সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন শুরুর সময় তেলের দাম এবং শেয়ারবাজারে সামান্য ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। বিনিয়োগকারীরা একদিকে সম্ভাব্য আলোচনার ইঙ্গিত পাচ্ছেন, অন্যদিকে ইরানকে ঘিরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া বক্তব্য পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। ফলে বাজারে তৈরি হয়েছে এক ধরনের দ্বিধা ও অনিশ্চয়তা।
শেয়ারবাজারের প্রাথমিক চিত্র
নিউইয়র্কে বাজার খোলার পর এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক সামান্য ০.১ শতাংশ বেড়েছে। এই অল্প বৃদ্ধি ইঙ্গিত দেয় যে বিনিয়োগকারীরা এখনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন এবং বড় কোনো ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নন। বাজারে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় সংকেতই কাজ করছে, যার কারণে সূচকের গতি সীমিত রয়েছে।
তেলের দামে সামান্য পরিবর্তন
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দামও প্রায় ০.১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১০৯ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে। তেলের দামে এই সামান্য বৃদ্ধি দেখায় যে সরবরাহ ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।

বিনিয়োগকারীদের দ্বিধা
বাজারে মূলত দুটি বিপরীতধর্মী প্রভাব কাজ করছে। একদিকে ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য আলোচনার খবর বিনিয়োগকারীদের কিছুটা আশাবাদী করছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক বক্তব্য ও উত্তেজনামূলক অবস্থান সেই আশাকে সীমিত করে দিচ্ছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা এখন অপেক্ষা করছেন পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় তা দেখার জন্য।
সব মিলিয়ে বলা যায়, বৈশ্বিক বাজার বর্তমানে এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের মধ্যে রয়েছে। কূটনৈতিক অগ্রগতি হলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে, তবে উত্তেজনা বাড়লে তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















