সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে লক্ষ্য করে আলাদা কোনো তদন্ত করার পরিকল্পনা নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের। তবে চলমান বা আগের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক তদন্তে তার সঙ্গে আর্থিক অনিয়মের যোগসূত্র বা সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক তদন্ত

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এ কারণে তাকে আলাদাভাবে লক্ষ্য করে নতুন কোনো তদন্তের বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনায় নেই।
তিনি জানান, দেশের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত তদন্ত ও পর্যালোচনা চলছে। এসব কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়, বরং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও তাদের কার্যক্রম।
অনিয়মের প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা
আরিফ হোসেন খান বলেন, চলমান বা অতীত কোনো প্রাতিষ্ঠানিক তদন্তে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অনিয়ম কিংবা সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিদ্যমান আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অর্থাৎ, কোনো তদন্তে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে সেটিও আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবে না। তবে শুধু তাকে কেন্দ্র করে আলাদা তদন্ত করার কোনো সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নেই।
শুক্রবার পদত্যাগ, রোববার বঙ্গভবন ছাড়েন
মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর দুই দিন পর রোববার তিনি বঙ্গভবন ছেড়ে ঢাকার গুলশানে নিজের বাসায় চলে যান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে। এসব তদন্তে কোনো অনিয়মের তথ্য বা প্রমাণ সামনে এলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















