মিয়ানমারের স্বশাসিত ওয়া রাজ্যে দুই হাজার তেইশ সাল থেকে বন্ধ থাকা মানমও টিন খনি ধীরে ধীরে আবার চালু হয়েছে, একই সময়ে মিয়ানমারের সামরিক সরকার জাতিসংঘের একটি তদন্ত প্রতিবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। দুটি ঘটনা একসঙ্গে মিয়ানমারের ভেতরে ক্ষমতা ও বৈধতার লড়াইয়ের ভিন্ন দুটি দিক সামনে আনছে।
ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মি নিয়ন্ত্রিত এই খনি একসময় চীনের টিন আমদানির প্রায় পুরোটাই সরবরাহ করত, তবে ওয়া গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই হাজার তেইশ সালে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক সংকট গোষ্ঠীর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বন্ধের পেছনে সশস্ত্র সংঘাত নয় বরং ওয়া বংশানুক্রমিক গোষ্ঠীগুলোর অভ্
একই সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের তেষট্টিতম অধিবেশনে মিয়ানমার বিষয়ক স্বতন্ত্র তদন্ত ব্যবস্থার প্রধান তদন্তকারী নিকোলাস কৌমজিয়ান বিমান হামলা ও নিপীড়নের অভিযোগ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। জবাবে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তদন্তকে একতরফা অভিযোগ বলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। একই সময়ে সামরিক সরকারপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের কম্বোডিয়া সফরের পরিকল্পনার খবরও এসেছে, যা আঞ্চলিক মিত্রদের কাছ থেকে বৈধতা আদায়ের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। জাতিসংঘের তদন্ত ব্যবস্থাটি এমনিতেই অর্থ সংকটে ভুগছে বলে আগে থেকেই উদ্বেগ ছিল, ফলে সামরিক সরকারের এই প্রত্যাখ্যান তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও দুর্বল করে তুলতে পারে বলে মানবাধিকারকর্মীদের আশঙ্কা। মিয়ানমারের সামরিক সরকার এর আগেও একাধিকবার আন্তর্জাতিক তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, ফলে এবারের প্রত্যাখ্যানকে অনেকে পু
মিয়ানমারের ভেতরের এই দুই সমান্তরাল ঘটনাই বাংলাদেশের জন্য প্রাসঙ্গিক। টিন খনির মতো সম্পদ আহরণ চালিয়ে যাওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যেমন অর্থনৈতিকভাবে নিজেদের শক্তিশালী করছে, তেমনি জান্তা সরকারের জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিচার নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকেও প্রভা
সম্পদ আহরণ আর জবাবদিহি এড়ানো, মিয়ানমারের ভেতরে ক্ষমতার এই দুই মুখই একসঙ্গে দেখিয়ে দেয় দেশটির সংকট কতটা বহুস্তরীয়। আন্তর্জাতিক মহল বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া জানালেও সংকটের প্রকৃত সমাধান এখনো অধরাই থেকে যাচ্ছে।
মেটা বিবরণ:
কী-ফ্রেজ:
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















