সকাল দশটার পর শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হলে লং বিচ ও সুপার মার্কেট এলাকার বহু ভবনে মানুষ নিচে নেমে আসতে থাকেন। হোটেলগুলোতে অ্যালার্ম বাজানো হয় এবং পর্যটকরা খোলা স্থানে আশ্রয় নেন।
এখনও বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই, তবে পুরনো হোটেল ও পাহাড়ি ঢাল সংলগ্ন স্থাপনাগুলোতে প্রাথমিক স্ট্রাকচারাল চেক চলছে। ডিসি অফিস সব হোটেলকে ভবনের নিরাপত্তা মূল্যায়ন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা বলছেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ পূর্বে ভারী বৃষ্টিতে মাটি দুর্বল হয়ে গেছে। কোনো আফটারশক এলে ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
পর্যটন পুলিশ দিনভর বাড়তি টহল দিচ্ছে এবং সমুদ্রসৈকত এলাকায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 









