০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস মালয়েশিয়ায় একক মায়ের সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ছাড়াল, দারিদ্র্য ও জীবনযুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে চীনের নতুন বার্তা: দেশের টাকা দেশে রাখুন, বিদেশে বিনিয়োগে বাড়ছে কড়াকড়ি মালয়েশিয়ায় ডিজেলে বাড়ছে পাম অয়েলের ব্যবহার, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবিতে জি-৭ নেতারা সিঙ্গাপুরের নেতৃত্বে আসিয়ানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও তথ্যপ্রবাহে জোর ভারতে  টমেটো-পেঁয়াজ-আলুর দামে আগুন, কৃষকের হাতে নেই ন্যায্য মূল্য পশ্চিমবঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রাজপথে মমতা, হকারদের পক্ষে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন কোটা থেকে রাহুলের শিক্ষা বার্তা: ‘স্বপ্ন গড়ার বদলে শিক্ষাব্যবস্থা চাপ ও খরচ বাড়াচ্ছে’ টেলিগ্রামে প্রশ্নফাঁস আতঙ্ক, সতর্কবার্তার পরই ভারতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার সাহায্য অর্ধেক কমাচ্ছে, ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ বলছে সংস্থাগুলো

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন সহায়তা অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এনপিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেন মার্চ মাসে ঘোষণা দিয়েছে যে ২০২৭ সাল থেকে তাদের বৈশ্বিক সাহায্য বাজেট ব্যাপকভাবে কাটছাঁট করা হবে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন আফ্রিকাসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সাহায্য প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

Leak reveals UK Foreign Office discussing aid cuts of more than 50% |  Foreign policy | The Guardian

যখন দুই বড় দাতা একই সময়ে সরে যায়

আফ্রিকার বহু দেশ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পশ্চিমা সাহায্যের ওপর মোটামুটি নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে এই সহায়তা কমিয়ে দেওয়ায় সংস্থাগুলো বলছে পরিস্থিতি ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশ এমন পর্যায়ে রয়েছে যেখানে বাহ্যিক সহায়তা ছাড়া মৌলিক সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। সাহায্য কমলে এই দেশগুলোতে দারিদ্র্য, অপুষ্টি ও রোগের প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বড় শক্তির ‘ভেতরমুখী’ রাজনীতির বৈশ্বিক মূল্য

ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি এবং ব্রিটেনের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের ফলে দুটো ঐতিহাসিক দাতা দেশ একই সময়ে বিশ্বের দরিদ্রতম মানুষদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই প্রবণতা কেবল আফ্রিকার জন্যই নয়, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্যও একটি সতর্কবার্তা। বৈশ্বিক উন্নয়ন সহায়তার পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং নিজস্ব সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প থাকছে না।

ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি কি মাও সে-তুংয়ের 'সাংস্কৃতিক বিপ্লব'

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস

যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার সাহায্য অর্ধেক কমাচ্ছে, ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ বলছে সংস্থাগুলো

০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার যুক্তরাজ্যও আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন সহায়তা অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এনপিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেন মার্চ মাসে ঘোষণা দিয়েছে যে ২০২৭ সাল থেকে তাদের বৈশ্বিক সাহায্য বাজেট ব্যাপকভাবে কাটছাঁট করা হবে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন আফ্রিকাসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সাহায্য প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

Leak reveals UK Foreign Office discussing aid cuts of more than 50% |  Foreign policy | The Guardian

যখন দুই বড় দাতা একই সময়ে সরে যায়

আফ্রিকার বহু দেশ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পশ্চিমা সাহায্যের ওপর মোটামুটি নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে এই সহায়তা কমিয়ে দেওয়ায় সংস্থাগুলো বলছে পরিস্থিতি ‘টিকে থাকা অসম্ভব’ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশ এমন পর্যায়ে রয়েছে যেখানে বাহ্যিক সহায়তা ছাড়া মৌলিক সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। সাহায্য কমলে এই দেশগুলোতে দারিদ্র্য, অপুষ্টি ও রোগের প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বড় শক্তির ‘ভেতরমুখী’ রাজনীতির বৈশ্বিক মূল্য

ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি এবং ব্রিটেনের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের ফলে দুটো ঐতিহাসিক দাতা দেশ একই সময়ে বিশ্বের দরিদ্রতম মানুষদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই প্রবণতা কেবল আফ্রিকার জন্যই নয়, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্যও একটি সতর্কবার্তা। বৈশ্বিক উন্নয়ন সহায়তার পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং নিজস্ব সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প থাকছে না।

ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি কি মাও সে-তুংয়ের 'সাংস্কৃতিক বিপ্লব'