ভোটের আগেই বাধা
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে বাহরাইনের উদ্যোগে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উঠেছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সদস্য দেশগুলো প্রণালিতে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সমস্ত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারবে। কিন্তু চীন ও রাশিয়া এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। চীনের জাতিসংঘ দূত ফু কং বলেছেন, এই প্রস্তাব পাস হলে অবৈধ ও নির্বিচার সামরিক শক্তির ব্যবহারকে বৈধতা দেওয়া হবে এবং পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে উঠবে।
৪০টি দেশের বৈঠক, যুক্তরাষ্ট্র অনুপস্থিত
যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে প্রায় ৪০টি দেশ হরমুজ পুনরায় খোলার কৌশল নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছে। এই বৈঠকে সামরিক পরিকল্পনাকারীরাও ছিলেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠকে অংশ নেয়নি। ট্রাম্প আগেই বলেছিলেন, মিত্র দেশগুলোকেই নিজেদের উদ্যোগে প্রণালি খুলতে হবে।
২০ হাজার নাবিক আটকে আছেন
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থা আইএমও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রায় ২০ হাজার নাবিক ও হাজার হাজার জাহাজ আটকে আছে। এদের মুক্ত করতে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই মানুষগুলোকে মুক্ত করতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

ফিলিপাইন পেল নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা
ইরান ফিলিপাইনকে হরমুজে নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা দিয়েছে। ফিলিপাইন জানিয়েছে, তাদের পতাকাবাহী জাহাজ, জ্বালানি পণ্য ও নাবিকদের বাধামুক্ত চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একটি ফরাসি পণ্যবাহী জাহাজও শুক্রবার প্রণালি পার হয়েছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশও একই ধরনের সুরক্ষা চাইতে পারে কিনা সেই প্রশ্ন এখন কূটনৈতিক মহলে আলোচিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের কী করণীয়
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশকে এখনই ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ করে নিজেদের জাহাজ ও পণ্যের জন্য নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা চাওয়া উচিত। ফিলিপাইনের মতো একটি সমঝোতা করতে পারলে জ্বালানি আমদানি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















