চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমেছে। একক মূল্য ও রপ্তানি পরিমাণ উভয়ই হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে মার্কিন পোশাক আমদানি বাজারে সামগ্রিক সংকোচন সত্ত্বেও ভিয়েতনাম ও ক্যাম্বোডিয়ার মতো প্রতিযোগী দেশগুলো তাদের বাজার অংশ বাড়িয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে ২ হাজার ৫৭৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

উচ্চমূল্যের পণ্যে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনও কম মুনাফার পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগাতে উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদনে মনোযোগ দিতে হবে এবং উৎপাদন দক্ষতা বাড়াতে হবে। জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া এই পতনের অন্যতম কারণ। পাশাপাশি বৈশ্বিক ক্রেতাদের মধ্যে সরবরাহ বৈচিত্র্যকরণের প্রবণতা বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তবে বাংলাদেশ এখনও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ এবং এই খাত দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি যোগান দেয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















