যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ ঘিরে ন্যাটো জোটের ভেতরে নতুন ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি ন্যাটোকে কাগুজে বা নামমাত্র জোটে পরিণত করার ঝুঁকি তৈরি করলেও, নিকট ভবিষ্যতে জোটটি ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
ট্রাম্পের সমালোচনা ও চাপ
গত বছর হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর সমালোচনা করে আসছেন। তার অভিযোগ, অনেক মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে। তিনি বারবার সামরিক ও আর্থিক অবদান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে এই সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ন্যাটোর পর্যাপ্ত সমর্থন না থাকার অভিযোগ তুলে ট্রাম্প জোটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ন্যাটো প্রধানের প্রতিক্রিয়া
ওয়াশিংটনে এক বক্তব্যে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যা চাইছে, মিত্র দেশগুলো তা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, কিছু দেশ প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ও অন্যান্য সহায়তা দিতে কিছুটা ধীরগতি দেখাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপ এখন নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরও বড় ও ন্যায্য ভূমিকা নিচ্ছে। এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে স্থায়ী হবে এবং তা হওয়াই উচিত।
ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘আনুগত্য পরীক্ষা’ ন্যাটোর ভেতরে মতপার্থক্য বাড়াতে পারে। যদিও জোটটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা কম, তবে এর ঐক্য ও কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















