০৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেপাল থেকে ডিখৌ: ভয়াবহ বন্যার পেছনে জলবায়ু ও ভূতত্ত্বের অশনি সংকেত চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ মহেশখালীতে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, একাই ছিলেন বাড়িতে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসী নিহত কাঁঠাল পাতার বোঝা কাঁধে হালিমা, দিনে ৩০০ টাকায় চলে একার সংসার ১০ জেলায় বেশি হাম, টিকাদান কর্মসূচি নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা অর্ধেক কমাল সরকার সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত ৭৩, নারী ও শিশুও রয়েছে ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার অভিযোগ, লিখিত অভিযোগ পুলিশের কাছে আগামী ৫ দিনে বাড়তে পারে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

খোলা তেলের দামে আগুন, এক সপ্তাহেই লিটারে ১০ টাকা বৃদ্ধি—চাপে সাধারণ মানুষ

দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যার বড় ধাক্কা লেগেছে ভোজ্যতেলের দামে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম লিটারে প্রায় ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এতে চাপে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

যুদ্ধের প্রভাব, বাজারে অস্থিরতা

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতের প্রভাব ধীরে ধীরে দেশের বাজারে দৃশ্যমান হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরবরাহ সংকটের অভিযোগ। ফলে পাইকারি থেকে খুচরা—সব পর্যায়েই তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে।

ঈদের আগ থেকেই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার প্রবণতা থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তা আরও তীব্র হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি সংকট ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

খোলা তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, লিটারে বেড়েছে ১০ টাকা

বাজারে নতুন দামের চিত্র

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খোলা সয়াবিন তেল এখন লিটারপ্রতি ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকার মধ্যে। একইভাবে খোলা পাম তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা।

সরবরাহ সংকটের অভিযোগ

খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে তারা বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অন্যদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, মিলগেট থেকেই সরবরাহ কমে গেছে। এতে বাজারে কৃত্রিম চাপ তৈরি হয়েছে।

আমদানিকারক পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের সঙ্গে দেশের বাজারের সমন্বয় হয়নি। এর ওপর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটে উৎপাদনেও প্রভাব পড়ছে, পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ঘােষণা ছাড়াই বাড়ল খােলা তেলের দাম

ক্ষোভে ফুঁসছেন ভোক্তারা

দাম বৃদ্ধিতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই বলছেন, আয় স্থির থাকলেও খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে, যা সংসার চালানোকে কঠিন করে তুলছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এমন দাম বৃদ্ধি তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত ও উদ্বেগজনক।

ঘোষিত দামের চেয়েও বেশি বিক্রি

সর্বশেষ নির্ধারিত দামের তুলনায় বর্তমানে বাজারে খোলা সয়াবিন ও পাম তেল ২০ থেকে ২৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপাল থেকে ডিখৌ: ভয়াবহ বন্যার পেছনে জলবায়ু ও ভূতত্ত্বের অশনি সংকেত

খোলা তেলের দামে আগুন, এক সপ্তাহেই লিটারে ১০ টাকা বৃদ্ধি—চাপে সাধারণ মানুষ

১০:৪৬:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যার বড় ধাক্কা লেগেছে ভোজ্যতেলের দামে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম লিটারে প্রায় ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এতে চাপে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

যুদ্ধের প্রভাব, বাজারে অস্থিরতা

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতের প্রভাব ধীরে ধীরে দেশের বাজারে দৃশ্যমান হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরবরাহ সংকটের অভিযোগ। ফলে পাইকারি থেকে খুচরা—সব পর্যায়েই তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে।

ঈদের আগ থেকেই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার প্রবণতা থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তা আরও তীব্র হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি সংকট ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

খোলা তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, লিটারে বেড়েছে ১০ টাকা

বাজারে নতুন দামের চিত্র

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খোলা সয়াবিন তেল এখন লিটারপ্রতি ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকার মধ্যে। একইভাবে খোলা পাম তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা।

সরবরাহ সংকটের অভিযোগ

খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে তারা বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অন্যদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, মিলগেট থেকেই সরবরাহ কমে গেছে। এতে বাজারে কৃত্রিম চাপ তৈরি হয়েছে।

আমদানিকারক পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের সঙ্গে দেশের বাজারের সমন্বয় হয়নি। এর ওপর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটে উৎপাদনেও প্রভাব পড়ছে, পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ঘােষণা ছাড়াই বাড়ল খােলা তেলের দাম

ক্ষোভে ফুঁসছেন ভোক্তারা

দাম বৃদ্ধিতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই বলছেন, আয় স্থির থাকলেও খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে, যা সংসার চালানোকে কঠিন করে তুলছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এমন দাম বৃদ্ধি তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত ও উদ্বেগজনক।

ঘোষিত দামের চেয়েও বেশি বিক্রি

সর্বশেষ নির্ধারিত দামের তুলনায় বর্তমানে বাজারে খোলা সয়াবিন ও পাম তেল ২০ থেকে ২৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।