১০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
চার রাজ্য, চার মুখ্যমন্ত্রী—২০২৬ সালের নির্বাচনে ‘মুখ’ই শেষ কথা মুসলিম অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ ও মালদায় ভোটার তালিকা থেকে ব্যাপক নাম বাদ রাশিয়ায় নোবেলজয়ী মানবাধিকার সংগঠন ‘মেমোরিয়াল’কে ‘চরমপন্থী’ ঘোষণা “চাবিটি হারিয়ে গেছে” হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ: যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি কৌশলগত চাপ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: সামনে আরও বাড়তে পারে তেলের দাম পোপাইসের বেইজিংয়ে প্রত্যাবর্তন, ২৪ বছর পর নতুন করে চীনা বাজারে জোরালো উপস্থিতি ট্রাম্পের ‘আনুগত্য পরীক্ষা’ কি ন্যাটোর ঐক্যে ফাটল ধরাচ্ছে? কুষ্টিয়ার স্কুলে অচেতন অবস্থায় ছাত্রী উদ্ধার, যৌন নির্যাতনের আশঙ্কা শি–চেং বৈঠকে নতুন সমীকরণ, তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত

শি–চেং বৈঠকে নতুন সমীকরণ, তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত

চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মাঝে নতুন করে সংলাপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে ঘিরে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি সংলাপ

প্রায় এক দশক পর বেইজিংয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতা শি জিনপিং এবং তাইওয়ানের কুওমিনতাং (কেএমটি) চেয়ারওম্যান চেং লি-উনের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আলোচনা দুই পক্ষের বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে প্রথম হওয়ায় এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

সম্পর্ক স্বাভাবিকের ইঙ্গিত

চীন ও তাইওয়ানের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বৈঠক দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়। যদিও এর প্রভাব নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে, তবুও এটিকে নতুন করে সংলাপ শুরু করার একটি ইতিবাচক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Taiwan opposition leader Cheng Li-wun visits China amid cross-strait  tensions – Firstpost

‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ আবার সামনে

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের অন্যতম বড় দিক হলো সংলাপের রাজনৈতিক ভিত্তি পুনরায় জোরালো করা। বিশেষ করে ‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ মেনে চলা এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

এই ঐকমত্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ‘এক চীন’ নীতিতে সম্মত হলেও তার ব্যাখ্যায় পার্থক্য রয়েছে।

যোগাযোগ কাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা

এই বৈঠকের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত যোগাযোগের একটি নতুন কাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে কমিউনিস্ট পার্টি ও কেএমটির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত হওয়া ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর

সব মিলিয়ে, এই বৈঠক তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কিছুটা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর বাস্তব প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

চার রাজ্য, চার মুখ্যমন্ত্রী—২০২৬ সালের নির্বাচনে ‘মুখ’ই শেষ কথা

শি–চেং বৈঠকে নতুন সমীকরণ, তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত

০৮:১৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মাঝে নতুন করে সংলাপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে ঘিরে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি সংলাপ

প্রায় এক দশক পর বেইজিংয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতা শি জিনপিং এবং তাইওয়ানের কুওমিনতাং (কেএমটি) চেয়ারওম্যান চেং লি-উনের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আলোচনা দুই পক্ষের বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে প্রথম হওয়ায় এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

সম্পর্ক স্বাভাবিকের ইঙ্গিত

চীন ও তাইওয়ানের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বৈঠক দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়। যদিও এর প্রভাব নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে, তবুও এটিকে নতুন করে সংলাপ শুরু করার একটি ইতিবাচক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Taiwan opposition leader Cheng Li-wun visits China amid cross-strait  tensions – Firstpost

‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ আবার সামনে

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের অন্যতম বড় দিক হলো সংলাপের রাজনৈতিক ভিত্তি পুনরায় জোরালো করা। বিশেষ করে ‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ মেনে চলা এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

এই ঐকমত্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ‘এক চীন’ নীতিতে সম্মত হলেও তার ব্যাখ্যায় পার্থক্য রয়েছে।

যোগাযোগ কাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা

এই বৈঠকের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত যোগাযোগের একটি নতুন কাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে কমিউনিস্ট পার্টি ও কেএমটির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত হওয়া ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর

সব মিলিয়ে, এই বৈঠক তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কিছুটা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর বাস্তব প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ওপর।