গাজীপুরের টঙ্গীতে গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার সকালে টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট এলাকার একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন ৬৫ বছর বয়সী লাল চান, ৫০ বছর বয়সী নাসিমা এবং ১৬ বছর বয়সী তানিসা। তাঁদের দ্রুত ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
তিনজনের শরীরের বড় অংশ পুড়ে গেছে
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, বাড়িতে জমে থাকা গ্যাস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হন।
তিনি জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আহতদের ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে লাল চানের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। নাসিমা ও তানিসার শরীরের ৮৫ শতাংশ করে পুড়েছে।
দগ্ধ তিনজনের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে এর বাইরে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
গ্যাসের লিকেজ থেকে দুর্ঘটনার আশঙ্কা
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাসের পাইপলাইনে লিকেজের কারণে বাড়ির ভেতরে গ্যাস জমে যায়। পরে সেই গ্যাস থেকে আগুন ছড়িয়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে গ্যাস লিকেজের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বাড়িতে গ্যাস জমে থাকলে সামান্য আগুনের উৎস থেকেও অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। টঙ্গীর এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন গুরুতরভাবে দগ্ধ হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এসেছে।
গ্যাসের গন্ধ পাওয়া গেলে আগুন জ্বালানো, বৈদ্যুতিক সুইচ চালু বা বন্ধ করা থেকে বিরত থাকা এবং নিরাপদ স্থানে সরে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো জরুরি।
টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট এলাকার বাড়িটিতে গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ কীভাবে ঘটেছিল, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরও তথ্য প্রয়োজন।












