যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার আমেরিকান ফুটবল তারকা জেলেন হার্টসের পায়ের পেশিতে আঘাত থেকে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা তৈরি হয়ে তা ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়েছে। ফিলাডেলফিয়া ঈগলসের ২৮ বছর বয়সী এই কোয়ার্টারব্যাকের শরীরে গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধা এবং ফুসফুসের দুই পাশের রক্তনালিতে জমাট শনাক্ত করেছেন চিকিৎসকেরা। এ কারণে চলতি মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোতে তাঁর খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তবে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ভালো।
পায়ের আঘাত থেকে কীভাবে ফুসফুসে পৌঁছাল রক্তের জমাট
গত ৪ অক্টোবর লস অ্যাঞ্জেলেস র্যামসের বিপক্ষে ম্যাচে হার্টসের বাঁ পায়ের পিণ্ডলিতে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের জুতার কাঁটা লাগে। ধারণা করা হচ্ছে, সেই আঘাতের পর থেকেই রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। পরে ফিলাডেলফিয়া থেকে লন্ডনে যাওয়ার আগে তিনি দলের চিকিৎসাকর্মীদের পায়ের আঘাতের কথা জানান। যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় তাঁর বাঁ পায়ের পিণ্ডলির ওপরের দিকের শিরায় রক্ত জমাট শনাক্ত হয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাকে বলা হয় ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস। সাধারণত পায়ের নিচের অংশ, উরু কিংবা শ্রোণির গভীর শিরায় এ ধরনের জমাট তৈরি হয়। অন্যদিকে, ত্বকের কাছাকাছি থাকা উপরিভাগের শিরায় জমাট বাঁধলে তাকে বলা হয় সুপারফিশিয়াল ভেইন থ্রম্বোসিস।
শরীরের গভীর শিরাগুলোকে রক্ত চলাচলের সড়কের সঙ্গে তুলনা করা যায়। এসব শিরা দিয়ে পা থেকে হৃদ্যন্ত্রের দিকে রক্ত প্রবাহিত হয়। এরপর রক্ত ফুসফুসে পৌঁছে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং সেই অক্সিজেন শরীরের বিভিন্ন কোষে সরবরাহ করা হয়।
লাল রক্তকণিকা, প্লেটলেট এবং ফাইব্রিন নামের আঠালো প্রোটিন একত্র হয়ে রক্তের জমাট তৈরি করে। রক্তপাত বন্ধ করা বা আঘাতপ্রাপ্ত স্থান সারিয়ে তুলতে শরীরের এই প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজন হয়। কিন্তু জমাট রক্তপ্রবাহ আটকে দিলে তা গুরুতর বিপদের কারণ হতে পারে।
দীর্ঘ বিমানযাত্রায় বাড়তে পারে ঝুঁকি
আঘাতের কারণে শরীরের কোনো অংশে প্রদাহ তৈরি হলে সেখানে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়তে পারে। আবার দীর্ঘ সময় নড়াচড়া না করে বসে থাকলেও শিরায় রক্ত চলাচল ধীর হয়ে যায়। এ কারণে দীর্ঘ বিমানযাত্রা, অস্ত্রোপচারের পর দীর্ঘ সময় শুয়ে থাকা কিংবা শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
হার্টসের ক্ষেত্রেও পায়ের আঘাতের পর ফিলাডেলফিয়া থেকে লন্ডনে দীর্ঘ বিমানযাত্রা পরিস্থিতিকে জটিল করে থাকতে পারে। দীর্ঘ সময় বসে থাকা এবং শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হওয়া রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তাঁর শরীরে জমাট তৈরির সুনির্দিষ্ট কারণ চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।
ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, ক্যানসার এবং কোভিড-১৯-এর মতো কিছু অসুস্থতা রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। হৃদ্যন্ত্রের অনিয়মিত স্পন্দন, নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ এবং বংশগত প্রবণতাও এর সঙ্গে সম্পর্কিত। জন্মনিয়ন্ত্রণের কিছু ওষুধ ও হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ ঝুঁকি বাড়াতে পারে। গর্ভাবস্থা এবং সন্তান জন্মের পর ছয় থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্তও রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা তুলনামূলক বেশি থাকে।
কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য রক্ত জমাট বাঁধার নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।
কোন লক্ষণগুলো অবহেলা করা বিপজ্জনক
পায়ের শিরায় রক্ত জমাট বাঁধলে পিণ্ডলিতে ব্যথা, পেশিতে টান, ফোলা কিংবা আক্রান্ত স্থানে উষ্ণতা অনুভূত হতে পারে। কখনো ত্বক লাল বা বেগুনি রঙের হয়ে যেতে পারে। তবে সবার ক্ষেত্রে একই লক্ষণ দেখা যায় না। কারও শরীরে রক্ত জমাট তৈরি হলেও স্পষ্ট কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, পায়ের পিণ্ডলিতে ব্যথা হলে এবং কয়েক দিন ধরে স্বাভাবিক বিশ্রাম, হালকা প্রসারণ বা পর্যাপ্ত পানি পান করার পরও তা না কমলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে একটি পা অন্যটির তুলনায় বেশি ফুলে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
প্রয়োজনে আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষার মাধ্যমে শিরায় রক্ত জমাট আছে কি না, তা শনাক্ত করা যায়। সন্দেহজনক উপসর্গ দেখা দিলে নিজে থেকে সেরে যাওয়ার অপেক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
হার্টসের ক্ষেত্রে প্রথম পরীক্ষায় উপরিভাগের শিরায় রক্ত জমাট শনাক্ত হয়েছিল। এরপর দুই দিন চিকিৎসা ও অনুশীলনের একটি পর্ব শেষে করা আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় জমাটের অবস্থানে সামান্য পরিবর্তন দেখা যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে ক্যারোলাইনা প্যান্থার্সের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে সরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দল। সোমবার দল জানায়, জমাট রক্ত ফুসফুসে পৌঁছেছে।
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে উপরিভাগের শিরায় জমাট থাকার পাশাপাশি গভীর শিরায়ও অশনাক্ত জমাট থাকতে পারে। আবার উপরিভাগের শিরায় তৈরি হওয়া জমাট গভীর শিরায় পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে।
ফুসফুসে রক্ত জমাট কেন প্রাণঘাতী হতে পারে
রক্ত জমাটের কোনো অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে রক্তপ্রবাহের সঙ্গে ফুসফুসে পৌঁছে সেখানকার ধমনি আটকে দিলে যে বিপজ্জনক অবস্থা তৈরি হয়, তাকে পালমোনারি এম্বোলিজম বলা হয়। হার্টসের ক্ষেত্রে ফুসফুসের দুই পাশের ধমনিতে রক্ত জমাট আটকে যাওয়ার কথা জানিয়েছে তাঁর দল।
এ অবস্থায় ফুসফুসে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ফলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায় এবং হৃদ্যন্ত্রের ওপর চাপ বেড়ে যায়। গুরুতর পরিস্থিতিতে হৃদ্যন্ত্রের ডান পাশ বিকল হওয়া, শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা আকস্মিক হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।
ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার অন্যতম লক্ষণ হলো হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা এবং গভীর শ্বাস নেওয়া বা কাশির সময় ব্যথা বেড়ে যাওয়া। কখনো রক্তমিশ্রিত কফ, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার অনুভূতি কিংবা বিভ্রান্তিও দেখা দিতে পারে। হৃদ্স্পন্দন দ্রুত বা অনিয়মিত হয়ে যাওয়াও বিপদের লক্ষণ।
এসব উপসর্গকে সাধারণ হাঁপানি, ভাইরাসজনিত সংক্রমণ কিংবা অন্য কোনো পরিচিত সমস্যার লক্ষণ ভেবে উপেক্ষা করা বিপজ্জনক। বিশেষ করে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বা বুকব্যথা শুরু হলে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধবিষয়ক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গভীর শিরায় রক্ত জমাট এবং ফুসফুসে জমাট পৌঁছানোর মতো সমস্যাসহ শিরাজনিত রক্ত জমাটের কারণে দেশটিতে বছরে প্রায় ৬০ হাজার থেকে এক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। দেশটিতে প্রতিবছর প্রায় ৯ লাখ মানুষের পা বা ফুসফুসে রক্ত জমাট শনাক্ত হয়।
চিকিৎসায় কত দিন লাগে, কেন ফুটবলে ফিরতে দেরি হতে পারে
ফুসফুসে রক্ত জমাট শনাক্ত হলে অনেক রোগীকে রক্ত জমাট আরও বড় হওয়া বা নতুন জমাট তৈরি হওয়া ঠেকাতে রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ দেওয়া হয়। হেপারিন ও ওয়ারফারিন এ ধরনের ওষুধের উদাহরণ। শরীরের জমাট রক্ত ধীরে ধীরে ভেঙে ফেলতে এগুলো সহায়তা করে।
অনেক রোগীকে অন্তত তিন থেকে ছয় মাস রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ সেবন করতে হয়। তবে চিকিৎসার মেয়াদ নির্ভর করে জমাটের ধরন, তীব্রতা, ঝুঁকির কারণ এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার ওপর।
এখানেই হার্টসের মতো পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়দের জন্য বড় সমস্যা তৈরি হয়। রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ গ্রহণের সময় আঘাত লাগলে অতিরিক্ত রক্তপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ফুটবলের মতো সংঘর্ষনির্ভর খেলায় এই ঝুঁকি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই চিকিৎসা চলাকালে এমন খেলায় অংশ নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।
চিকিৎসকেরা সাধারণত এ ধরনের রোগীকে ফুটবল খেলা বা স্কাইডাইভিংয়ের মতো আঘাতের আশঙ্কা রয়েছে, এমন কার্যক্রম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। হার্টসের ক্ষেত্রেও ওষুধ গ্রহণের সময় মাঠে ফেরার সুযোগ সীমিত হতে পারে। এ কারণে চলতি মৌসুমের বাকি অংশে তাঁর খেলা অনিশ্চিত।
তবে সব রোগীর চিকিৎসা একই রকম হয় না। জমাটের তীব্রতা ও অবস্থান অনুযায়ী চিকিৎসকেরা বিভিন্ন পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্যাথেটার ব্যবহার করে ফুসফুসের রক্তনালিতে পৌঁছে জমাট গলিয়ে দেওয়া বা বের করে আনা সম্ভব। হৃদ্যন্ত্রে জমাট তৈরি হলে বিশেষ পরিস্থিতিতে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
হার্টসের দল জানিয়েছে, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ভালো এবং তিনি পুরোপুরি সেরে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে। রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ গ্রহণ বন্ধ করার পর তিনি আবার ফুটবল খেলতে পারবেন বলে দলটির প্রত্যাশা। তবে মাঠে ফেরার সময় নির্ভর করবে চিকিৎসার অগ্রগতি ও চিকিৎসকদের মূল্যায়নের ওপর।
অন্য ক্রীড়াবিদদেরও হয়েছে একই সমস্যা
রক্ত জমাটের কারণে পেশাদার ক্রীড়াবিদদের মাঠের বাইরে থাকার ঘটনা নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল দল ক্যারোলাইনা প্যান্থার্সের খেলোয়াড় টেলর মোটনও ফুসফুসে রক্ত জমাট শনাক্ত হওয়ার পর মৌসুমের একাংশে খেলতে পারেননি।
বাস্কেটবলের তারকা ভিক্টর ওয়েম্বানিয়ামা ২০২৪-২৫ মৌসুমে গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার কারণে ৩০টি ম্যাচে খেলতে পারেননি। আরেক বাস্কেটবল তারকা ক্রিস বোশের ক্যারিয়ারও রক্ত জমাটসংক্রান্ত সমস্যার কারণে শেষ হয়ে যায়।
টেনিস তারকা সেরেনা উইলিয়ামসেরও ফুসফুসে রক্ত জমাট বেঁধেছিল। ২০১১ সালে তাঁর অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। ২০১৭ সালে সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও তিনি পালমোনারি এম্বোলিজম ও সংশ্লিষ্ট জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।
এসব ঘটনা দেখায়, শারীরিকভাবে সুস্থ ও নিয়মিত অনুশীলন করা ক্রীড়াবিদদেরও রক্ত জমাটের ঝুঁকি থাকতে পারে। দ্রুত শনাক্তকরণ, যথাযথ চিকিৎসা এবং পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমাতে কী করবেন
দীর্ঘ সময় বসে কাজ করতে হলে নিয়মিত বিরতি নিয়ে উঠে দাঁড়ানো, পা প্রসারিত করা এবং কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করা উপকারী। এতে পায়ের শিরায় রক্ত চলাচল সচল রাখতে সহায়তা হয়। একটানা দীর্ঘ সময় বসে থাকা এড়িয়ে চলা উচিত।
বিমানযাত্রার সময়ও একই সতর্কতা প্রয়োজন। সম্ভব হলে প্রতি ঘণ্টায় একবার উঠে কিছুক্ষণ হাঁটতে হবে। তা সম্ভব না হলে বসে থাকা অবস্থায় গোড়ালি ওঠানো-নামানো এবং পায়ের পেশি সংকোচন ও প্রসারণের ব্যায়াম করা যেতে পারে।
দীর্ঘ ভ্রমণে পর্যাপ্ত পানি পান করাও গুরুত্বপূর্ণ। পানিশূন্যতা এড়িয়ে চলা, ধূমপান বন্ধ করা এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা রক্ত জমাটের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। দীর্ঘ সময় বসে থাকার সময় পা শক্ত করে আড়াআড়ি করে রাখা এড়িয়ে চলা ভালো। ঝুঁকি বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে বিশেষ ধরনের চাপযুক্ত মোজা ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে কোনো ব্যক্তির পায়ে নতুন করে ব্যথা বা ফোলা দেখা দিলে শুধু ব্যায়াম বা পানি পান করে অপেক্ষা করা উচিত নয়। আর হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
হার্টসের ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, পায়ের সামান্য আঘাত বলে মনে হওয়া সমস্যাও কখনো গুরুতর জটিলতার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। উপসর্গ দ্রুত শনাক্ত করা এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলাই ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়।












