১১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: শান্তি আলোচনা নাকি কঠোর অভিযান, সিদ্ধান্ত ভোটারদের হাতে এনবিএ ফাইনালের কোর্টে ফিরছে ঐতিহ্যের ছোঁয়া, আবারও দেখা যাবে ট্রফির লোগো ঢাকার বাতাসে স্বস্তি, দূষিত শহরের তালিকায় ২০তম অবস্থানে রাজধানী ইউফোরিয়ার সমাপ্তিতে রুয়ের মৃত্যু, আবেগঘন পরিণতিতে শেষ হলো জনপ্রিয় সিরিজ চীন-জাপান-ফিলিপাইন উত্তেজনা: তাইওয়ানের পূর্বে সমুদ্র টহল বাড়াল বেইজিং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমআইএস অফিসার নিয়োগ, ২২ বছর বয়স হলেই আবেদন স্টার ওয়ার্সের নেপথ্যের নায়িকা মার্সিয়া লুকাস আর নেই কোহলির ঝড়ে টানা দ্বিতীয় আইপিএল শিরোপা বেঙ্গালুরুর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ, তবে বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন ঈদ শেষে ঢাকামুখী যাত্রা স্বস্তির, এখনও দেখা যায়নি বড় চাপ

ঈদ শেষে ঢাকামুখী যাত্রা স্বস্তির, এখনও দেখা যায়নি বড় চাপ

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফেরার যাত্রা এখনো স্বস্তিদায়ক রয়েছে। সরকারি অফিস আজ থেকে খুলে গেলেও রাজধানীর প্রধান প্রবেশপথগুলোতে গতকাল তেমন কোনো অতিরিক্ত ভিড় বা যানজট দেখা যায়নি। বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে ফেরা যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল মাঝারি পর্যায়ে, ফলে যাত্রাও ছিল তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্ন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও কমলাপুর এলাকায় দিনজুড়ে বিভিন্ন জেলা থেকে ফেরা যাত্রীদের দেখা গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই ছিল। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী কয়েক দিনে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করলে যাত্রীচাপ আরও বাড়তে পারে।

ঈদ শেষে স্বস্তি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

বেশিরভাগ যাত্রাই ছিল ঝামেলামুক্ত

ঈদের ছুটি কাটিয়ে ফেরা অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, এবার তাদের যাত্রা তুলনামূলকভাবে স্বস্তির ছিল। কেউ দীর্ঘ যানজটে পড়েননি, আবার অনেকেই নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন।

উত্তরের একটি জেলা থেকে ঢাকায় ফেরা এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী জানান, ছুটির আগে ঢাকা ছাড়তে যেখানে ১৩ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল, সেখানে ফেরার পথে সময় লেগেছে প্রায় অর্ধেক। তিনি আরও জানান, ঈদের আগে অনেক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হলেও ফেরার সময় ভাড়া ছিল স্বাভাবিক।

কুমিল্লা, বাগেরহাট ও অন্যান্য জেলা থেকে ফেরা যাত্রীরাও যাত্রাপথকে মোটামুটি স্বস্তিদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও কয়েকটি টোল প্লাজা ও রাজধানীর প্রবেশমুখে সাময়িক ধীরগতির যান চলাচল দেখা গেছে।

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষ, নেই ভিড়

কিছু এলাকায় ছিল সামান্য বিলম্ব

সব যাত্রাই অবশ্য পুরোপুরি নির্বিঘ্ন ছিল না। কয়েকজন যাত্রী জানান, পথে বাসের অতিরিক্ত যাত্রী তোলা বা নির্দিষ্ট কিছু প্রবেশপথে যানবাহনের চাপের কারণে কিছুটা সময় নষ্ট হয়েছে। তবে এসব বিলম্ব দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি করেনি।

সাতক্ষীরা থেকে ফেরা এক যাত্রী জানান, তার বাসটি মহাসড়কে বারবার থামায় গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা বেশি সময় লেগেছে।

কমলাপুরেও নিয়ন্ত্রিত ছিল ভিড়

কমলাপুর রেলস্টেশনেও যাত্রীচাপ ছিল নিয়ন্ত্রিত। যদিও কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা দেরিতে পৌঁছায়, তবু ঈদের আগের তুলনায় ভিড় অনেক কম ছিল।

Banglabazarpatrika: বাংলাবাজার পত্রিকা News, Sports, Entertainment, Opinion  & More

রাজশাহী থেকে ফেরা এক শিক্ষার্থী জানান, ঢাকা ছাড়ার সময় ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। কিন্তু ফেরার পথে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল এবং যাত্রা আরামদায়ক হয়েছে।

রাজধানীতে ধীরে ধীরে বাড়ছে যানবাহন

ঈদের ছুটির পর রাজধানীর সড়কগুলোতে ধীরে ধীরে যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি বেড়েছে, তবে নগর পরিবহনের সংখ্যা এখনো তুলনামূলক কম। কারণ ঈদের সময় অনেক বাস জেলার রুটে চলাচল করেছে।

তবে রাজধানীর কোথাও দীর্ঘ যানজট বা অতিরিক্ত চাপের চিত্র দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী কয়েক দিন যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে। তবে কর্মজীবী মানুষ ও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের বড় অংশ ফিরে এলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: শান্তি আলোচনা নাকি কঠোর অভিযান, সিদ্ধান্ত ভোটারদের হাতে

ঈদ শেষে ঢাকামুখী যাত্রা স্বস্তির, এখনও দেখা যায়নি বড় চাপ

০৯:৫১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফেরার যাত্রা এখনো স্বস্তিদায়ক রয়েছে। সরকারি অফিস আজ থেকে খুলে গেলেও রাজধানীর প্রধান প্রবেশপথগুলোতে গতকাল তেমন কোনো অতিরিক্ত ভিড় বা যানজট দেখা যায়নি। বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে ফেরা যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল মাঝারি পর্যায়ে, ফলে যাত্রাও ছিল তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্ন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও কমলাপুর এলাকায় দিনজুড়ে বিভিন্ন জেলা থেকে ফেরা যাত্রীদের দেখা গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই ছিল। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী কয়েক দিনে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করলে যাত্রীচাপ আরও বাড়তে পারে।

ঈদ শেষে স্বস্তি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

বেশিরভাগ যাত্রাই ছিল ঝামেলামুক্ত

ঈদের ছুটি কাটিয়ে ফেরা অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, এবার তাদের যাত্রা তুলনামূলকভাবে স্বস্তির ছিল। কেউ দীর্ঘ যানজটে পড়েননি, আবার অনেকেই নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন।

উত্তরের একটি জেলা থেকে ঢাকায় ফেরা এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী জানান, ছুটির আগে ঢাকা ছাড়তে যেখানে ১৩ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল, সেখানে ফেরার পথে সময় লেগেছে প্রায় অর্ধেক। তিনি আরও জানান, ঈদের আগে অনেক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হলেও ফেরার সময় ভাড়া ছিল স্বাভাবিক।

কুমিল্লা, বাগেরহাট ও অন্যান্য জেলা থেকে ফেরা যাত্রীরাও যাত্রাপথকে মোটামুটি স্বস্তিদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও কয়েকটি টোল প্লাজা ও রাজধানীর প্রবেশমুখে সাময়িক ধীরগতির যান চলাচল দেখা গেছে।

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষ, নেই ভিড়

কিছু এলাকায় ছিল সামান্য বিলম্ব

সব যাত্রাই অবশ্য পুরোপুরি নির্বিঘ্ন ছিল না। কয়েকজন যাত্রী জানান, পথে বাসের অতিরিক্ত যাত্রী তোলা বা নির্দিষ্ট কিছু প্রবেশপথে যানবাহনের চাপের কারণে কিছুটা সময় নষ্ট হয়েছে। তবে এসব বিলম্ব দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি করেনি।

সাতক্ষীরা থেকে ফেরা এক যাত্রী জানান, তার বাসটি মহাসড়কে বারবার থামায় গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা বেশি সময় লেগেছে।

কমলাপুরেও নিয়ন্ত্রিত ছিল ভিড়

কমলাপুর রেলস্টেশনেও যাত্রীচাপ ছিল নিয়ন্ত্রিত। যদিও কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা দেরিতে পৌঁছায়, তবু ঈদের আগের তুলনায় ভিড় অনেক কম ছিল।

Banglabazarpatrika: বাংলাবাজার পত্রিকা News, Sports, Entertainment, Opinion  & More

রাজশাহী থেকে ফেরা এক শিক্ষার্থী জানান, ঢাকা ছাড়ার সময় ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। কিন্তু ফেরার পথে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল এবং যাত্রা আরামদায়ক হয়েছে।

রাজধানীতে ধীরে ধীরে বাড়ছে যানবাহন

ঈদের ছুটির পর রাজধানীর সড়কগুলোতে ধীরে ধীরে যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি বেড়েছে, তবে নগর পরিবহনের সংখ্যা এখনো তুলনামূলক কম। কারণ ঈদের সময় অনেক বাস জেলার রুটে চলাচল করেছে।

তবে রাজধানীর কোথাও দীর্ঘ যানজট বা অতিরিক্ত চাপের চিত্র দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী কয়েক দিন যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে। তবে কর্মজীবী মানুষ ও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের বড় অংশ ফিরে এলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।