০৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে নয়, আসছে কঠোর নীতিমালা

সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক: বিএনপি বলছে সংবিধানে নেই, জামায়াত বলছে জনরায় মানতে হবে

১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল গঠন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে, অথচ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের অবস্থান: সংবিধান প্রথম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদে বলেছেন, বর্তমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল’ বলে কোনো সংস্থার অস্তিত্ব নেই। তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে এই বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন না এবং রাষ্ট্রপতিও তা আহ্বান করতে পারেন না। তিনি বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে, তবে সেটি অবশ্যই সাংবিধানিক ও আইনি পদ্ধতিতে করতে হবে। প্রস্তাবিত কাউন্সিলের বৈধতা নিয়ে ইতিমধ্যে আদালতেও মামলা চলছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার দাবিতে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার মুলতবি  প্রস্তাব

জুলাই সংস্কারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোটার জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই সনদে দ্বিকক্ষীয় সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দশ বছর নির্ধারণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতসহ ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব ছিল। বিরোধীদলীয় নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সংসদের মধ্যে এই সংকট সমাধান না হলে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গণভোটের জনরায় ও সাংবিধানিক পদ্ধতির মধ্যে এই দ্বন্দ্ব সমাধান না হলে বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক: বিএনপি বলছে সংবিধানে নেই, জামায়াত বলছে জনরায় মানতে হবে

০৩:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল গঠন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে, অথচ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের অবস্থান: সংবিধান প্রথম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদে বলেছেন, বর্তমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল’ বলে কোনো সংস্থার অস্তিত্ব নেই। তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে এই বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন না এবং রাষ্ট্রপতিও তা আহ্বান করতে পারেন না। তিনি বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে, তবে সেটি অবশ্যই সাংবিধানিক ও আইনি পদ্ধতিতে করতে হবে। প্রস্তাবিত কাউন্সিলের বৈধতা নিয়ে ইতিমধ্যে আদালতেও মামলা চলছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার দাবিতে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার মুলতবি  প্রস্তাব

জুলাই সংস্কারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোটার জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই সনদে দ্বিকক্ষীয় সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দশ বছর নির্ধারণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতসহ ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব ছিল। বিরোধীদলীয় নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সংসদের মধ্যে এই সংকট সমাধান না হলে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গণভোটের জনরায় ও সাংবিধানিক পদ্ধতির মধ্যে এই দ্বন্দ্ব সমাধান না হলে বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।