রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগ এখন দুই বিপরীতমুখী পথে এগোচ্ছে। একদিকে ইউক্রেন ও ইউরোপীয় মিত্ররা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ও চাপ সামলে একটি গ্রহণযোগ্য শান্তি পরিকল্পনা তৈরির চেষ্টা করছে। অন্যদিকে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে নিজেদের পক্ষে টানতে চাইছে, যাতে যুদ্ধক্ষেত্রে ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ বজায় থাকে। কিন্তু দুই পক্ষের লক্ষ্য এতটাই আলাদা যে, অদূর ভবিষ্যতে যুদ্ধের অবসানের স্পষ্ট পথ দেখা যাচ্ছে না।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে শান্তির অর্থ কার্যত বিজয় অর্জন। মস্কো চায়, ইউক্রেন যেন আর যুদ্ধ না করেই দনবাস অঞ্চল ছেড়ে দেয়। এর পাশাপাশি ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা কমানো, ন্যাটোতে যোগ না দেওয়ার অঙ্গীকার এবং কিয়েভের নেতৃত্বে পরিবর্তনের মতো দাবিও দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছে রাশিয়া। এসব শর্ত বাস্তবায়ন করা ইউক্রেনের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। ফলে রাশিয়া এখন দনবাসের নিয়ন্ত্রণকে আলোচনার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে সামনে রাখছে। এতে অঞ্চলটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়ছে।
দনবাস ছাড়তে রাজি নয় ইউক্রেন
যুদ্ধের কারণে দনবাসের অবশিষ্ট জনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো প্রতিদিন বসবাসের জন্য আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। এই অঞ্চলের বড় শহর ক্রামাতোরস্কে রুশ ড্রোন নিয়মিত চক্কর দিচ্ছে এবং বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করছে। স্লোভিয়ানস্ক, দোব্রোপিলিয়া ও কস্তিয়ানতিনিভকার মতো শহরগুলো রুশ গ্লাইড বোমার হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। কোথাও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, কোথাও হামলার আশঙ্কায় স্বাভাবিক জনজীবন প্রায় থেমে গেছে। তবে সামরিক দিক থেকে এসব এলাকার গুরুত্ব এখনো অনেক।
তারপরও দনবাস ছেড়ে দেওয়া ইউক্রেনের জন্য কেন বিপজ্জনক, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও। তাঁর মতে, রাশিয়া দোনেৎস্ক অঞ্চলের প্রায় ৮৯ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। বাকি অংশে ইউক্রেনের সেনারা এমন একটি প্রতিরক্ষা অবস্থান ধরে রেখেছে, যা ভেঙে পড়লে রুশ বাহিনীর জন্য কিয়েভের দিকে এগোনোর পথ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে।
রুবিও বলেন, ইউক্রেনের সামরিক কৌশলবিদদের যুক্তি হলো, দনবাসের অবশিষ্ট অংশই তাদের শেষ কার্যকর প্রতিরক্ষা রেখা। এই অবস্থান হারালে রাজধানী কিয়েভের দিকে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা ঠেকানো আরও কঠিন হবে।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়া খুব বেশি ভূখণ্ড দখল করতে না পারলেও ইউক্রেনের মানুষের ওপর ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করছে। ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে। পাল্টা জবাবে ইউক্রেন রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে হামলা চালাচ্ছে।
রুবিও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের শান্তি প্রচেষ্টার কথা স্বীকার করলেও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের অবসান চায়, তবে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল নিয়েও তাদের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার রয়েছে।
মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট ফোনে কথা বলেছেন রুবিও। এতে বোঝা যায়, যুদ্ধের পরিণতি নিয়ে তাঁর আগ্রহ প্রকাশ্য বক্তব্যের চেয়ে বেশি হতে পারে। তবে তাঁর মন্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা সীমিত হয়ে আসার ইঙ্গিতও রয়েছে।
মূল সংকটটি এখানেই। ইউক্রেনের লক্ষ্য টিকে থাকা, আর রাশিয়ার লক্ষ্য বিজয় অর্জন। মস্কো এখনো বিশ্বাস করে, সামরিক চাপ অব্যাহত রাখলে তারা নিজেদের শর্তে সমাধান আদায় করতে পারবে।
ট্রাম্পের চাপ কি শান্তির পথ খুলছে?
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কাছেও যদি শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা ক্ষীণ মনে হয়, তাহলে গত ১০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে টানাপোড়েন থেকে কী অর্জিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ট্রাম্প যে চুক্তির কথা বলছেন, সেটি আদায়ের পথে কি কোনো অগ্রগতি হয়েছে?
রাশিয়াকে আলোচনায় আনতে ট্রাম্প একের পর এক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু শান্তিচুক্তির শর্ত কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে তাঁর পদক্ষেপগুলোকে অনেকের কাছে পরিকল্পিত শান্তি উদ্যোগের চেয়ে রাশিয়ার ওপর চাপ কমানোর প্রচেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।
এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার তেল থেকে উৎপাদিত ডিজেল কেনার একটি চুক্তি, যা মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনার তহবিলে বিপুল অর্থ যোগ করতে পারে। ট্রাম্প একতরফাভাবে জ্বালানি খাতে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণাও দিয়েছিলেন। কিন্তু এই ঘোষণা রাশিয়া ও ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট ছিল না। তবু এর ফলে কয়েক দিনের জন্য রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলার গতি কমে যায়।
এ ছাড়া ইউক্রেনের সামরিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ স্টারলিংক যোগাযোগব্যবস্থার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়েও সীমাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় কয়েক রাত ধরে ইউক্রেন আগাম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে ট্রাম্প বারবার জেলেনস্কিকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা কয়েক মাস ধরে কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি। ফলে দেশটিকে সামরিক সহায়তা দিতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর আরও বেশি দায়িত্ব পড়েছে।
সব মিলিয়ে এসব পদক্ষেপের সুবিধা রাশিয়াই বেশি পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ যদি পুতিন নিজেই ঠিক করতেন, তাহলে নীতির চেহারা এর কাছাকাছি হতে পারত।
প্যাট্রিয়ট ও স্টারলিংক নিয়ে অপেক্ষায় কিয়েভ
নরওয়ের রাজধানী অসলোতে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং স্টারলিংক নিয়ে রুবিওর কাছ থেকে দ্রুত ইতিবাচক খবর পাওয়ার আশা করছেন তিনি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় আবার কার্যকরভাবে চলছে বলে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জেলেনস্কির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেছেন উইটকফ। অন্যদিকে কুশনার বৈঠকে অংশ নিয়েছেন ভার্চ্যুয়ালি। এসব যোগাযোগের পর উইটকফের রাশিয়া সফরে কী প্রস্তাব নিয়ে যাওয়া হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তিনি পরদিন মস্কোর উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্প কেন এমন নীতি অনুসরণ করছেন, যার ফলে ইউক্রেনের সামরিক অবস্থান দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, অথচ শান্তিচুক্তির বিষয়ে কোনো নিশ্চিত অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের হিসাব
ট্রাম্পের এই নীতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির হিসাব কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রাশিয়ার প্রতি তাঁর ইতিবাচক অবস্থান রিপাবলিকান দলের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। দলের কয়েকজন নেতা এমন নীতি থেকে নিজেদের দূরে রাখার চেষ্টা করছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলে সমালোচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের নেওয়া বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা কঠিন কিংবা কার্যকারিতার দিক থেকে সীমিত। রাশিয়ার ডিজেল কেনার উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত জ্বালানির দাম কমাতে পারবে না। ইউরোপের বিদ্যমান বিধিনিষেধের কারণে এই লেনদেন থেকে রাশিয়া কতটা অর্থ পাবে, সেটিও অনিশ্চিত।
জ্বালানি খাতে ঘোষিত সাময়িক যুদ্ধবিরতি ছিল স্বল্পস্থায়ী এবং এর কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এতে ট্রাম্পের বিশ্বাসযোগ্যতা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
স্টারলিংক, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা স্টারশিল্ড এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের ওপর বিধিনিষেধ কখনো কার্যকর হচ্ছে, কখনো শিথিল হচ্ছে। এতে ইউক্রেনের সেনারা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছেন। অথচ রুবিও ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে বলেছেন, এ ধরনের বিধিনিষেধের অস্তিত্ব ছিল না।
এত পরস্পরবিরোধী পদক্ষেপের ব্যাখ্যা খুঁজতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে তাকাতে হয়। মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কী ধরনের অবস্থান নেওয়া হবে, তার প্রস্তুতি হিসেবেও এসব পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রস্তুতি
জেলেনস্কি এখন ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে ইউক্রেনের জন্য সুবিধা আদায়ের কৌশল থেকে ধীরে ধীরে সরে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ধরে রাখতে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করা যে কার্যকর হচ্ছে না, তা কিয়েভের কাছে ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।
ইউক্রেন এখন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশটির কাছে অনিশ্চিত মার্কিন সমর্থনের ওপর নির্ভর করার চেয়ে নিজেদের সক্ষমতা ধরে রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
ইউরোপীয় দেশগুলোও মনে করছে, ট্রাম্পের নীতির কারণে ইউক্রেনের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় তাদের হাতে সময় সীমিত। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা কমে গেলে কীভাবে ইউক্রেনকে সামরিক ও আর্থিকভাবে টিকিয়ে রাখা যায়, সে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।
ইউরোপ ও ইউক্রেনের দৃষ্টিতে, ট্রাম্পের বর্তমান নীতির ক্ষতিকর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আগেই নিজেদের বিকল্প ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি একই রকম থাকলেও অতিরিক্ত প্রস্তুতির কারণে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সহজ হতে পারে।
পুতিনের প্রতি ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো ট্রাম্পের নীতির সময় নির্বাচন এবং এর পেছনে থাকা রাজনৈতিক চিন্তা। রাশিয়ার প্রতি তাঁর অবস্থান রিপাবলিকান দলের নির্বাচনী সম্ভাবনা এবং তাঁর নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তবু কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ এখনো রয়েছে। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁর উত্তরসূরি কে হবেন, তা নিয়েও আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প হয়তো নিজের রাজনৈতিক ক্ষমতার অবশিষ্ট সময়কে এমনভাবে ব্যবহার করতে চাইছেন, যাতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রতি তাঁর বিশেষ অনুকূল অবস্থান বাস্তব নীতিতে প্রতিফলিত হয়।
কিন্তু ব্যক্তিগত পছন্দ বা রাজনৈতিক সমীকরণ দিয়ে যুদ্ধের সমাধান করা সম্ভব নয়। রাশিয়া যদি নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করাকেই শান্তির শর্ত মনে করে এবং ইউক্রেন যদি নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা অবস্থান ছাড়তে না চায়, তাহলে আলোচনার অগ্রগতি কঠিনই থাকবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক চাপ এবং আলোচনার টেবিলে রাজনৈতিক দর-কষাকষি পাশাপাশি চলছে। কিন্তু দুই পক্ষের লক্ষ্য কাছাকাছি না আসা পর্যন্ত শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা অনিশ্চিত থাকবে। ট্রাম্পের উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ থামাতে পারবে, নাকি ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়িয়ে রাশিয়ার অবস্থান শক্তিশালী করবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।












