১১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর ব্রিটেনে ছুরি হামলার পর উত্তেজনা, উসকে দিচ্ছে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতি ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ৭২ ঘণ্টায় নিহত ২১ জঙ্গি, মোট নিহত ৪৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন লিসা, কেপপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ? গুগলের নতুন এআই চিপে স্যামসাং? ‘আইসফিশ’ প্রকল্পে বড় চুক্তির আলোচনায় দুই প্রযুক্তি জায়ান্ট ইরান যুদ্ধের পর বদলে যাওয়া বাস্তবতা: চুক্তির দ্বারপ্রান্তে থেকেও কেন কঠিন অবস্থানে তেহরান পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি বিতর্ক: অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশি অভিযানে মমতার অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

প্রণালী না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যদি ইরান গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীটি পুনরায় খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দিতে পারে।

Trump Issues Threat if Strait of Hormuz is Not Opened by Monday

হুমকির ভাষা আরও কঠোর

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, প্রথমে সেতু, তারপর বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নতুন নেতৃত্বের উচিত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। তার ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে কী করতে হবে তা নেতৃত্ব জানে এবং তা দ্রুতই করতে হবে।

সংকটের প্রেক্ষাপট

এই হুমকি এমন সময় এসেছে, যখন ইরান গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করেছে। এতে বৈশ্বিক উদ্বেগ বাড়ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী: ইরান এই রুট বন্ধ করলে বিশ্ব অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে? - BBC News বাংলা

ট্রাম্পের এই বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং সামরিক চাপ তৈরির একটি কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ইঙ্গিত দেয় যে, পরিস্থিতি আরও জটিল ও সংঘাতপূর্ণ দিকে যেতে পারে।

পরিস্থিতি এখন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর।

Trump threatens to ‘blow up’ desalination plants in Iran if no deal reached

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর

প্রণালী না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

১১:৫৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যদি ইরান গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীটি পুনরায় খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দিতে পারে।

Trump Issues Threat if Strait of Hormuz is Not Opened by Monday

হুমকির ভাষা আরও কঠোর

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, প্রথমে সেতু, তারপর বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নতুন নেতৃত্বের উচিত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। তার ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে কী করতে হবে তা নেতৃত্ব জানে এবং তা দ্রুতই করতে হবে।

সংকটের প্রেক্ষাপট

এই হুমকি এমন সময় এসেছে, যখন ইরান গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করেছে। এতে বৈশ্বিক উদ্বেগ বাড়ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী: ইরান এই রুট বন্ধ করলে বিশ্ব অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে? - BBC News বাংলা

ট্রাম্পের এই বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং সামরিক চাপ তৈরির একটি কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ইঙ্গিত দেয় যে, পরিস্থিতি আরও জটিল ও সংঘাতপূর্ণ দিকে যেতে পারে।

পরিস্থিতি এখন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর।

Trump threatens to ‘blow up’ desalination plants in Iran if no deal reached