০৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬
শেয়ারবাজারে বড় ধস: ডিএসইতে সূচক কমলো ১৩৮ পয়েন্ট, সিএসইতেও ব্যাপক পতন মধ্যপ্রাচ্যে যেতে না পারা কর্মীদের সহায়তায় হটলাইন চালু ইরানে হামলা ও খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ঢাকায় জামায়াতের সমাবেশ গালফ অঞ্চলের কয়েকটি দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ঢাকায় রুমমেটকে হত্যা করে দেহ খণ্ড-বিখণ্ড: রাজধানীজুড়ে আতঙ্ক সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতের প্রতি কড়া বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্যে যেতে না পারা কর্মীদের সহায়তায় হটলাইন চালু রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের আঘাত, কড়া জবাবের হুঁশিয়ারি সৌদি আরবের ট্রাম্পের বেইজিং সফর অনিশ্চিত, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার প্রভাব বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা ইরান হামলা নিয়ে রুশ বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা: ‘এতে শুরু হতে পারে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক যুদ্ধ’

রেকর্ড বন্যার পর ধাপে ধাপে খুলছে হোই আং, এবার লক্ষ্য ‘উঁচু-স্মার্ট’ পুনর্গঠন

পরিচ্ছন্নতা ও সীমিত পুনরায় খোলা

রেকর্ড বৃষ্টিতে হোই আং ও আশপাশের ঐতিহাসিক এলাকা কোমরসম জলে তলিয়ে যায়। কয়েক দিনের মধ্যে বাসিন্দারা কাদা সরিয়ে ক্যাফে-দোকান আংশিক খুলেছে; রেল ও সড়ক চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ সেতু-ভবনের নিরাপত্তা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ পর্যটক প্রবাহ স্থগিত রাখতে বলছে। কৃষি ও হস্তশিল্প গ্রামগুলোতেও ক্ষতি বড়—রেস্তোরাঁ ও হোমস্টের সরবরাহে টান পড়েছে। বুকিং বাতিলের বদলে ‘ডিফার’ করার প্রবণতা বেশি; হোটেলগুলো নমনীয় নীতিতে সরে যাচ্ছে।

সহনশীলতার নকশা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রেনেজ আধুনিকীকরণ, আপস্ট্রিম জলধারণ, রাতের উদ্ধারপথ মানচিত্র এবং পোর্টেবল ফ্লাড ব্যারিয়ার জরুরি। বিদ্যুৎ বক্স উঁচু করা, ফ্লাড-প্রুফ রেট্রোফিটে প্রণোদনা ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় কঠোর জোনিং—এসব ছাড়া “ঝটপট ক্লিনআপ” টেকসই নয়। পর্যটন বোর্ড ধাপে ধাপে খোলার রোডম্যাপ ও নিরাপত্তা বার্তা নিয়মিত দিতে চায়, যাতে ভ্রমণ পরিকল্পনা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে। লক্ষ্য স্পষ্ট—দ্রুত ফিরে দাঁড়ানো, কিন্তু আগের দুর্বলতা রেখে নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেয়ারবাজারে বড় ধস: ডিএসইতে সূচক কমলো ১৩৮ পয়েন্ট, সিএসইতেও ব্যাপক পতন

রেকর্ড বন্যার পর ধাপে ধাপে খুলছে হোই আং, এবার লক্ষ্য ‘উঁচু-স্মার্ট’ পুনর্গঠন

০৫:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

পরিচ্ছন্নতা ও সীমিত পুনরায় খোলা

রেকর্ড বৃষ্টিতে হোই আং ও আশপাশের ঐতিহাসিক এলাকা কোমরসম জলে তলিয়ে যায়। কয়েক দিনের মধ্যে বাসিন্দারা কাদা সরিয়ে ক্যাফে-দোকান আংশিক খুলেছে; রেল ও সড়ক চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ সেতু-ভবনের নিরাপত্তা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ পর্যটক প্রবাহ স্থগিত রাখতে বলছে। কৃষি ও হস্তশিল্প গ্রামগুলোতেও ক্ষতি বড়—রেস্তোরাঁ ও হোমস্টের সরবরাহে টান পড়েছে। বুকিং বাতিলের বদলে ‘ডিফার’ করার প্রবণতা বেশি; হোটেলগুলো নমনীয় নীতিতে সরে যাচ্ছে।

সহনশীলতার নকশা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রেনেজ আধুনিকীকরণ, আপস্ট্রিম জলধারণ, রাতের উদ্ধারপথ মানচিত্র এবং পোর্টেবল ফ্লাড ব্যারিয়ার জরুরি। বিদ্যুৎ বক্স উঁচু করা, ফ্লাড-প্রুফ রেট্রোফিটে প্রণোদনা ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় কঠোর জোনিং—এসব ছাড়া “ঝটপট ক্লিনআপ” টেকসই নয়। পর্যটন বোর্ড ধাপে ধাপে খোলার রোডম্যাপ ও নিরাপত্তা বার্তা নিয়মিত দিতে চায়, যাতে ভ্রমণ পরিকল্পনা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে। লক্ষ্য স্পষ্ট—দ্রুত ফিরে দাঁড়ানো, কিন্তু আগের দুর্বলতা রেখে নয়।