০২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
জীবাণু অস্ত্রের নিষেধাজ্ঞা যথেষ্ট নয়, নতুন হুমকি বায়োসন্ত্রাস কোরিয়ার ছোঁয়ায় নতুন স্বাদের ইনারি-সুশি: ভুট্টা, টোফু আর ঝাল মাখনের অনন্য মেলবন্ধন উত্তর কোরিয়া-রাশিয়ার সামরিক জোটে বদলে যাচ্ছে ইউরোপ ও ইন্দো-প্যাসিফিকের নিরাপত্তা সমীকরণ টানা পঞ্চম মাসে টয়োটার বৈশ্বিক বিক্রি কমল, চাপ বাড়ছে গাড়ি শিল্পে ইরানকে থামাতে পারবে কি চীন? উপসাগরীয় দেশগুলোর নতুন কূটনৈতিক পরীক্ষা বিমসটেককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে নেপাল, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ ভূমিকম্পের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কুমামোতো, ফিরছে পরিবহন ও শিল্প কার্যক্রম পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ল অ্যানথ্রপিকের এআই মডেল বিমসটেককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে নেপাল, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ গাড়িতে ধূমপানের ভুলে বদলে গেল জীবন, পুলিশে জানানো সেই চালককেই এখন ধন্যবাদ সাবেক আসক্তের

শি–চেং বৈঠকে নতুন সমীকরণ, তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত

চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মাঝে নতুন করে সংলাপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে ঘিরে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি সংলাপ

প্রায় এক দশক পর বেইজিংয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতা শি জিনপিং এবং তাইওয়ানের কুওমিনতাং (কেএমটি) চেয়ারওম্যান চেং লি-উনের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আলোচনা দুই পক্ষের বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে প্রথম হওয়ায় এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

সম্পর্ক স্বাভাবিকের ইঙ্গিত

চীন ও তাইওয়ানের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বৈঠক দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়। যদিও এর প্রভাব নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে, তবুও এটিকে নতুন করে সংলাপ শুরু করার একটি ইতিবাচক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Taiwan opposition leader Cheng Li-wun visits China amid cross-strait  tensions – Firstpost

‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ আবার সামনে

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের অন্যতম বড় দিক হলো সংলাপের রাজনৈতিক ভিত্তি পুনরায় জোরালো করা। বিশেষ করে ‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ মেনে চলা এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

এই ঐকমত্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ‘এক চীন’ নীতিতে সম্মত হলেও তার ব্যাখ্যায় পার্থক্য রয়েছে।

যোগাযোগ কাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা

এই বৈঠকের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত যোগাযোগের একটি নতুন কাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে কমিউনিস্ট পার্টি ও কেএমটির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত হওয়া ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর

সব মিলিয়ে, এই বৈঠক তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কিছুটা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর বাস্তব প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

জীবাণু অস্ত্রের নিষেধাজ্ঞা যথেষ্ট নয়, নতুন হুমকি বায়োসন্ত্রাস

শি–চেং বৈঠকে নতুন সমীকরণ, তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত

০৮:১৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মাঝে নতুন করে সংলাপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে ঘিরে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি সংলাপ

প্রায় এক দশক পর বেইজিংয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতা শি জিনপিং এবং তাইওয়ানের কুওমিনতাং (কেএমটি) চেয়ারওম্যান চেং লি-উনের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আলোচনা দুই পক্ষের বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে প্রথম হওয়ায় এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

সম্পর্ক স্বাভাবিকের ইঙ্গিত

চীন ও তাইওয়ানের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বৈঠক দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়। যদিও এর প্রভাব নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে, তবুও এটিকে নতুন করে সংলাপ শুরু করার একটি ইতিবাচক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Taiwan opposition leader Cheng Li-wun visits China amid cross-strait  tensions – Firstpost

‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ আবার সামনে

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের অন্যতম বড় দিক হলো সংলাপের রাজনৈতিক ভিত্তি পুনরায় জোরালো করা। বিশেষ করে ‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ মেনে চলা এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

এই ঐকমত্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ‘এক চীন’ নীতিতে সম্মত হলেও তার ব্যাখ্যায় পার্থক্য রয়েছে।

যোগাযোগ কাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা

এই বৈঠকের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত যোগাযোগের একটি নতুন কাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে কমিউনিস্ট পার্টি ও কেএমটির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত হওয়া ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর

সব মিলিয়ে, এই বৈঠক তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কিছুটা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর বাস্তব প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ওপর।