০৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
ইতিহাসের বরপুত্র তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা ভোলায় অনুষ্ঠিত, মানুষের ঢলে শেষ শ্রদ্ধা তোফায়েল আহমদের মৃত্যুতে জিএম কাদেরের শোক, জাতির এক সংগ্রামী নেতার বিদায় ট্রাম্প নাকি আমেরিকা? বিশ্ব এখন আসলে কাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন চট্টগ্রামে শাহ আমানত সেতুতে পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের গরম, কম বৃষ্টি আর নতুন বাস্তবতা: বাংলাদেশের সামনে জলবায়ুর সতর্কবার্তা নেত্রকোনায় ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী-ছেলে গুরুতর আহত মানুষের কাছে ফেরার সময় কি এখনও আসেনি? শহরের তাপ বাড়ছে, বিপদে আধুনিক স্থাপত্যের ঐতিহ্য: নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়েই টিকবে ষাট বছরের পুরোনো ভবন পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলে ভাঙনের দাবি, রিজু দত্তের সঙ্গে ‘৫০ বিধায়ক’ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে সম্মত হিজবুল্লাহ, বৈরুত নিয়ে নতুন সমঝোতা

নেত্রকোনায় ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী-ছেলে গুরুতর আহত

নেত্রকোনা শহরের কাটলি এলাকায় নিজ বাড়িতে ঢুকে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় নিহত হন ৫৫ বছর বয়সী মনোয়ারা বেগম। হামলায় তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী আবু চান মিয়া ও ছেলে মুন্না মিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ নামে ২৮ বছর বয়সী এক যুবক একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় রিকশাচালক। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ঘটনার বর্ণনা মেয়ের মুখে

নিহত মনোয়ারা বেগমের মেয়ে লিজা মনি জানান, তিনি বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন তার বাবা ও ভাই গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে জানতে পারেন, আব্দুর রশিদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

মোটরসাইকেল চুরি করে পালানোর সময় দুর্ঘটনায় যুবক নি...

 

তিনি বলেন, চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে তার বাবা ও ভাইকে উদ্ধার করেন। পরে ঘরের ভেতরে একটি খাটের নিচ থেকে তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন অভিযুক্ত

লিজা মনি আরও জানান, অভিযুক্ত রশিদ পরিবারের পরিচিত ছিলেন এবং প্রায়ই তাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন। তবে হামলার পেছনে কী কারণ ছিল, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ না থাকাকালে হামলা

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাজল কুমার সরকার জানান, হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে তার ছেলে মুন্না মিয়া বাধা দিতে গেলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একইভাবে স্ত্রী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন আবু চান মিয়া।

আহতদের চিকিৎসা চলছে

আহত বাবা ও ছেলেকে প্রথমে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মুন্না মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

তদন্ত শুরু

ঘটনার কারণ ও পটভূমি উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাসের বরপুত্র তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা ভোলায় অনুষ্ঠিত, মানুষের ঢলে শেষ শ্রদ্ধা

নেত্রকোনায় ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী-ছেলে গুরুতর আহত

০৩:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

নেত্রকোনা শহরের কাটলি এলাকায় নিজ বাড়িতে ঢুকে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় নিহত হন ৫৫ বছর বয়সী মনোয়ারা বেগম। হামলায় তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী আবু চান মিয়া ও ছেলে মুন্না মিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ নামে ২৮ বছর বয়সী এক যুবক একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় রিকশাচালক। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ঘটনার বর্ণনা মেয়ের মুখে

নিহত মনোয়ারা বেগমের মেয়ে লিজা মনি জানান, তিনি বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন তার বাবা ও ভাই গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে জানতে পারেন, আব্দুর রশিদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

মোটরসাইকেল চুরি করে পালানোর সময় দুর্ঘটনায় যুবক নি...

 

তিনি বলেন, চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে তার বাবা ও ভাইকে উদ্ধার করেন। পরে ঘরের ভেতরে একটি খাটের নিচ থেকে তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন অভিযুক্ত

লিজা মনি আরও জানান, অভিযুক্ত রশিদ পরিবারের পরিচিত ছিলেন এবং প্রায়ই তাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন। তবে হামলার পেছনে কী কারণ ছিল, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ না থাকাকালে হামলা

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাজল কুমার সরকার জানান, হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে তার ছেলে মুন্না মিয়া বাধা দিতে গেলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একইভাবে স্ত্রী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন আবু চান মিয়া।

আহতদের চিকিৎসা চলছে

আহত বাবা ও ছেলেকে প্রথমে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মুন্না মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

তদন্ত শুরু

ঘটনার কারণ ও পটভূমি উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।