০৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
সিঙ্গাপুরে মশা দিয়েই মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ডেঙ্গু কমেছে ৮৭.৬ শতাংশ সরকার কেন এখন কলেরার টিকা দিচ্ছে? দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: নেপথ্যে ‘অবিশ্বাস’, নাকি সম্পর্কের ‘রিসেট’ চায় ঢাকা? মালয়েশিয়ার তালিকায় ২৫ এজেন্সি, শ্রমবাজার খোলা নিয়ে কী বলছে বাংলাদেশ সরকার ওয়াশিংটন পোস্ট: মার্কিন কংগ্রেসম্যানের ২ বছরের মেয়ের কলারবোন ভাঙার রহস্য অমীমাংসিত ভারত থেকে রপ্তানি বাড়াবে জাপানের কুবোটা, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে দামে প্রতিযোগিতার লক্ষ্য কালিমান্তানে দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে, বৃষ্টি না এলে বাড়তে পারে আগুন-ধোঁয়ার সংকট ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের মধ্যে লেবাননের রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ফেরানোর উদ্যোগে অচলাবস্থা আসাম–মেঘালয় উত্তেজনা: হামলায় জড়িত ৫ মুখোশধারী শনাক্ত, গঠিত বিশেষ তদন্ত দল গ্যাসের লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কমছে সিএনজি চালকদের আয়

রেকর্ড বন্যার পর ধাপে ধাপে খুলছে হোই আং, এবার লক্ষ্য ‘উঁচু-স্মার্ট’ পুনর্গঠন

পরিচ্ছন্নতা ও সীমিত পুনরায় খোলা

রেকর্ড বৃষ্টিতে হোই আং ও আশপাশের ঐতিহাসিক এলাকা কোমরসম জলে তলিয়ে যায়। কয়েক দিনের মধ্যে বাসিন্দারা কাদা সরিয়ে ক্যাফে-দোকান আংশিক খুলেছে; রেল ও সড়ক চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ সেতু-ভবনের নিরাপত্তা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ পর্যটক প্রবাহ স্থগিত রাখতে বলছে। কৃষি ও হস্তশিল্প গ্রামগুলোতেও ক্ষতি বড়—রেস্তোরাঁ ও হোমস্টের সরবরাহে টান পড়েছে। বুকিং বাতিলের বদলে ‘ডিফার’ করার প্রবণতা বেশি; হোটেলগুলো নমনীয় নীতিতে সরে যাচ্ছে।

সহনশীলতার নকশা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রেনেজ আধুনিকীকরণ, আপস্ট্রিম জলধারণ, রাতের উদ্ধারপথ মানচিত্র এবং পোর্টেবল ফ্লাড ব্যারিয়ার জরুরি। বিদ্যুৎ বক্স উঁচু করা, ফ্লাড-প্রুফ রেট্রোফিটে প্রণোদনা ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় কঠোর জোনিং—এসব ছাড়া “ঝটপট ক্লিনআপ” টেকসই নয়। পর্যটন বোর্ড ধাপে ধাপে খোলার রোডম্যাপ ও নিরাপত্তা বার্তা নিয়মিত দিতে চায়, যাতে ভ্রমণ পরিকল্পনা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে। লক্ষ্য স্পষ্ট—দ্রুত ফিরে দাঁড়ানো, কিন্তু আগের দুর্বলতা রেখে নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিঙ্গাপুরে মশা দিয়েই মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ডেঙ্গু কমেছে ৮৭.৬ শতাংশ

রেকর্ড বন্যার পর ধাপে ধাপে খুলছে হোই আং, এবার লক্ষ্য ‘উঁচু-স্মার্ট’ পুনর্গঠন

০৫:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

পরিচ্ছন্নতা ও সীমিত পুনরায় খোলা

রেকর্ড বৃষ্টিতে হোই আং ও আশপাশের ঐতিহাসিক এলাকা কোমরসম জলে তলিয়ে যায়। কয়েক দিনের মধ্যে বাসিন্দারা কাদা সরিয়ে ক্যাফে-দোকান আংশিক খুলেছে; রেল ও সড়ক চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ সেতু-ভবনের নিরাপত্তা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ পর্যটক প্রবাহ স্থগিত রাখতে বলছে। কৃষি ও হস্তশিল্প গ্রামগুলোতেও ক্ষতি বড়—রেস্তোরাঁ ও হোমস্টের সরবরাহে টান পড়েছে। বুকিং বাতিলের বদলে ‘ডিফার’ করার প্রবণতা বেশি; হোটেলগুলো নমনীয় নীতিতে সরে যাচ্ছে।

সহনশীলতার নকশা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রেনেজ আধুনিকীকরণ, আপস্ট্রিম জলধারণ, রাতের উদ্ধারপথ মানচিত্র এবং পোর্টেবল ফ্লাড ব্যারিয়ার জরুরি। বিদ্যুৎ বক্স উঁচু করা, ফ্লাড-প্রুফ রেট্রোফিটে প্রণোদনা ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় কঠোর জোনিং—এসব ছাড়া “ঝটপট ক্লিনআপ” টেকসই নয়। পর্যটন বোর্ড ধাপে ধাপে খোলার রোডম্যাপ ও নিরাপত্তা বার্তা নিয়মিত দিতে চায়, যাতে ভ্রমণ পরিকল্পনা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে। লক্ষ্য স্পষ্ট—দ্রুত ফিরে দাঁড়ানো, কিন্তু আগের দুর্বলতা রেখে নয়।