১২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ, টার্মিনালে শত শত যাত্রীর ভোগান্তি স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল, ভরিতে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা বৃদ্ধি সরকারি ভর্তুকির সার যাচ্ছে মিয়ানমারে, সাগরপথে সক্রিয় সংঘবদ্ধ পাচারচক্র ময়মনসিংহে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩; আহত অন্তত ৮ নেপালের বন্যায় বন্ধ বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, বাড়ল ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি হাম-ডেঙ্গুর দাপটে আতঙ্কে শিশুর অভিভাবকরা, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৯ জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতির পদ ছাড়লেন জাহিদ আহসান, যাচ্ছেন এনসিপির মূল দলে শরীরের গড়ন, বয়স কিংবা লিঙ্গ নয়—সিঙ্গাপুরে নতুন পরিচয় পাচ্ছে পোল নাচ পুনঃদরপত্রের খেসারত ১২৩ কোটি, চড়া দামে এলএনজি কিনছে সরকার

চাঁদপুরে ইলিশের দাম ২,৫০০ টাকা, ৩ দিনেই কেজিতে কমল ৪০০

চাঁদপুরে ইলিশের সরবরাহ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। শহরের শত বছরের পুরোনো বড় স্টেশন মাছঘাটে গত কয়েক দিনে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আসায় বাজারে বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য, একই সঙ্গে কমেছে দাম।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত চার মাস ধরে প্রতিদিন বড় স্টেশন মাছঘাটে যেখানে ৫০ থেকে ৭০ মণ ইলিশ আসছিল, সেখানে এখন দৈনিক সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ মণে। বৃহস্পতিবার একদিনেই এসেছে প্রায় ৩৫০ মণ ইলিশ।

এর প্রভাব পড়েছে দামে। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে ইলিশের দাম কেজিতে প্রায় ৪০০ টাকা কমেছে।

১ কেজি ইলিশ এখন ২,৫০০ টাকা

তিন দিন আগেও বড় স্টেশন মাছঘাটে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৯০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। এখন একই আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকায়। শহরের ব্যস্ত বিপণিবাগ বাজারে এর দাম প্রায় ২ হাজার ৬০০ টাকা।

সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে চাঁদপুরের ইলিশের দাম

ওয়্যারলেস বাজার, নতুন বাজার ও পুরান বাজারেও প্রায় একই ধরনের দাম দেখা গেছে। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এখন কেজিপ্রতি প্রায় ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা।

অন্যদিকে, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মিলছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়। কয়েক দিন আগেও এর দাম ছিল ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, এসব ইলিশ পদ্মা নদীতে ধরা পড়া তাজা মাছ।

পিক মৌসুমে সরবরাহ আরও বাড়ার আশা

ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান জানান, বর্তমানে ইলিশের মৌসুমের সর্বোচ্চ পর্যায় শুরু হয়েছে। ২৮ আগস্ট থেকে ইলিশের আহরণ বেড়েছে, যার পেছনে অমাবস্যার প্রভাবও রয়েছে বলে তিনি জানান।

তার প্রত্যাশা, অক্টোবর পর্যন্ত নদীতে ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকতে পারে। ফলে মাছের পরিমাণ আরও বাড়লে দামও কমে আসতে পারে।

চাঁদপুর ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাবেবোরাত সরকার জানান, কয়েক দিন ধরে মাছঘাটে ইলিশের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ মণ ইলিশ এলেও একদিনে প্রায় ৩৫০ মণ এসেছে।

সরবরাহ বাড়ায় শুধু ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরাই নন, মাছঘাটের দিনমজুরদের কাজও বেড়েছে। মাছ নামানো, বাছাই, ওজন করা এবং বরফ দিয়ে প্যাকেটজাত করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা। বিভিন্ন জেলায় ট্রাকে মাছ পাঠানোর জন্য বরফ ভাঙার মেশিনের শব্দেও মুখর হয়ে উঠেছে ঘাট এলাকা।

চাঁদপুরে ইলিশের আমদানি কম, সাধারণের নাগালের বাইরে দাম

ইলিশের ডিমেও বড় ব্যবসা

বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের পাশাপাশি ডিম নিয়েও চলছে আলাদা বাণিজ্য। বাতিল বা প্রক্রিয়াজাতের জন্য রাখা ইলিশ থেকে ডিম সংগ্রহ করে বিক্রি করা হচ্ছে।

শ্রমিকদের তথ্য অনুযায়ী, এক কেজি ইলিশের ডিমের একটি প্যাকেট প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। বড় ইলিশের ডিমের দাম কেজিতে ৫ হাজার থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে। চাহিদা থাকায় এসব ডিম চট্টগ্রামেও পাঠানো হয়। তিন-চার বছর আগে যেখানে প্রতি কেজি ইলিশের ডিম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তার মূল্য অনেক বেড়েছে।

এ ছাড়া ডিম বের করার পর ইলিশে অগভীরভাবে কেটে লবণ, হলুদ মাখিয়ে শুকিয়ে তৈরি করা হয় ‘কাটা ইলিশ’। প্রতি কেজি এ পণ্যের দাম প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে এর চাহিদা বেশি।

তবে দীর্ঘমেয়াদে ইলিশ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন কমে ৫ লাখ ১২ হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ৫ লাখ ২৯ হাজার টন এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭১ হাজার টন।

মৎস্য অধিদপ্তরে ৩২ পদে ৭৩২ জনের চাকরির সুযোগ | The Daily Star

গবেষক ও জেলেদের মতে, বাড়তে থাকা তাপমাত্রা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, নদীর প্রবাহের পরিবর্তন এবং প্রজননক্ষেত্রের অবক্ষয় ইলিশের প্রজনন ও বিচরণে প্রভাব ফেলছে। ফলে বর্তমান মৌসুমে চাঁদপুরে সরবরাহ বাড়লেও ভবিষ্যৎ উৎপাদন ধরে রাখতে কার্যকর অভিযোজন ও নদী ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন রয়েছে।

চাঁদপুরের বড় স্টেশন জেলার সবচেয়ে বড় মাছ অবতরণকেন্দ্রগুলোর একটি। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, সেখানে ইলিশ ও অন্যান্য মাছের ব্যবসায় যুক্ত প্রায় ১৫০ জন ব্যবসায়ী এবং কাজের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ৩৫০ দিনমজুর। চলতি মৌসুমে সরবরাহের এই ঊর্ধ্বগতি তাই একসঙ্গে ক্রেতাদের জন্য কম দাম, শ্রমিকদের জন্য বেশি কাজ এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি বেচাকেনার সুযোগ তৈরি করেছে।

চাঁদপুরে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় মাত্র তিন দিনে কেজিতে কমেছে প্রায় ৪০০ টাকা। পিক মৌসুমে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমার সম্ভাবনাও দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ, টার্মিনালে শত শত যাত্রীর ভোগান্তি

চাঁদপুরে ইলিশের দাম ২,৫০০ টাকা, ৩ দিনেই কেজিতে কমল ৪০০

১১:০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদপুরে ইলিশের সরবরাহ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। শহরের শত বছরের পুরোনো বড় স্টেশন মাছঘাটে গত কয়েক দিনে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আসায় বাজারে বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য, একই সঙ্গে কমেছে দাম।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত চার মাস ধরে প্রতিদিন বড় স্টেশন মাছঘাটে যেখানে ৫০ থেকে ৭০ মণ ইলিশ আসছিল, সেখানে এখন দৈনিক সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ মণে। বৃহস্পতিবার একদিনেই এসেছে প্রায় ৩৫০ মণ ইলিশ।

এর প্রভাব পড়েছে দামে। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে ইলিশের দাম কেজিতে প্রায় ৪০০ টাকা কমেছে।

১ কেজি ইলিশ এখন ২,৫০০ টাকা

তিন দিন আগেও বড় স্টেশন মাছঘাটে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৯০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। এখন একই আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকায়। শহরের ব্যস্ত বিপণিবাগ বাজারে এর দাম প্রায় ২ হাজার ৬০০ টাকা।

সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে চাঁদপুরের ইলিশের দাম

ওয়্যারলেস বাজার, নতুন বাজার ও পুরান বাজারেও প্রায় একই ধরনের দাম দেখা গেছে। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এখন কেজিপ্রতি প্রায় ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা।

অন্যদিকে, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মিলছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়। কয়েক দিন আগেও এর দাম ছিল ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, এসব ইলিশ পদ্মা নদীতে ধরা পড়া তাজা মাছ।

পিক মৌসুমে সরবরাহ আরও বাড়ার আশা

ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান জানান, বর্তমানে ইলিশের মৌসুমের সর্বোচ্চ পর্যায় শুরু হয়েছে। ২৮ আগস্ট থেকে ইলিশের আহরণ বেড়েছে, যার পেছনে অমাবস্যার প্রভাবও রয়েছে বলে তিনি জানান।

তার প্রত্যাশা, অক্টোবর পর্যন্ত নদীতে ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকতে পারে। ফলে মাছের পরিমাণ আরও বাড়লে দামও কমে আসতে পারে।

চাঁদপুর ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাবেবোরাত সরকার জানান, কয়েক দিন ধরে মাছঘাটে ইলিশের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ মণ ইলিশ এলেও একদিনে প্রায় ৩৫০ মণ এসেছে।

সরবরাহ বাড়ায় শুধু ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরাই নন, মাছঘাটের দিনমজুরদের কাজও বেড়েছে। মাছ নামানো, বাছাই, ওজন করা এবং বরফ দিয়ে প্যাকেটজাত করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা। বিভিন্ন জেলায় ট্রাকে মাছ পাঠানোর জন্য বরফ ভাঙার মেশিনের শব্দেও মুখর হয়ে উঠেছে ঘাট এলাকা।

চাঁদপুরে ইলিশের আমদানি কম, সাধারণের নাগালের বাইরে দাম

ইলিশের ডিমেও বড় ব্যবসা

বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের পাশাপাশি ডিম নিয়েও চলছে আলাদা বাণিজ্য। বাতিল বা প্রক্রিয়াজাতের জন্য রাখা ইলিশ থেকে ডিম সংগ্রহ করে বিক্রি করা হচ্ছে।

শ্রমিকদের তথ্য অনুযায়ী, এক কেজি ইলিশের ডিমের একটি প্যাকেট প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। বড় ইলিশের ডিমের দাম কেজিতে ৫ হাজার থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে। চাহিদা থাকায় এসব ডিম চট্টগ্রামেও পাঠানো হয়। তিন-চার বছর আগে যেখানে প্রতি কেজি ইলিশের ডিম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তার মূল্য অনেক বেড়েছে।

এ ছাড়া ডিম বের করার পর ইলিশে অগভীরভাবে কেটে লবণ, হলুদ মাখিয়ে শুকিয়ে তৈরি করা হয় ‘কাটা ইলিশ’। প্রতি কেজি এ পণ্যের দাম প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে এর চাহিদা বেশি।

তবে দীর্ঘমেয়াদে ইলিশ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন কমে ৫ লাখ ১২ হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ৫ লাখ ২৯ হাজার টন এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭১ হাজার টন।

মৎস্য অধিদপ্তরে ৩২ পদে ৭৩২ জনের চাকরির সুযোগ | The Daily Star

গবেষক ও জেলেদের মতে, বাড়তে থাকা তাপমাত্রা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, নদীর প্রবাহের পরিবর্তন এবং প্রজননক্ষেত্রের অবক্ষয় ইলিশের প্রজনন ও বিচরণে প্রভাব ফেলছে। ফলে বর্তমান মৌসুমে চাঁদপুরে সরবরাহ বাড়লেও ভবিষ্যৎ উৎপাদন ধরে রাখতে কার্যকর অভিযোজন ও নদী ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন রয়েছে।

চাঁদপুরের বড় স্টেশন জেলার সবচেয়ে বড় মাছ অবতরণকেন্দ্রগুলোর একটি। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, সেখানে ইলিশ ও অন্যান্য মাছের ব্যবসায় যুক্ত প্রায় ১৫০ জন ব্যবসায়ী এবং কাজের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ৩৫০ দিনমজুর। চলতি মৌসুমে সরবরাহের এই ঊর্ধ্বগতি তাই একসঙ্গে ক্রেতাদের জন্য কম দাম, শ্রমিকদের জন্য বেশি কাজ এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি বেচাকেনার সুযোগ তৈরি করেছে।

চাঁদপুরে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় মাত্র তিন দিনে কেজিতে কমেছে প্রায় ৪০০ টাকা। পিক মৌসুমে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমার সম্ভাবনাও দেখছেন ব্যবসায়ীরা।