০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর ব্রিটেনে ছুরি হামলার পর উত্তেজনা, উসকে দিচ্ছে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতি ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ৭২ ঘণ্টায় নিহত ২১ জঙ্গি, মোট নিহত ৪৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন লিসা, কেপপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ? গুগলের নতুন এআই চিপে স্যামসাং? ‘আইসফিশ’ প্রকল্পে বড় চুক্তির আলোচনায় দুই প্রযুক্তি জায়ান্ট ইরান যুদ্ধের পর বদলে যাওয়া বাস্তবতা: চুক্তির দ্বারপ্রান্তে থেকেও কেন কঠিন অবস্থানে তেহরান পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি বিতর্ক: অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশি অভিযানে মমতার অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত মিউনিসিপ্যাল নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী মদন মিত্রকে ঘিরে সাতটি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাটি।

ইডির অভিযান

শনিবার পরিচালিত এই অভিযানে মদন মিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মিউনিসিপ্যাল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন পৌরসভায় চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব ঘুষ নগদ অর্থ ও স্বর্ণের আকারে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রে নিয়োগ প্রক্রিয়া

ইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে, কামারহাটি পৌরসভাসহ বিভিন্ন পৌর প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, বরং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার একটি ব্যবস্থা সেখানে কার্যকর ছিল।

তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মদন মিত্রের নাম এই নিয়োগ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, তাঁর সঙ্গে ১২৫টিরও বেশি কথিত অবৈধ নিয়োগের যোগসূত্র পাওয়া গেছে।

তদন্ত চলমান

এখনও পর্যন্ত এই মামলায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইডির তল্লাশি অভিযান থেকে কী ধরনের নথি বা প্রমাণ উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়েও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

তবে তদন্তকারীরা বলছেন, অভিযানে সংগ্রহ করা তথ্য ও নথিপত্র বিশ্লেষণের পর মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের এই আলোচিত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিধানসভায় প্রতিনিধিত্বকারী একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর।

পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি, তদন্তে ১২৫টিরও বেশি কথিত অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ মানার আহ্বান, জয়শঙ্করকে কড়া বার্তা রুবিওর

পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

০৮:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত মিউনিসিপ্যাল নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী মদন মিত্রকে ঘিরে সাতটি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাটি।

ইডির অভিযান

শনিবার পরিচালিত এই অভিযানে মদন মিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মিউনিসিপ্যাল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন পৌরসভায় চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব ঘুষ নগদ অর্থ ও স্বর্ণের আকারে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রে নিয়োগ প্রক্রিয়া

ইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে, কামারহাটি পৌরসভাসহ বিভিন্ন পৌর প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, বরং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার একটি ব্যবস্থা সেখানে কার্যকর ছিল।

তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মদন মিত্রের নাম এই নিয়োগ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, তাঁর সঙ্গে ১২৫টিরও বেশি কথিত অবৈধ নিয়োগের যোগসূত্র পাওয়া গেছে।

তদন্ত চলমান

এখনও পর্যন্ত এই মামলায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইডির তল্লাশি অভিযান থেকে কী ধরনের নথি বা প্রমাণ উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়েও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

তবে তদন্তকারীরা বলছেন, অভিযানে সংগ্রহ করা তথ্য ও নথিপত্র বিশ্লেষণের পর মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের এই আলোচিত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিধানসভায় প্রতিনিধিত্বকারী একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর।

পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি, তদন্তে ১২৫টিরও বেশি কথিত অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ উঠে এসেছে।