জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে মো. নকিবুর রহমান বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপোলোর কাছে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের আগের মন্তব্য প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশ করেন।
আগের বক্তব্য নিয়ে অনুতাপ
নকিবুর রহমান জানান, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি একটি সরাসরি সম্প্রচারিত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে জামায়াতের আমিরের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপোলোর নাম উল্লেখ করেন এবং তাকে ‘সাইবার সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যা দেন।
তবে পরবর্তী সময়ে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে তিনি উপলব্ধি করেন যে, ওই মন্তব্য যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া করা হয়েছিল। তার দাবি, এমন বক্তব্য দেওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য ও ভিত্তি ছিল না।
বক্তব্য প্রত্যাহারের ঘোষণা

পোস্টে নকিবুর রহমান বলেন, তিনি অ্যাপোলোকে ‘সাইবার সন্ত্রাসী’ বলে উল্লেখ করায় দুঃখিত এবং তাকে এ ধরনের ব্যক্তি হিসেবে বিশ্বাস করার কোনো কারণ তার কাছে নেই। তিনি স্বীকার করেন, ব্যবহৃত ভাষা ও মন্তব্য অনুপযুক্ত ছিল এবং এ বিষয়ে তিনি আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত।
তিনি আরও জানান, বিতর্কিত ভিডিওটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্যের কারণে যদি কোনো বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি বা ক্ষতির সৃষ্টি হয়ে থাকে, সেজন্য তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার অঙ্গীকার
নকিবুর রহমান বলেন, এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান অ্যাপোলোর প্রতি তার কোনো ব্যক্তিগত বিদ্বেষ নেই। তিনি প্রবাসী কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করেন।
পোস্টের শেষাংশে তিনি তার পূর্ববর্তী সব বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নেন। একই সঙ্গে স্বীকার করেন যে, তিনি ভুলভাবে অ্যাপোলোর নাম উল্লেখ করেছিলেন। এ ঘটনায় সৃষ্ট সম্ভাব্য ক্ষতির জন্য তিনি নিঃশর্ত ও আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
নকিবুর রহমানের এই প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















