ মানুষ, আর তাদের মধ্যেও শিশুদের জীবন সবচেয়ে অনিরাপদ। একই দিনে গাজায় আরও প্রাণহানির খবরও এসেছে, যা সংকটের ধারাবাহিকতাকে স্পষ্ট করে।
শিক্ষা এখন টিকে থাকার সংগ্রাম
যুদ্ধক্ষেত্রে শিক্ষা কেবল পাঠদান নয়, বরং স্বাভাবিকতার শেষ আশ্রয়ও বটে। অস্থায়ী তাঁবুতে ক্লাস চলা তারই প্রমাণ। কিন্তু সেই জায়গাটিও হামলা বা গুলির বাইরে না থাকলে, শিশুর ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
সংখ্যার বাইরে মানুষের গল্প
সংঘাতের খবর প্রায়ই মৃতের সংখ্যা বা সামরিক ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি পরিসংখ্যানের পেছনে থাকে বাস্তব মানুষ, পরিবার, সহপাঠী এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্ষত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















