ইরান যুদ্ধের জ্বালানি সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। মার্চ মাসে প্রবাসী আয় দেশের ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৪.৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে প্রবাসীরা ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৩.৩০ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরে প্রবাসী আয় প্রায় ১৪ শতাংশ বেড়েছে।

রিজার্ভে স্থিতিশীলতা
আইএমএফের BPM6 পদ্ধতিতে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ২৯.৬১ বিলিয়ন ডলার, আর মোট রিজার্ভ ৩৪.৪৩ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোয় উৎসাহ দেওয়া, হুন্ডি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবাহ রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে।

অর্থনীতিবিদদের মন্তব্য
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যদি রেমিট্যান্সের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে আমদানি ব্যয় মেটাতে এবং রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে বড় ভূমিকা পালন করবে। বিশেষত ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি আমদানিতে যে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে, তা সামলাতে এই রেমিট্যান্স প্রবাহ জরুরি।
সংকটের মধ্যেও সুখবর। মার্চে রেমিট্যান্স ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার, ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ। রিজার্ভও ৩৪ বিলিয়নের উপরে।
#রেমিট্যান্স #বৈদেশিকমুদ্রা #অর্থনীতি #Sarakhon #সারাক্ষণ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















