পিলখানা বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই একটি জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন কাজ করছে এবং তাদের প্রতিবেদন সরকারের হাতে রয়েছে।
বানানী সামরিক কবরস্থানে রাজধানীর পিলখানা বিডিআর হত্যাকাণ্ডের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে একটি স্বাধীন জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কমিশন তাদের তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং সেটি বর্তমানে সরকারের কাছে রয়েছে।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ই প্রতিবেদন হাতে এসেছিল, তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তেমন অগ্রগতি হয়নি। প্রতিবেদনে প্রায় ৭০টি সুপারিশ রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি নিজে বিস্তারিতভাবে প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করবেন বলেও জানান।
সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিবেদনের অনেক সুপারিশ ইতোমধ্যেই বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে এবং বাকি সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি আশ্বাস দেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পূর্ববর্তী সরকারের ভূমিকা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আগের সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুটি কমিটি গঠন করেছিল। তবে সেই কমিটিগুলোর প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর একটি গুরুতর আঘাত। এই ঘটনার মাধ্যমে দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তার ভাষায়, যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না কিংবা দেশকে দুর্বল দেখতে চায়, তারাই এমন ষড়যন্ত্রমূলক উদ্দেশ্য পোষণ করতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















