থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক শহরে বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি দূতাবাসের সামনে শত শত মানুষ জড়ো হয়ে বিরল এক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী সন্ধি লিমথংকুলের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়ান, যাতে লেখা ছিল থাইল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং এটি প্রতিশ্রুত ভূমি নয়। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছু প্ল্যাকার্ডে স্পষ্টত ইহুদিবিদ্
বিক্ষোভকারীদের প্রধান অভিযোগ তিনটি, ইসরায়েলি নাগরিকদের দ্বারা জমি বেআইনিভাবে কেনা, থাই সংস্কৃতির প্রতি অসম্মান প্রদর্শন এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ের অস্বাভাবিক বিস্তার। এই অভিযোগগুলো মূলত কেন্দ্রীভূত হয়েছে কোহ পাংআন ও কোহ সামুই দ্বীপ এবং পাহাড়ি শহর পাইকে ঘিরে, যেখানে হোটেল বিল না মেটানো এবং জনসমক্ষে অসদাচরণের অভিযোগ বহুদিন ধরেই আলোচিত। গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বহু ইসরায়েলি নাগরিক, বিশেষত সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্যরা বিশ্রামের জন্য থাইল্যান্ডে ভিড় জমাচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। কোহ পাংআন ও কোহ সামুইয়ের মতো দ্বীপাঞ্চলে ইসরায়েলি পর্যটকদের দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান স্থানীয় ব্যবসায় ও জমির বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এই ধরনের অভিযোগ শুধু থাইল্যান্ডেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিবেশী ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কাতেও একই ধরনের অসন্তোষ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে, যেখানে পর্যটকদের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে পর্
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য এই ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ তুলনামূলক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের মতো পর্যটননির্ভর সম্ভাবনাময় অর্থনীতির দেশেও বিদেশি পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে স্থানীয় জনগণের সম্পর্ক কীভাবে গড়ে তোলা উচিত, তা নিয়ে থাইল্যান্ডের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিনের মতো এলাকায় পর্যটন খাত সম্প্রসারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদেশি নাগরিকদের জমি ব্যবহার ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে স্পষ্ট নীতিমালা থাকা কতটা জরুরি, তা এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয়।
পর্যটন ও অভিবাসনের মধ্যবর্তী এই স্পর্শকাতর সীমারেখা যে কোনো মুহূর্তে রাজনৈতিক উত্তেজনায় রূপ নিতে পারে, ব্যাংককের এই বিক্ষোভ তারই সবশেষ প্রমাণ। থাই কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে ইসরায়েলি দূতাবাসকে
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















