০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক: বিএনপি বলছে সংবিধানে নেই, জামায়াত বলছে জনরায় মানতে হবে

১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল গঠন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে, অথচ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের অবস্থান: সংবিধান প্রথম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদে বলেছেন, বর্তমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল’ বলে কোনো সংস্থার অস্তিত্ব নেই। তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে এই বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন না এবং রাষ্ট্রপতিও তা আহ্বান করতে পারেন না। তিনি বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে, তবে সেটি অবশ্যই সাংবিধানিক ও আইনি পদ্ধতিতে করতে হবে। প্রস্তাবিত কাউন্সিলের বৈধতা নিয়ে ইতিমধ্যে আদালতেও মামলা চলছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার দাবিতে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার মুলতবি  প্রস্তাব

জুলাই সংস্কারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোটার জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই সনদে দ্বিকক্ষীয় সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দশ বছর নির্ধারণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতসহ ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব ছিল। বিরোধীদলীয় নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সংসদের মধ্যে এই সংকট সমাধান না হলে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গণভোটের জনরায় ও সাংবিধানিক পদ্ধতির মধ্যে এই দ্বন্দ্ব সমাধান না হলে বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক: বিএনপি বলছে সংবিধানে নেই, জামায়াত বলছে জনরায় মানতে হবে

০৩:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

১৩তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল গঠন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেছে, অথচ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের অবস্থান: সংবিধান প্রথম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদে বলেছেন, বর্তমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল’ বলে কোনো সংস্থার অস্তিত্ব নেই। তাই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে এই বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন না এবং রাষ্ট্রপতিও তা আহ্বান করতে পারেন না। তিনি বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে, তবে সেটি অবশ্যই সাংবিধানিক ও আইনি পদ্ধতিতে করতে হবে। প্রস্তাবিত কাউন্সিলের বৈধতা নিয়ে ইতিমধ্যে আদালতেও মামলা চলছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার দাবিতে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার মুলতবি  প্রস্তাব

জুলাই সংস্কারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও গণভোটে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোটার জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই সনদে দ্বিকক্ষীয় সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দশ বছর নির্ধারণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতসহ ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব ছিল। বিরোধীদলীয় নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সংসদের মধ্যে এই সংকট সমাধান না হলে তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গণভোটের জনরায় ও সাংবিধানিক পদ্ধতির মধ্যে এই দ্বন্দ্ব সমাধান না হলে বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক সংকটের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।