০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশে সবুজ বন্ড বাজার সম্প্রসারণে বিএসইসি-আইএমএফ বৈঠক, টেকসই অর্থায়নে জোর পর্যটক আনলে মিলবে তিন হাজার দিরহামের বেশি সুবিধা, বাসিন্দাদের জন্য নতুন উদ্যোগ দুবাইয়ের তরুণীদের মধ্যে বাড়ছে টাইপ ২ ডায়াবেটিস, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা ওজি অসবোর্নকে স্মরণে শ্যারনের আবেগঘন বার্তা, ‘জোরে গান বাজিয়ে তাকে মনে রাখুন’ ইবোলা আশঙ্কায় কঙ্গো থেকে লন্ডনে আনা মানবিক সহায়তাকর্মী, কড়া পর্যবেক্ষণে চিকিৎসকরা নারী সেনাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ, উপযুক্ত সুরক্ষা সরঞ্জামের অভাব এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠানের গুদামে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, আহত অন্তত ১০ কালো পোশাকে সংসদে বিরোধীদের বিক্ষোভ, দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার ১৫ বছরের কম শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা, নতুন আইন পাস করল ফ্রান্স আলিঙ্গন আর চুমুতেই শান্তি বজায় রাখে বনমানুষ, বলছে নতুন গবেষণা

চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, সম্পর্ক উন্নয়নের আহ্বান বেইজিংয়ের

চীনের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। একই সময়ে দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতি ধরে রাখতে পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও সংলাপের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বেইজিং। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে নিরাপত্তা ইস্যু ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে উঠে এলো ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং চীনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। ক্যানবেরার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এসব বিষয়ে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজন রয়েছে।

সম্পর্ক উন্নয়নের আহ্বান চীনের

বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তা পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে মোকাবিলা করা উচিত। তিনি অস্ট্রেলিয়াকে দ্বৈত মানসিকতা পরিহার করে সম্পর্ক উন্নয়নের ইতিবাচক ধারাকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

ওয়াং ইর মতে, উভয় পক্ষের উচিত মতবিরোধকে নিয়ন্ত্রণে রেখে অভিন্ন স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানো। তিনি বলেন, পূর্বধারণা বা অবিশ্বাস যেন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত না করে।

মতভেদ থাকলেও সংলাপ অব্যাহত

বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা ও সামরিক ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও নিয়মিত কূটনৈতিক সংলাপ সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাম্প্রতিক বৈঠকও সেই প্রচেষ্টারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীন ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত বিভিন্ন ইস্যুতে মতভেদ থাকলেও উভয় দেশই যোগাযোগের পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে সবুজ বন্ড বাজার সম্প্রসারণে বিএসইসি-আইএমএফ বৈঠক, টেকসই অর্থায়নে জোর

চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, সম্পর্ক উন্নয়নের আহ্বান বেইজিংয়ের

০৩:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

চীনের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। একই সময়ে দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতি ধরে রাখতে পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও সংলাপের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বেইজিং। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে নিরাপত্তা ইস্যু ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে উঠে এলো ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং চীনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। ক্যানবেরার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এসব বিষয়ে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজন রয়েছে।

সম্পর্ক উন্নয়নের আহ্বান চীনের

বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তা পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে মোকাবিলা করা উচিত। তিনি অস্ট্রেলিয়াকে দ্বৈত মানসিকতা পরিহার করে সম্পর্ক উন্নয়নের ইতিবাচক ধারাকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

ওয়াং ইর মতে, উভয় পক্ষের উচিত মতবিরোধকে নিয়ন্ত্রণে রেখে অভিন্ন স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানো। তিনি বলেন, পূর্বধারণা বা অবিশ্বাস যেন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত না করে।

মতভেদ থাকলেও সংলাপ অব্যাহত

বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা ও সামরিক ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও নিয়মিত কূটনৈতিক সংলাপ সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাম্প্রতিক বৈঠকও সেই প্রচেষ্টারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীন ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত বিভিন্ন ইস্যুতে মতভেদ থাকলেও উভয় দেশই যোগাযোগের পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।