০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
লন্ডনের ক্ষমতার একচেটিয়া কেন্দ্র কি এবার ভাঙার পথে? ৭০ বছরে কিম ক্যাট্রাল: লাল গালিচায় তাঁর ৭০টি স্মরণীয় সাজ গরমের দিনে ক্যাট চেনের ঘরোয়া আড্ডা, যেখানে খাবার-পানীয়ের সঙ্গে মিশে যায় স্বস্তি জিএলপি-১ ওষুধের যুগে বদলে যাচ্ছে সৌন্দর্যের ধারণা শেরপুরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, ২৫ ঘণ্টা পর বিল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার দ্বিতীয় টেস্টের আগে স্বস্তি, নেটে ফিরেছেন তানজিদ-মুশফিক পুরুষের সাজে নতুন ঝলক, কানে দুলের দাপট চীনে মার্কিন শিক্ষাবিদের আটক নিয়ে রুবিওর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান বেইজিংয়ের দিনাজপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু, বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া হলো না হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যু ৯২৮

নেত্রকোনায় ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী-ছেলে গুরুতর আহত

নেত্রকোনা শহরের কাটলি এলাকায় নিজ বাড়িতে ঢুকে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় নিহত হন ৫৫ বছর বয়সী মনোয়ারা বেগম। হামলায় তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী আবু চান মিয়া ও ছেলে মুন্না মিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ নামে ২৮ বছর বয়সী এক যুবক একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় রিকশাচালক। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ঘটনার বর্ণনা মেয়ের মুখে

নিহত মনোয়ারা বেগমের মেয়ে লিজা মনি জানান, তিনি বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন তার বাবা ও ভাই গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে জানতে পারেন, আব্দুর রশিদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

মোটরসাইকেল চুরি করে পালানোর সময় দুর্ঘটনায় যুবক নি...

 

তিনি বলেন, চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে তার বাবা ও ভাইকে উদ্ধার করেন। পরে ঘরের ভেতরে একটি খাটের নিচ থেকে তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন অভিযুক্ত

লিজা মনি আরও জানান, অভিযুক্ত রশিদ পরিবারের পরিচিত ছিলেন এবং প্রায়ই তাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন। তবে হামলার পেছনে কী কারণ ছিল, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ না থাকাকালে হামলা

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাজল কুমার সরকার জানান, হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে তার ছেলে মুন্না মিয়া বাধা দিতে গেলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একইভাবে স্ত্রী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন আবু চান মিয়া।

আহতদের চিকিৎসা চলছে

আহত বাবা ও ছেলেকে প্রথমে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মুন্না মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

তদন্ত শুরু

ঘটনার কারণ ও পটভূমি উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

লন্ডনের ক্ষমতার একচেটিয়া কেন্দ্র কি এবার ভাঙার পথে?

নেত্রকোনায় ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী-ছেলে গুরুতর আহত

০৩:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

নেত্রকোনা শহরের কাটলি এলাকায় নিজ বাড়িতে ঢুকে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় নিহত হন ৫৫ বছর বয়সী মনোয়ারা বেগম। হামলায় তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী আবু চান মিয়া ও ছেলে মুন্না মিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ নামে ২৮ বছর বয়সী এক যুবক একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় রিকশাচালক। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ঘটনার বর্ণনা মেয়ের মুখে

নিহত মনোয়ারা বেগমের মেয়ে লিজা মনি জানান, তিনি বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন তার বাবা ও ভাই গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে জানতে পারেন, আব্দুর রশিদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

মোটরসাইকেল চুরি করে পালানোর সময় দুর্ঘটনায় যুবক নি...

 

তিনি বলেন, চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে তার বাবা ও ভাইকে উদ্ধার করেন। পরে ঘরের ভেতরে একটি খাটের নিচ থেকে তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন অভিযুক্ত

লিজা মনি আরও জানান, অভিযুক্ত রশিদ পরিবারের পরিচিত ছিলেন এবং প্রায়ই তাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন। তবে হামলার পেছনে কী কারণ ছিল, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ না থাকাকালে হামলা

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাজল কুমার সরকার জানান, হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে তার ছেলে মুন্না মিয়া বাধা দিতে গেলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একইভাবে স্ত্রী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন আবু চান মিয়া।

আহতদের চিকিৎসা চলছে

আহত বাবা ও ছেলেকে প্রথমে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মুন্না মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

তদন্ত শুরু

ঘটনার কারণ ও পটভূমি উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।