যুক্তরাষ্ট্রে লেটুস ঘিরে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আগে যে নমুনায় পরজীবীর উপস্থিতির কথা জানানো হয়েছিল, সেই পরীক্ষার ফল থেকে এখন সরে এসেছে দেশটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে বাজার থেকে প্রত্যাহার করা লেটুস না খাওয়ার পরামর্শও বহাল রাখা হয়েছে।
আগের পরীক্ষার ফল নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা
স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগে যে পরীক্ষার নমুনায় পরজীবীর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়েছিল, সেটি আসলে ভুলভাবে ইতিবাচক ফল দেখিয়েছিল। তবে এ কারণে চলমান তদন্তের ভিত্তি বা প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্যের গুরুত্ব কমে যায়নি। তাই বাজার থেকে প্রত্যাহার করা সংশ্লিষ্ট লেটুস এড়িয়ে চলতে ভোক্তাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
এই পরিবর্তিত অবস্থান খাদ্যবাহিত অসুস্থতার উৎস শনাক্তে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের বার্তা আরও জটিল করে তুলেছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোন খাদ্য নিরাপদ, তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়া পণ্যগুলোর ওপর আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতা অব্যাহত থাকবে।

একাধিক অঙ্গরাজ্যে অসুস্থতার ঘটনা
সাম্প্রতিক সময়ে পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে হাজারো খাদ্যবাহিত অসুস্থতার ঘটনার সঙ্গে কুচি করা আইসবার্গ লেটুসের সম্ভাব্য সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছে তদন্তকারীরা। এসব লেটুস বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় পরিবেশন করা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।
স্বেচ্ছায় পণ্য প্রত্যাহার
সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, সর্বোচ্চ সতর্কতার অংশ হিসেবে তারা স্বেচ্ছায় নির্দিষ্ট ব্যাচের কুচি করা আইসবার্গ লেটুস বাজার থেকে প্রত্যাহার করেছে। জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে বিতরণ করা এসব পণ্য একাধিক অঙ্গরাজ্যে পৌঁছেছিল। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, যারা অসুস্থ হয়েছেন তাদের প্রতি তারা সহমর্মী এবং তদন্তে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে পূর্ণ সহযোগিতা করছে।
খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাজার থেকে প্রত্যাহার করা পণ্য এড়িয়ে চলাই ভোক্তাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















