০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুই শিশুকে ঘিরে তোলপাড় গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস এপ্রিলে মব ভায়োলেন্সে ২২ নিহত, রাজনৈতিক সংঘাতে আরও ৬: এইচআরএসএস প্রতিবেদন ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি এক ভোটেই হার-জিত: তামিলনাড়ু ভোটে সাবেক মন্ত্রীর পরাজয়, ‘সারকার’-এর বার্তা ফের প্রমাণিত বাংলা-আসাম ফলাফল ঘিরে গণতন্ত্রে হুমকি, ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর সংসার যখন চালায় ভাগ্য, তখন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে? গ্রামেও ভ্যাট বসাতে চায় সরকার, টোকেন কর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ায় ম্যালেরিয়ার রেকর্ড সংক্রমণ, জলবায়ু ও মানুষের চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি

আইএমএফ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরল

বৃদ্ধি মন্থর, ব্যাংকিং খাত দুর্বল এবং মুদ্রাস্ফীতি উচ্চ থাকায় উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশের সঙ্গে বার্ষিক পরামর্শ সম্পন্ন করেছে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আইএমএফ বোর্ড দুর্বল রাজস্ব আদায়, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিকে প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০২৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র তিন দশমিক সাত শতাংশ। পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্য হ্রাস। আইএমএফ জানিয়েছে যে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ অর্থনীতি স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে।

সংস্কার এবং নীতিগত পদক্ষেপের তাগিদ

আইএমএফ পরিচালকরা সিদ্ধান্তমূলক এবং টেকসই নীতি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন যে রাজস্ব বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাত শক্তিশালীকরণ এবং বিনিময় হার কাঠামো বাস্তবায়ন জরুরি। ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে। আইএমএফ সুশাসন বৃদ্ধি, দুর্নীতিবিরোধী কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং কেন্দ্রীয় বৈঙ্কের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। আগামী প্রশাসনের পূর্ণ মালিকানা এবং স্টেকহোল্ডারদের সমর্থন কর্মসূচির সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলডিসি থেকে স্নাতক হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কার আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম

আইএমএফ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরল

০৭:৫০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বৃদ্ধি মন্থর, ব্যাংকিং খাত দুর্বল এবং মুদ্রাস্ফীতি উচ্চ থাকায় উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশের সঙ্গে বার্ষিক পরামর্শ সম্পন্ন করেছে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আইএমএফ বোর্ড দুর্বল রাজস্ব আদায়, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিকে প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০২৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র তিন দশমিক সাত শতাংশ। পূর্ববর্তী বছরগুলোর তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্য হ্রাস। আইএমএফ জানিয়েছে যে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ অর্থনীতি স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে।

সংস্কার এবং নীতিগত পদক্ষেপের তাগিদ

আইএমএফ পরিচালকরা সিদ্ধান্তমূলক এবং টেকসই নীতি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন যে রাজস্ব বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাত শক্তিশালীকরণ এবং বিনিময় হার কাঠামো বাস্তবায়ন জরুরি। ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে। আইএমএফ সুশাসন বৃদ্ধি, দুর্নীতিবিরোধী কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং কেন্দ্রীয় বৈঙ্কের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। আগামী প্রশাসনের পূর্ণ মালিকানা এবং স্টেকহোল্ডারদের সমর্থন কর্মসূচির সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলডিসি থেকে স্নাতক হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কার আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।