০৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে নয়, আসছে কঠোর নীতিমালা

রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি জেল আপিলে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যে দাবি করেছেন, চরম আর্থিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকাসক্তির কারণে তিনি এই ভয়াবহ অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। একই সঙ্গে পরিবারের ভবিষ্যৎ, বিশেষ করে তার একমাত্র সন্তানের কথা বিবেচনা করে আদালতের কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন।

আদালতে আসামির বক্তব্য

রোববার হাইকোর্ট বেঞ্চে জেল আপিলের শুনানিতে সোহেল রানা নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি জানান, পেশায় অটোরিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাদকাসক্তির কারণে পরিবারে নিয়মিত কলহ ও অশান্তি লেগে থাকত।

তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল না। নিজের আর্থিক দুরবস্থা এবং ব্যক্তিগত জীবনের সংকটের কথাও আদালতের সামনে তুলে ধরেন।

মাদকাসক্ত অবস্থার দাবি

জবানবন্দিতে সোহেল রানা বলেন, ঘটনার সময় তিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। তার দাবি, আর্থিক অনটন, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকের প্রভাবে তিনি স্বাভাবিক মানসিক অবস্থায় ছিলেন না। এ কারণেই ঘটনাটি ঘটে যায় এবং পরে কীভাবে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তা তিনি বুঝতে পারেননি বলে আদালতকে জানান।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার পরিবারের দেখভাল এবং একমাত্র সন্তানের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়ার মতো আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি আদালতের কাছে দয়া প্রার্থনা করেছেন।

স্ত্রীর খালাসের আবেদন

এদিকে একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি এবং সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। জেল আপিলে তিনি মামলার দায় থেকে অব্যাহতি ও খালাস প্রার্থনা করেছেন।

আদালতের কার্যক্রম

গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই আসামি হাইকোর্টে জেল আপিল করেন। রোববার হাইকোর্ট তাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এগিয়ে যাবে।

রামিসা হত্যা মামলা
রামিসা হত্যা মামলায় জেল আপিলে অপরাধ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। হাইকোর্ট শুনানির জন্য আপিল গ্রহণ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

০৯:১২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি জেল আপিলে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যে দাবি করেছেন, চরম আর্থিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকাসক্তির কারণে তিনি এই ভয়াবহ অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। একই সঙ্গে পরিবারের ভবিষ্যৎ, বিশেষ করে তার একমাত্র সন্তানের কথা বিবেচনা করে আদালতের কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন।

আদালতে আসামির বক্তব্য

রোববার হাইকোর্ট বেঞ্চে জেল আপিলের শুনানিতে সোহেল রানা নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি জানান, পেশায় অটোরিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাদকাসক্তির কারণে পরিবারে নিয়মিত কলহ ও অশান্তি লেগে থাকত।

তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল না। নিজের আর্থিক দুরবস্থা এবং ব্যক্তিগত জীবনের সংকটের কথাও আদালতের সামনে তুলে ধরেন।

মাদকাসক্ত অবস্থার দাবি

জবানবন্দিতে সোহেল রানা বলেন, ঘটনার সময় তিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। তার দাবি, আর্থিক অনটন, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকের প্রভাবে তিনি স্বাভাবিক মানসিক অবস্থায় ছিলেন না। এ কারণেই ঘটনাটি ঘটে যায় এবং পরে কীভাবে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তা তিনি বুঝতে পারেননি বলে আদালতকে জানান।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার পরিবারের দেখভাল এবং একমাত্র সন্তানের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়ার মতো আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি আদালতের কাছে দয়া প্রার্থনা করেছেন।

স্ত্রীর খালাসের আবেদন

এদিকে একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি এবং সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। জেল আপিলে তিনি মামলার দায় থেকে অব্যাহতি ও খালাস প্রার্থনা করেছেন।

আদালতের কার্যক্রম

গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই আসামি হাইকোর্টে জেল আপিল করেন। রোববার হাইকোর্ট তাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এগিয়ে যাবে।

রামিসা হত্যা মামলা
রামিসা হত্যা মামলায় জেল আপিলে অপরাধ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। হাইকোর্ট শুনানির জন্য আপিল গ্রহণ করেছে।