সমকালের একটি শিরোনাম “বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান”
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এবারের মেলায় থাকছে না কোনো প্যাভিলিয়ন। পাশাপাশি প্রকাশকদের জন্য মেলার স্টল-ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে স্টল নির্মাণের কাজ।
রোববার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলা একাডেমির শহীদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
প্রকাশক প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, এবারের বইমেলায় কোনো প্যাভিলিয়ন থাকবে না। বাপুস নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সহায়তায় ইতোমধ্যে প্যাভিলিয়নপ্রাপ্ত প্রকাশকগণ নিজ নিজ প্যাভিলিয়ন সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের পর রোববার রাত ১০টায় স্টল বিন্যাসের লটারি অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি স্টলের জন্য আবেদনকারী প্রকাশকদের মধ্যে এই লটারি সম্পন্ন হয়।
লটারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রকাশকরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্টল নির্মাণের কাজ শুরু করবেন।
আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম”রাজধানীর পান্থপথে বিএনপির ওয়ার্ড নেতা গুলিবিদ্ধ”
রাজধানীর কলাবাগান থানাধীন বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের বিপরীত পার্শ্বে দুর্বৃত্তের গুলিতে শফিকুর রহমান (৫৫) নামে ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতা আহত হয়েছেন। আহত শফিকুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের বিপরীত পার্শ্বে জুতার মার্কেটের সামনে এই গুলির ঘটনা ঘটে।
আহত শফিকুর রহমান ও তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসা জুতার দোকানদার মনির হোসেন জানান, শফিকুর রহমান কলাবাগান থানা ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি ওই এলাকার ফুটপাতে জুতার দোকানে জুতা সরবরাহ করেন।
তাঁরা দাবি করেন, কয়েক দিন ধরেই স্থানীয় কয়েকজন চাঁদাবাজ শফিকুরের কাছে চাঁদা দাবি করছিল। সেই চাঁদাবাজেরাই তাঁকে হাতেনাতে পেয়ে তাঁর কাছে আবারও চাঁদা দাবি করে এবং তাদের ফোন না ধরার কারণ জানতে চায়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা শফিকুরকে গুলি করে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
বণিকবার্তার একটি শিরোনাম “অন্তর্বর্তী সরকারের দেয়া অনেক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল হবে ঈদের পর”
সে সময়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বড় অংশ এখনো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও দপ্তরপ্রধান হিসেবে কর্মরত। তবে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর চুক্তিভিত্তিক অনেক কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া চুক্তিভিত্তিক অনেক কর্মকর্তার মেয়াদ শেষের দিকে। অনেকে আবার নিজেই পদ থেকে সরে যাচ্ছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে থাকা শেখ আব্দুর রশিদের চুক্তি বাতিলের প্রজ্ঞাপন হয়। সে সময় শেখ আব্দুর রশিদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি আগেই পদত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের কারণে তা গৃহীত হয়নি। একই দিন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। একদিন পর তিনিও চাকরি থেকে পদত্যাগের আবেদন করেন। ওইদিনই মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। শেখ আব্দুর রশিদ ও সিরাজ উদ্দিন মিয়া দুজনই অন্তর্বর্তী সরকারের দেয়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কর্মরত ছিলেন।
চুক্তিভিত্তিকের পাশাপাশি অনেককে সাময়িক নিয়োগও দিয়েছিল বিগত সরকার। গতকাল সকালে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। তাকে সাময়িক নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। দেশের আরো তিনটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে সাময়িক নিয়োগ পাওয়া উপাচার্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন নির্বাচিত বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতাহারে ‘মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। মেধাভিত্তিক প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে যোগ্যতাকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে জনপ্রশাসন ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বড় অংশের নিয়োগ বাতিল করে তাদের জায়গায় নিয়মিত কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হবে। তবে এ সিদ্ধান্ত এখনই বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘জনপ্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল হতে যাচ্ছে। রমজান মাসের কারণে একটু সময় নেয়া হচ্ছে। ঈদের পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বড় অংশকেই বাদ দেয়া হতে পারে। পাশাপাশি মেধাবী কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রশাসন সাজানোর নির্দেশনা এসেছে।’
মানবজমিনের একটি শিরোন “এবার স্থানীয় নির্বাচনের আলোচনা”
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্দলীয় পদ্ধতিতে হতে পারে এবারের স্থানীয় নির্বাচন। প্রথমে ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর ধাপে ধাপে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এপ্রিল-জুনের দিকে স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশনের ভোটের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন। ধারণা করা হচ্ছে- স্থানীয় নির্বাচন আবারো নির্দলীয় পদ্ধতিতে ফিরে যাবে বিএনপি। ঐকমত্য কমিশনের সংলাপেও বিএনপি’র অবস্থান ছিল নির্দলীয় পদ্ধতিতে হতে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এদিকে দ্রুত স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও। ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ ও বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেয়া বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।
জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকার সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পরিষদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণ করে। ওই সময় ১২ সিটি করপোরেশন, ৩৩০ পৌরসভা, ৪৯৭ উপজেলা পরিষদ এবং ৬৪ জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করা হয়। তাদের জায়গায় বসানো হয় প্রশাসক। নির্বাচিত এসব জনপ্রতিনিধিদের বেশির ভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগের, অভ্যুত্থানের পর তারা আত্মগোপনে চলে যান। এরই মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি স্থানীয় সরকারের কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে, কিছু মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের মধ্যে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার দুই সিটি এবং ২০২১ সালের জানুয়ারিতে চট্টগ্রামে নির্বাচন হয়। এ অবস্থায় স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ঝড়-বৃষ্টির কারণে আমরা পরিকল্পনা করছি বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ১৪ই এপ্রিল অর্থাৎ পহেলা বৈশাখের আগেই নির্বাচন আয়োজন করবো।
সারাক্ষণ ডেস্ক 


















