ইরানের আক্রমণের নতুন কৌশল
ইরান এখন আর শুধু সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করছে না। উপসাগরীয় দেশগুলোতে আমেরিকান ও ইসরায়েলি স্বার্থের সঙ্গে সংযুক্ত শিল্প ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলা শুরু করেছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) দাবি, তারা আবুধাবিতে আমেরিকান ইস্পাত শিল্প, বাহরাইনে আমেরিকান অ্যালুমিনিয়াম শিল্প এবং ইসরায়েলের রাফায়েল অস্ত্র কারখানায় আঘাত হেনেছে।
আবুধাবি ও বাহরাইনের পাল্টা প্রতিক্রিয়া
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ইরানের ৪৭৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২৩টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ২ হাজার ৮৫টি ড্রোন মোকাবিলা করা হয়েছে। বাহরাইনের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ১৮৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ৪৪৫টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের আহ্বান
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইউই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে ইরানের হামলা বন্ধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সব আলোচনায় উপসাগরীয় দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের প্রবাসীরা যে দেশগুলোয় আছেন
ইউএই, বাহরাইন ও কুয়েতে বাংলাদেশের বিশাল সংখ্যক শ্রমিক কর্মরত। এই দেশগুলোতে ইরানের হামলা সরাসরি সেই মানুষগুলোর জীবনকে বিপন্ন করছে। ঢাকায় পরিবারগুলো প্রতিদিন উদ্বেগ নিয়ে খবর দেখছেন।
যুদ্ধ এখন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়েছে
ইরান ইরাক, জর্ডান, সৌদি আরব, ওমান ও তুরস্কের আমেরিকান ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে। ন্যাটো বাহিনী তুরস্কের ইনজিরলিক বিমান ঘাঁটির কাছে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















