১০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
চার রাজ্য, চার মুখ্যমন্ত্রী—২০২৬ সালের নির্বাচনে ‘মুখ’ই শেষ কথা মুসলিম অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ ও মালদায় ভোটার তালিকা থেকে ব্যাপক নাম বাদ রাশিয়ায় নোবেলজয়ী মানবাধিকার সংগঠন ‘মেমোরিয়াল’কে ‘চরমপন্থী’ ঘোষণা “চাবিটি হারিয়ে গেছে” হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ: যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি কৌশলগত চাপ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: সামনে আরও বাড়তে পারে তেলের দাম পোপাইসের বেইজিংয়ে প্রত্যাবর্তন, ২৪ বছর পর নতুন করে চীনা বাজারে জোরালো উপস্থিতি ট্রাম্পের ‘আনুগত্য পরীক্ষা’ কি ন্যাটোর ঐক্যে ফাটল ধরাচ্ছে? কুষ্টিয়ার স্কুলে অচেতন অবস্থায় ছাত্রী উদ্ধার, যৌন নির্যাতনের আশঙ্কা শি–চেং বৈঠকে নতুন সমীকরণ, তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত

পোপাইসের বেইজিংয়ে প্রত্যাবর্তন, ২৪ বছর পর নতুন করে চীনা বাজারে জোরালো উপস্থিতি

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বেইজিংয়ে ফিরেছে মার্কিন ফাস্টফুড ব্র্যান্ড পোপাইস। শুক্রবার শহরে নতুন আউটলেট চালুর দিনই বিপুল ভিড় দেখা গেছে, যা প্রমাণ করে দুই দশকের বেশি সময় পরও ব্র্যান্ডটির প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ অটুট রয়েছে।

পটভূমি: কেন বন্ধ হয়েছিল, কেন ফিরল
পোপাইস ২০০২ সালে বেইজিংয়ের আগের আউটলেটগুলো বন্ধ করে এবং ২০০৩ সালে পুরোপুরি চীনা বাজার থেকে বেরিয়ে যায়। তবে ২০২০ সালে আবার চীনে ফিরে আসার পর এবার তারা আরও বড় পরিসরে সম্প্রসারণে নামতে প্রস্তুত। কোম্পানির মতে, সময়ের সঙ্গে চীনা ভোক্তাদের রুচিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের চাহিদা বেড়েছে।

চীনা বাজারে নতুন সম্ভাবনা
বিশ্লেষকদের মতে, চীন এখনও বিদেশি ফাস্টফুড চেইনগুলোর জন্য বড় সুযোগের বাজার। বিশেষ করে প্রথম সারির শহরগুলোতে নতুন ধারণা ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ বেশি।

তবে তারা সতর্ক করে বলেন, এখনকার বাজার আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত ও প্রতিযোগিতামূলক। শুধু ব্র্যান্ড পরিচিতি দিয়ে সফল হওয়া কঠিন। দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে স্থানীয় বাজারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, কার্যকর পরিচালনা, ভিন্নধর্মী পণ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে হবে।

মালিকানা পরিবর্তন ও পরিচালনা
২০২৪ সালে পোপাইসের চীন ব্যবসা কানাডাভিত্তিক একটি গ্রুপের হাতে যায়, যারা এর আগে একটি জনপ্রিয় কফি ও ডোনাট চেইনের চীন কার্যক্রম পরিচালনা করত। নতুন মালিকানার পর ব্র্যান্ডটি স্থানীয় দল নিয়ে চীনে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা
বর্তমানে পোপাইসের চীনে ৮০টির বেশি আউটলেট রয়েছে, যার বেশিরভাগই সাংহাইয়ে। এছাড়া ঝেজিয়াং ও জিয়াংসু প্রদেশের কয়েকটি শহরেও তাদের উপস্থিতি রয়েছে।

আগামী মাসগুলোতে আরও নতুন আউটলেট খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বেইজিংয়ে এ বছরই ১০ থেকে ২০টি নতুন শাখা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিয়ানজিনসহ উত্তর চীনের অন্যান্য শহরেও সম্প্রসারণ শুরু হয়েছে।

চাহিদা ও বাজারের গুরুত্ব

কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন একটি বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার, যেখানে মুরগির মাংস ও ফ্রাইড চিকেনের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে পোপাইস ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ব্যবসা বিস্তারের পরিকল্পনা করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চার রাজ্য, চার মুখ্যমন্ত্রী—২০২৬ সালের নির্বাচনে ‘মুখ’ই শেষ কথা

পোপাইসের বেইজিংয়ে প্রত্যাবর্তন, ২৪ বছর পর নতুন করে চীনা বাজারে জোরালো উপস্থিতি

০৮:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বেইজিংয়ে ফিরেছে মার্কিন ফাস্টফুড ব্র্যান্ড পোপাইস। শুক্রবার শহরে নতুন আউটলেট চালুর দিনই বিপুল ভিড় দেখা গেছে, যা প্রমাণ করে দুই দশকের বেশি সময় পরও ব্র্যান্ডটির প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ অটুট রয়েছে।

পটভূমি: কেন বন্ধ হয়েছিল, কেন ফিরল
পোপাইস ২০০২ সালে বেইজিংয়ের আগের আউটলেটগুলো বন্ধ করে এবং ২০০৩ সালে পুরোপুরি চীনা বাজার থেকে বেরিয়ে যায়। তবে ২০২০ সালে আবার চীনে ফিরে আসার পর এবার তারা আরও বড় পরিসরে সম্প্রসারণে নামতে প্রস্তুত। কোম্পানির মতে, সময়ের সঙ্গে চীনা ভোক্তাদের রুচিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের চাহিদা বেড়েছে।

চীনা বাজারে নতুন সম্ভাবনা
বিশ্লেষকদের মতে, চীন এখনও বিদেশি ফাস্টফুড চেইনগুলোর জন্য বড় সুযোগের বাজার। বিশেষ করে প্রথম সারির শহরগুলোতে নতুন ধারণা ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ বেশি।

তবে তারা সতর্ক করে বলেন, এখনকার বাজার আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত ও প্রতিযোগিতামূলক। শুধু ব্র্যান্ড পরিচিতি দিয়ে সফল হওয়া কঠিন। দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে স্থানীয় বাজারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, কার্যকর পরিচালনা, ভিন্নধর্মী পণ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে হবে।

মালিকানা পরিবর্তন ও পরিচালনা
২০২৪ সালে পোপাইসের চীন ব্যবসা কানাডাভিত্তিক একটি গ্রুপের হাতে যায়, যারা এর আগে একটি জনপ্রিয় কফি ও ডোনাট চেইনের চীন কার্যক্রম পরিচালনা করত। নতুন মালিকানার পর ব্র্যান্ডটি স্থানীয় দল নিয়ে চীনে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা
বর্তমানে পোপাইসের চীনে ৮০টির বেশি আউটলেট রয়েছে, যার বেশিরভাগই সাংহাইয়ে। এছাড়া ঝেজিয়াং ও জিয়াংসু প্রদেশের কয়েকটি শহরেও তাদের উপস্থিতি রয়েছে।

আগামী মাসগুলোতে আরও নতুন আউটলেট খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বেইজিংয়ে এ বছরই ১০ থেকে ২০টি নতুন শাখা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিয়ানজিনসহ উত্তর চীনের অন্যান্য শহরেও সম্প্রসারণ শুরু হয়েছে।

চাহিদা ও বাজারের গুরুত্ব

কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন একটি বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার, যেখানে মুরগির মাংস ও ফ্রাইড চিকেনের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে পোপাইস ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ব্যবসা বিস্তারের পরিকল্পনা করছে।