মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন সহায়তা অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এনপিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেন মার্চ মাসে ঘোষণা দিয়েছে যে ২০২৭ সাল থেকে তাদের বৈশ্বিক সাহায্য বাজেট ব্যাপকভাবে কাটছাঁট করা হবে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন আফ্রিকাসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সাহায্য প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

যখন দুই বড় দাতা একই সময়ে সরে যায়
আফ্রিকার বহু দেশ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পশ্চিমা সাহায্যের ওপর মোটামুটি নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে এই সহায়তা কমিয়ে দেওয়ায় সংস্থাগুলো বলছে পরিস্থিতি ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশ এমন পর্যায়ে রয়েছে যেখানে বাহ্যিক সহায়তা ছাড়া মৌলিক সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। সাহায্য কমলে এই দেশগুলোতে দারিদ্র্য, অপুষ্টি ও রোগের প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বড় শক্তির ‘ভেতরমুখী’ রাজনীতির বৈশ্বিক মূল্য
ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি এবং ব্রিটেনের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের ফলে দুটো ঐতিহাসিক দাতা দেশ একই সময়ে বিশ্বের দরিদ্রতম মানুষদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই প্রবণতা কেবল আফ্রিকার জন্যই নয়, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্যও একটি সতর্কবার্তা। বৈশ্বিক উন্নয়ন সহায়তার পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং নিজস্ব সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প থাকছে না।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















