ঢাকা, রোববার: সীমান্তে আর কোনো হত্যাকাণ্ডের খবর শুনতে চায় না বাংলাদেশ—ভারতের প্রতি এমন স্পষ্ট বার্তাই দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি ভারতীয় হাইকমিশনারকে অনুরোধ করেছেন, ভবিষ্যতে যাতে ‘সীমান্ত হত্যা’ না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।
সচিবালয়ে বৈঠক
রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে আলোচনা হয়েছে।
বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক জোরদারের আহ্বান
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি ভারতীয় হাইকমিশনারকে জানিয়েছি—আমরা আর সীমান্ত হত্যার ঘটনা শুনতে চাই না। এ বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক অব্যাহত রাখতে হবে এবং যতটা সম্ভব এমন ঘটনা এড়িয়ে চলতে হবে।”
তিনি জানান, ভারতীয় পক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
ভিসা কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা
ভারতীয় পর্যটক ভিসা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত দেড় বছরে ভারতীয় কনস্যুলেট ও ভিসা অফিসগুলো হামলার শিকার হওয়ায় পূর্ণাঙ্গভাবে ভিসা কার্যক্রম চালানো ব্যাহত হয়েছে। তবে ভারতীয় পক্ষ আশ্বাস দিয়েছে, ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে।
কূটনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নতুন সরকার গঠনের পর চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে ভারতীয় হাইকমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। আলোচনায় নিরাপত্তা বিষয়ও উঠে আসে।
পারস্পরিক স্বার্থ ও মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক
তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ পারস্পরিক স্বার্থ, মর্যাদা ও সুবিধার ভিত্তিতে ভারতের সহযোগিতা কামনা করেছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা আমাদের সম্পর্ক বজায় রাখব। তবে আমরা আশা করি, ভারত সার্বভৌম সমতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বাণিজ্য, ব্যবসা ও কূটনীতিসহ সব ক্ষেত্রে সম্পর্ক অটুট রাখবে।”
সারাক্ষণ রিপোর্ট 
















