০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জাপানকে সুদের হার বাড়াতে এবং কর হ্রাস এড়াতে আইএমএফ-এর সতর্কবার্তা অলকোয়াকে অবৈধভাবে অস্ট্রেলিয়ার জঙ্গলে কর্তন করার কারণে ৩৮ মিলিয়ন ডলার জরিমানা এপস্টেইনের ফাইলের অভিযোগ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে: জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা তেলের দাম সামান্য স্থিতিশীল, বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনা: সেনাসদস্যসহ নিহত ২, আহত ১৫ শিরোনাম: শান্তি আলোচনা ও আর্থিক নীতি কেন্দ্রবিন্দুতে ডলারের অবস্থান, কিউইতে প্রভাব তারেকের শপথের পর সাভারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম কর্মদিবসেই জাতীয় স্মৃতিসৌধে অঙ্গীকার এশিয়ার শেয়ারবাজারে উত্থান, তেলের দাম সাময়িক ওঠানামা, মার্কিন-ইরান আলোচনার প্রভাব বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে আর কীভাবে হবে? ক্যাম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, থাইল্যান্ড দখল করছে সীমান্ত এলাকা, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও

তেহরানে আবার নতুন সরকারের বিরোধী স্লোগান, বিদেশে প্রতিবাদের ঢেউ আরও তীব্র

ইরানের রাজধানী তেহরানে রবিবার নতুন করে সরকারের বিরোধী স্লোগান শোনা গেছে। বাইরে থেকে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশের পর শহরের বাসিন্দারা তাদের নিজের বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্টের জানালা ও বারান্দা থেকে “খামেনির মৃত্যু হোক”, “ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু হোক” এবং “শাহের দীর্ঘায়ু হোক” এমনকী রাজতন্ত্র সমর্থক স্লোগান উচ্চারণ করেছেন। ইরানের বাইরে, বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বড় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্লোগান উচ্চারণে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রাক্তন শাহের ছেলে রেজা পহলভি। তিনি দেশজুড়ে নাগরিকদের বাইরে প্রতিবাদের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। জার্মানির মিউনিখ শহরে পুলিশ বলেছে, শনিবার প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছেন, যেখানে পহলভি নিজে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন। লস অ্যাঞ্জেলেস, টরোন্টোসহ বিদেশে আরও বড় রাজতান্ত্রিক সমাবেশ হয়েছে।

Report: New Anti-Government Chants in Tehran After Giant Rallies Abroad

তেহরানের পূর্বাঞ্চলীয় একবাতান এলাকায় বাসিন্দারা রাতে আবারও স্লোগান দেন, যা সামাজিক মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা বলছেন, “এটাই চূড়ান্ত যুদ্ধ, পহলভি ফিরে আসছে” এবং “গার্ডদের মৃত্যু হোক”, যেখানে গার্ডরা ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক বাহিনী হিসেবে পরিচিত। তেহরানের পাশাপাশি শিরাজ এবং আরাকসহ অন্যান্য শহরেও স্লোগান উচ্চারণ করা হয়েছে।

এই নতুন প্রতিবাদ কর্মসূচি আসে জেনেভায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার দুই দিন আগে। আলোচনার মূল বিষয় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম, যা বৈশ্বিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। মানবাধিকার সংস্থা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া গত প্রতিবাদে ৭,০০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, প্রায় সবই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে। এছাড়া প্রায় ৫৪,০০০ মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছে এবং তৎকালীন দমন অভিযান এখনও চলছে।

New anti-government chants in Tehran after giant rallies abroad: Reports -  The Economic Times

এই পরিস্থিতি ইরানের ভেতর এবং বহির্বিশ্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে, যেখানে রাজতন্ত্র সমর্থক ও সরকারের বিরোধী আন্দোলন উভয়ই নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানকে সুদের হার বাড়াতে এবং কর হ্রাস এড়াতে আইএমএফ-এর সতর্কবার্তা

তেহরানে আবার নতুন সরকারের বিরোধী স্লোগান, বিদেশে প্রতিবাদের ঢেউ আরও তীব্র

০২:৪৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের রাজধানী তেহরানে রবিবার নতুন করে সরকারের বিরোধী স্লোগান শোনা গেছে। বাইরে থেকে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশের পর শহরের বাসিন্দারা তাদের নিজের বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্টের জানালা ও বারান্দা থেকে “খামেনির মৃত্যু হোক”, “ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু হোক” এবং “শাহের দীর্ঘায়ু হোক” এমনকী রাজতন্ত্র সমর্থক স্লোগান উচ্চারণ করেছেন। ইরানের বাইরে, বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বড় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্লোগান উচ্চারণে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রাক্তন শাহের ছেলে রেজা পহলভি। তিনি দেশজুড়ে নাগরিকদের বাইরে প্রতিবাদের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। জার্মানির মিউনিখ শহরে পুলিশ বলেছে, শনিবার প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছেন, যেখানে পহলভি নিজে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন। লস অ্যাঞ্জেলেস, টরোন্টোসহ বিদেশে আরও বড় রাজতান্ত্রিক সমাবেশ হয়েছে।

Report: New Anti-Government Chants in Tehran After Giant Rallies Abroad

তেহরানের পূর্বাঞ্চলীয় একবাতান এলাকায় বাসিন্দারা রাতে আবারও স্লোগান দেন, যা সামাজিক মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা বলছেন, “এটাই চূড়ান্ত যুদ্ধ, পহলভি ফিরে আসছে” এবং “গার্ডদের মৃত্যু হোক”, যেখানে গার্ডরা ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক বাহিনী হিসেবে পরিচিত। তেহরানের পাশাপাশি শিরাজ এবং আরাকসহ অন্যান্য শহরেও স্লোগান উচ্চারণ করা হয়েছে।

এই নতুন প্রতিবাদ কর্মসূচি আসে জেনেভায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার দুই দিন আগে। আলোচনার মূল বিষয় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম, যা বৈশ্বিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। মানবাধিকার সংস্থা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া গত প্রতিবাদে ৭,০০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, প্রায় সবই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে। এছাড়া প্রায় ৫৪,০০০ মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছে এবং তৎকালীন দমন অভিযান এখনও চলছে।

New anti-government chants in Tehran after giant rallies abroad: Reports -  The Economic Times

এই পরিস্থিতি ইরানের ভেতর এবং বহির্বিশ্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে, যেখানে রাজতন্ত্র সমর্থক ও সরকারের বিরোধী আন্দোলন উভয়ই নতুন মাত্রা পাচ্ছে।