০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদে ফেরার দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বড় পদক্ষেপ, আর্টেমিস-২ মিশনে নভোচারীদের ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু ইরানের আকাশে মার্কিন এফ-৩৫ ধ্বংসের ‘গাইড’ ভাইরাল: চীনা প্রকৌশলীদের অনলাইন সক্রিয়তা বাড়ছে ট্রাম্প কিভাবে ইরান যুদ্ধের মার্কিন লক্ষ্য দ্রুত শেষ করার যুক্তি তৈরি করতে পারেন ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ ঘোষণা: “নিশ্চিত, মহাজয়” কিন্তু আরও হামলার ইঙ্গিত রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ পেতে প্রায় এক বছর দেরী হবে জুনের মধ্যে সব ব্যাংককে ‘বাংলা QR’ অ্যাপ চালু করতে হবে: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে স্কুল, রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধের পরিকল্পনা করছে সরকার লিবিয়া থেকে ১৭৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন, আটকে থাকা আরও অনেকের মুক্তির অপেক্ষা আশুলিয়ায় দুটি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ, ৪,০০০ শ্রমিক কর্মহীন ইরান যুদ্ধে আমিরাতের হিসাব: ১২ নিহত, ১৯০ আহত, আটকানো হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি ড্রোন

সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক: বিএনপি বলছে সংবিধানে নেই, জামায়াত বলছে জনরায় মানতে হবে

১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল গঠন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে, অথচ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের অবস্থান: সংবিধান প্রথম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদে বলেছেন, বর্তমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল’ বলে কোনো সংস্থার অস্তিত্ব নেই। তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে এই বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন না এবং রাষ্ট্রপতিও তা আহ্বান করতে পারেন না। তিনি বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে, তবে সেটি অবশ্যই সাংবিধানিক ও আইনি পদ্ধতিতে করতে হবে। প্রস্তাবিত কাউন্সিলের বৈধতা নিয়ে ইতিমধ্যে আদালতেও মামলা চলছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার দাবিতে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার মুলতবি  প্রস্তাব

জুলাই সংস্কারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোটার জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই সনদে দ্বিকক্ষীয় সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দশ বছর নির্ধারণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতসহ ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব ছিল। বিরোধীদলীয় নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সংসদের মধ্যে এই সংকট সমাধান না হলে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গণভোটের জনরায় ও সাংবিধানিক পদ্ধতির মধ্যে এই দ্বন্দ্ব সমাধান না হলে বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদে ফেরার দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বড় পদক্ষেপ, আর্টেমিস-২ মিশনে নভোচারীদের ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু

সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক: বিএনপি বলছে সংবিধানে নেই, জামায়াত বলছে জনরায় মানতে হবে

০৩:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল গঠন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে, অথচ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের অবস্থান: সংবিধান প্রথম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদে বলেছেন, বর্তমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল’ বলে কোনো সংস্থার অস্তিত্ব নেই। তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে এই বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন না এবং রাষ্ট্রপতিও তা আহ্বান করতে পারেন না। তিনি বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে, তবে সেটি অবশ্যই সাংবিধানিক ও আইনি পদ্ধতিতে করতে হবে। প্রস্তাবিত কাউন্সিলের বৈধতা নিয়ে ইতিমধ্যে আদালতেও মামলা চলছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার দাবিতে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার মুলতবি  প্রস্তাব

জুলাই সংস্কারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোটার জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই সনদে দ্বিকক্ষীয় সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দশ বছর নির্ধারণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতসহ ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব ছিল। বিরোধীদলীয় নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সংসদের মধ্যে এই সংকট সমাধান না হলে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গণভোটের জনরায় ও সাংবিধানিক পদ্ধতির মধ্যে এই দ্বন্দ্ব সমাধান না হলে বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।