০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেপালের আবহাওয়া বিপর্যয়: ‘স্বাভাবিক’ বৃষ্টির হিসাব কেন ভয়ংকর বিভ্রান্তি তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা, এআই সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা—আলোচনায় সাত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুরোনো দিনের রেশ মুছে আবারও ফ্যাশনের কেন্দ্রে রেশমি স্কার্ফ গ্রীষ্মজুড়ে নজর কেড়েছে রঙিন গ্রাফিক টি-শার্ট, বদলে গেছে ফ্যাশনের ধারা টোকিওর বসন্ত ২০২৭: ইয়োশিওকুবোর পোশাকে নতুন জাপানি নান্দনিকতার ছোঁয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে কী ঘটেছিল, প্রকাশ করলে অবাক হবেন: তামিম আওয়ামী লীগকে সংসদ নির্বাচন থেকে ‘মাইনাস’ করার অভিযোগ আইপিইউতে ‘স্বাস্থ্যকর’ ভাবা জাইলিটলেই হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি? গবেষণায় মিলল উদ্বেগজনক তথ্য ভোটেকোশি আকস্মিক বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪,২৪৭; উদ্ধার ১০,৫৪১ অসুস্থ হওয়ার সামর্থ্যও নেই: চিকিৎসার খরচে আফগান পরিবারের নিঃস্ব হওয়ার গল্প

কাঠমান্ডু ও পোখরায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, বাড়ছে বন্যা ও দুর্যোগের ঝুঁকি

নেপালে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়ছে। কাঠমান্ডু ও পোখরায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, বৃহস্পতিবার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় মেঘলা আকাশ, বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।

বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, কোশি, বাগমতী, গণ্ডকী ও লুম্বিনী প্রদেশের পাহাড়ি এবং তরাই এলাকায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। হিমালয় অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা তুষারপাতের পাশাপাশি বজ্রপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

কোশি ও বাগমতীর কিছু হিমালয়াঞ্চল এবং কোশি, বাগমতী, লুম্বিনী ও কর্ণালী প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় এক থেকে দুই স্থানে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। লুম্বিনীর তরাই এলাকাতেও তীব্র বৃষ্টিপাত হতে পারে।

পোখরা ও কাঠমান্ডুতে সর্বোচ্চ বৃষ্টির সম্ভাবনা

দেশটির প্রধান শহরগুলোর মধ্যে পোখরায় বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮০ শতাংশ। রাজধানী কাঠমান্ডুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ। ওখলঢুঙ্গা ও তাপলেজুং এলাকাতেও বিস্তৃত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

রাতেও অব্যাহত থাকতে পারে বৃষ্টি

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতেও দেশজুড়ে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। গণ্ডকী, লুম্বিনী, কর্ণালী ও সুদূরপশ্চিম অঞ্চলের পাহাড়ি ও তরাই এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

তাপমাত্রায় থাকবে ভিন্নতা

জানকপুর ও ধনগড়িতে তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। অন্যদিকে কাঠমান্ডুতে তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

নেপালে চলমান মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই এই বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পশ্চিম নেপালে মৌসুমি বায়ুর প্রবাহ কিছুটা উত্তরে অবস্থান করছে এবং পূর্বাঞ্চলে তা স্বাভাবিক অবস্থানের কাছাকাছি রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালের আবহাওয়া বিপর্যয়: ‘স্বাভাবিক’ বৃষ্টির হিসাব কেন ভয়ংকর বিভ্রান্তি তৈরি করছে

কাঠমান্ডু ও পোখরায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, বাড়ছে বন্যা ও দুর্যোগের ঝুঁকি

০৭:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

নেপালে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়ছে। কাঠমান্ডু ও পোখরায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, বৃহস্পতিবার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় মেঘলা আকাশ, বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।

বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, কোশি, বাগমতী, গণ্ডকী ও লুম্বিনী প্রদেশের পাহাড়ি এবং তরাই এলাকায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। হিমালয় অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা তুষারপাতের পাশাপাশি বজ্রপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

কোশি ও বাগমতীর কিছু হিমালয়াঞ্চল এবং কোশি, বাগমতী, লুম্বিনী ও কর্ণালী প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় এক থেকে দুই স্থানে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। লুম্বিনীর তরাই এলাকাতেও তীব্র বৃষ্টিপাত হতে পারে।

পোখরা ও কাঠমান্ডুতে সর্বোচ্চ বৃষ্টির সম্ভাবনা

দেশটির প্রধান শহরগুলোর মধ্যে পোখরায় বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮০ শতাংশ। রাজধানী কাঠমান্ডুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ। ওখলঢুঙ্গা ও তাপলেজুং এলাকাতেও বিস্তৃত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

রাতেও অব্যাহত থাকতে পারে বৃষ্টি

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতেও দেশজুড়ে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। গণ্ডকী, লুম্বিনী, কর্ণালী ও সুদূরপশ্চিম অঞ্চলের পাহাড়ি ও তরাই এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

তাপমাত্রায় থাকবে ভিন্নতা

জানকপুর ও ধনগড়িতে তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। অন্যদিকে কাঠমান্ডুতে তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

নেপালে চলমান মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই এই বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পশ্চিম নেপালে মৌসুমি বায়ুর প্রবাহ কিছুটা উত্তরে অবস্থান করছে এবং পূর্বাঞ্চলে তা স্বাভাবিক অবস্থানের কাছাকাছি রয়েছে।