০৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
জুনের মধ্যে সব ব্যাংককে ‘বাংলা QR’ অ্যাপ চালু করতে হবে: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে স্কুল, রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধের পরিকল্পনা করছে সরকার লিবিয়া থেকে ১৭৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন, আটকে থাকা আরও অনেকের মুক্তির অপেক্ষা আশুলিয়ায় দুটি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ, ৪,০০০ শ্রমিক কর্মহীন ইরান যুদ্ধে আমিরাতের হিসাব: ১২ নিহত, ১৯০ আহত, আটকানো হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি ড্রোন পোপ ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানালেন, ট্রাম্পকে সরাসরি বার্তা সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক: বিএনপি বলছে সংবিধানে নেই, জামায়াত বলছে জনরায় মানতে হবে ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনার কাছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ১৮০ জনের বেশি আহত ইরান যুদ্ধের আঁচে বিশ্বজুড়ে সার ও জ্বালানির দাম লাফিয়ে বাড়ছে, বাংলাদেশও ঝুঁকিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বেসরকারি বিনিয়োগ:ওপেনএআইয়ের মূল্যায়ন দাঁড়াল ৮৫২ বিলিয়ন ডলারে

যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার সাহায্য অর্ধেক কমাচ্ছে, ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ বলছে সংস্থাগুলো

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন সহায়তা অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এনপিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেন মার্চ মাসে ঘোষণা দিয়েছে যে ২০২৭ সাল থেকে তাদের বৈশ্বিক সাহায্য বাজেট ব্যাপকভাবে কাটছাঁট করা হবে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন আফ্রিকাসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সাহায্য প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

Leak reveals UK Foreign Office discussing aid cuts of more than 50% |  Foreign policy | The Guardian

যখন দুই বড় দাতা একই সময়ে সরে যায়

আফ্রিকার বহু দেশ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পশ্চিমা সাহায্যের ওপর মোটামুটি নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে এই সহায়তা কমিয়ে দেওয়ায় সংস্থাগুলো বলছে পরিস্থিতি ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশ এমন পর্যায়ে রয়েছে যেখানে বাহ্যিক সহায়তা ছাড়া মৌলিক সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। সাহায্য কমলে এই দেশগুলোতে দারিদ্র্য, অপুষ্টি ও রোগের প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বড় শক্তির ‘ভেতরমুখী’ রাজনীতির বৈশ্বিক মূল্য

ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি এবং ব্রিটেনের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের ফলে দুটো ঐতিহাসিক দাতা দেশ একই সময়ে বিশ্বের দরিদ্রতম মানুষদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই প্রবণতা কেবল আফ্রিকার জন্যই নয়, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্যও একটি সতর্কবার্তা। বৈশ্বিক উন্নয়ন সহায়তার পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং নিজস্ব সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প থাকছে না।

ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি কি মাও সে-তুংয়ের 'সাংস্কৃতিক বিপ্লব'

জনপ্রিয় সংবাদ

জুনের মধ্যে সব ব্যাংককে ‘বাংলা QR’ অ্যাপ চালু করতে হবে: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর

যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার সাহায্য অর্ধেক কমাচ্ছে, ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ বলছে সংস্থাগুলো

০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন সহায়তা অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এনপিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেন মার্চ মাসে ঘোষণা দিয়েছে যে ২০২৭ সাল থেকে তাদের বৈশ্বিক সাহায্য বাজেট ব্যাপকভাবে কাটছাঁট করা হবে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন আফ্রিকাসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সাহায্য প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

Leak reveals UK Foreign Office discussing aid cuts of more than 50% |  Foreign policy | The Guardian

যখন দুই বড় দাতা একই সময়ে সরে যায়

আফ্রিকার বহু দেশ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পশ্চিমা সাহায্যের ওপর মোটামুটি নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে এই সহায়তা কমিয়ে দেওয়ায় সংস্থাগুলো বলছে পরিস্থিতি ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশ এমন পর্যায়ে রয়েছে যেখানে বাহ্যিক সহায়তা ছাড়া মৌলিক সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। সাহায্য কমলে এই দেশগুলোতে দারিদ্র্য, অপুষ্টি ও রোগের প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বড় শক্তির ‘ভেতরমুখী’ রাজনীতির বৈশ্বিক মূল্য

ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি এবং ব্রিটেনের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের ফলে দুটো ঐতিহাসিক দাতা দেশ একই সময়ে বিশ্বের দরিদ্রতম মানুষদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই প্রবণতা কেবল আফ্রিকার জন্যই নয়, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্যও একটি সতর্কবার্তা। বৈশ্বিক উন্নয়ন সহায়তার পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং নিজস্ব সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প থাকছে না।

ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি কি মাও সে-তুংয়ের 'সাংস্কৃতিক বিপ্লব'