০৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার আহ্বান জামায়াতের শি জিনপিংয়ের কড়া বার্তা, তিয়েনআনমেন দমনকে প্রকাশ্যে সমর্থন পুরোনো বইয়ের হঠাৎ চাহিদা কেন বাড়ছে, এর পেছনে কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা? তরুণদের উন্মাদনায় দ্য গলকে ঘিরে ফ্রান্সে সিনেমার বিস্ময়কর সাফল্য মেটার বিরুদ্ধে মামলায় হারলে বদলে যেতে পারে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের চেহারা ভারতে বিনামূল্যের ডিজিটাল লেনদেনে আসছে খরচ, বদলে যেতে পারে ইউপিআইয়ের সাফল্যের গল্প আইফোনের পর্দায় নাচতে থাকা বিন্দুই হতে পারে গাড়িতে বমিভাবের সমাধান বেইজিংয়ের এআই বারে পিন্টের সঙ্গে মিলছে ডিপসিকের টোকেন হারিয়ে যাওয়া ইনকা নগরীর খোঁজে ‘আসল ইন্ডিয়ানা জোন্স’, ৫৩ বছর পর মিলল সত্যের সন্ধান চীন-যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুদ্ধে মিত্রদের ‘পক্ষ বেছে নিতে’ বলবে ওয়াশিংটন

৫০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু: টিকা সংকট ও রাষ্ট্রীয় অবহেলায় বাংলাদেশে হাম মহামারি

প্রতিরোধযোগ্য রোগে মৃত্যুর মিছিল

বাংলাদেশ একসময় সফলভাবে হাম নিয়ন্ত্রণে এনেছিল। সেই রোগই এখন আবার শিশুদের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাম ও এর জটিলতায় ৫০-এরও বেশি শিশু মারা গেছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে রাষ্ট্রীয় অবহেলা এবং টিকা কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের ঘাটতি।

কীভাবে এই সংকট তৈরি হলো

দ্য ডেইলি স্টারসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩ সাল থেকে দেশে শিশু টিকার হার কমতে শুরু করেছিল। ২০২৪ সালের জুনে নির্ধারিত বিশেষ হাম-রুবেলা প্রচারণা রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে স্থগিত হয়। এরপর ওষুধ ও টিকা সংগ্রহে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তোলে। কেন্দ্রীয় টিকা মজুত প্রায় শেষ হয়ে যায় এবং সিরিঞ্জ সংকটের কারণে প্রচারণাও বারবার আটকে যায়।

টিকা ঘাটতি ও অনীহায় বাড়ছে হাম, দেশে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু

শিশুরা কোথায় মারা যাচ্ছে

ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চলতি মাসেই ২১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে মারা গেছে ৬ জন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪ জন। রাজশাহী, পাবনা ও নাটোরেও মৃত্যুর খবর এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে, তাদের মধ্যে মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেশি।

৫ বছরেও হয়নি ক্যাম্পেইন; হামের ঝুঁকিতে হাজারো শিশু

এখন কী হচ্ছে

সরকার ৫ এপ্রিল থেকে জরুরি টিকা প্রচারণা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ঘোষণাই যথেষ্ট নয়। ঘরে ঘরে গিয়ে টিকা দেওয়া, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং হাসপাতালে আইসিইউ সক্ষমতা বাড়ানো এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ৬ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সব শিশুকে দ্রুততার সঙ্গে টিকার আওতায় আনতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার আহ্বান জামায়াতের

৫০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু: টিকা সংকট ও রাষ্ট্রীয় অবহেলায় বাংলাদেশে হাম মহামারি

০৬:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রতিরোধযোগ্য রোগে মৃত্যুর মিছিল

বাংলাদেশ একসময় সফলভাবে হাম নিয়ন্ত্রণে এনেছিল। সেই রোগই এখন আবার শিশুদের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাম ও এর জটিলতায় ৫০-এরও বেশি শিশু মারা গেছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে রাষ্ট্রীয় অবহেলা এবং টিকা কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের ঘাটতি।

কীভাবে এই সংকট তৈরি হলো

দ্য ডেইলি স্টারসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩ সাল থেকে দেশে শিশু টিকার হার কমতে শুরু করেছিল। ২০২৪ সালের জুনে নির্ধারিত বিশেষ হাম-রুবেলা প্রচারণা রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে স্থগিত হয়। এরপর ওষুধ ও টিকা সংগ্রহে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তোলে। কেন্দ্রীয় টিকা মজুত প্রায় শেষ হয়ে যায় এবং সিরিঞ্জ সংকটের কারণে প্রচারণাও বারবার আটকে যায়।

টিকা ঘাটতি ও অনীহায় বাড়ছে হাম, দেশে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু

শিশুরা কোথায় মারা যাচ্ছে

ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চলতি মাসেই ২১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে মারা গেছে ৬ জন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪ জন। রাজশাহী, পাবনা ও নাটোরেও মৃত্যুর খবর এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে, তাদের মধ্যে মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেশি।

৫ বছরেও হয়নি ক্যাম্পেইন; হামের ঝুঁকিতে হাজারো শিশু

এখন কী হচ্ছে

সরকার ৫ এপ্রিল থেকে জরুরি টিকা প্রচারণা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ঘোষণাই যথেষ্ট নয়। ঘরে ঘরে গিয়ে টিকা দেওয়া, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং হাসপাতালে আইসিইউ সক্ষমতা বাড়ানো এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ৬ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সব শিশুকে দ্রুততার সঙ্গে টিকার আওতায় আনতে হবে।