ভারত সরবরাহ দিচ্ছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাকে জ্বালানিতে
ভারতের দেওয়া জ্বালানি সহায়তায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় শক্তিশালী সহযোগিতা পাচ্ছে। ভারতের নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় তেল ও ডিজেল সরবরাহের ফলে এই অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও দৃঢ় হচ্ছে বলে পরিবারের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই উদ্যোগ “প্রতিবেশী প্রথম” নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সংকটের সময়ে ক্ষতি কমাতে সহায়তা করছে।
শীর্ষে জ্বালানি সংকট ও ভারতের ভূমিকা
শ্রীলঙ্কায় ৩৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম জ্বালানি পাঠিয়েছে ভারত, যার মধ্যে ছিল ২০,০০০ টন ডিজেল ও ১৮,০০০ টন পেট্রোল। এই সহায়তা শ্রীলঙ্কার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অতি জরুরি ভূমিকা রেখেছে এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নরেন্দ্র মোদিকে দ্রুত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ সংকটের মোকাবিলায় জ্বালানি পাচ্ছে
বাংলাদেশও ভারতের কাছ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭,০০০ টন ডিজেল পেয়েছে এবং আরও প্রায় ৪০,০০০ টন জ্বালানি আগামী মাসে পাওয়ার কথা রয়েছে। এই সরবরাহ বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারে স্থিতি বজায় রাখতে সহায়তা করছে এবং সরকারের নির্বাহী কর্মকর্তারা বলেছেন যে পাঠানো জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হওয়ার কথা নেই।
প্রতিবেশী সহযোগিতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ফলে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে জ্বালানি সংকটের চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত যে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে জ্বালানি সহায়তার কাঠামো তৈরি করছে তা অঞ্চলের সমন্বিত শক্তি নিরাপত্তাকে আরও জোরদার করছে।

বাংলাদেশের নিজস্ব প্রস্তুতি
এদিকে বাংলাদেশ সরকার ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা আরও জোরদার করেছে। জরুরি ভিত্তিতে কয়েক লক্ষ টন জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে সংকটের প্রভাব কমান যায়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















