লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় পাওনা টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরে বাড়ির কাছের একটি ফসলি ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
ঘটনার বিবরণ
শুক্রবার সকালে তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চরমনসা গ্রামের একটি ফসলি ক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় থানার উপপরিদর্শক মো. আমিনুল।
নিহত ব্যক্তি ফরহাদ হোসেন, বয়স প্রায় ৩০ বছর। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক এবং স্থানীয় বাসিন্দা দিদার হোসেনের ছেলে।
স্ত্রীর বর্ণনায় শেষ রাতের ঘটনা
ফরহাদের স্ত্রী নার্গিস বেগম জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এক ব্যক্তি ফোন করে পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে তার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। রাত ২টার দিকে তিনি বের হয়ে যাওয়ার পর আর বাড়িতে ফেরেননি।
ভোরের দিকে তার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়, যা পরিবারকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা
সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ফসলি জমিতে ফরহাদের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। পরিবারের অভিযোগ, টাকা লেনদেনের বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
সবচেয়ে নৃশংস দিক হলো, হত্যার পর তার চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে বলে জানান স্বজনরা।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ও ব্যবস্থা
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















