০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে সম্মত হিজবুল্লাহ, বৈরুত নিয়ে নতুন সমঝোতা ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ফোনালাপে উত্তেজনা, বৈরুত হামলা ঠেকাতে কড়া বার্তা ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পদত্যাগ দাবিতে টানা বিক্ষোভ এক বছর পেরোলেও কার্যকর হয়নি হিটু শেখের ফাঁসি, অপেক্ষায় আছিয়ার পরিবার ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ফোনালাপ নিয়ে তোলপাড়, লেবাননে হামলায় ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট চট্টগ্রামের হালিশহর বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস চীনের সামরিক-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে এনভিডিয়ার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপের চাহিদা বাড়ছে সাংবাদিকদের ওপর হামলা-হুমকি উদ্বেগজনক, মে মাসে নির্যাতনের শিকার ৫৫ জন ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট বাধ্যতামূলক, কড়াকড়ি নজরদারির নির্দেশ

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি সম্পাদক পরিষদের

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। বুধবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বহু সাংবাদিককে হত্যা ও অন্যান্য ফৌজদারি মামলায় জড়ানো হয়েছে, যা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে পরিস্থিতির অবনতি

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে অনেক সাংবাদিককে ভিত্তিহীনভাবে হত্যা ও অন্যান্য মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর ফলে কেউ কেউ এখনও কারাগারে রয়েছেন, আবার অনেককে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সাংবাদিকদের স্বাভাবিক পেশাগত কর্মকাণ্ডে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করছে।

স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত

সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এসব মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সাংবাদিকরা যখন নিয়মিত আইনি চাপ ও হয়রানির মুখে পড়েন, তখন তাঁদের পক্ষে নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে সামগ্রিকভাবে সংবাদমাধ্যমের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ হলে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান

বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়, যদি কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ থাকে, তাহলে তা বিদ্যমান আইনের আওতায় স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা উচিত। তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সম্পাদক পরিষদের মতে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অগ্রগতির অভাব

সংগঠনটি জানায়, তারা একাধিকবার অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে এবং সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার মামলাগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান

সম্পাদক পরিষদ নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো দ্রুত পর্যালোচনা করে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বিবৃতির শেষে বলা হয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক অঙ্গীকার। সম্পাদক পরিষদ আশা প্রকাশ করেছে, সরকার এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে সম্মত হিজবুল্লাহ, বৈরুত নিয়ে নতুন সমঝোতা

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি সম্পাদক পরিষদের

০৭:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। বুধবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বহু সাংবাদিককে হত্যা ও অন্যান্য ফৌজদারি মামলায় জড়ানো হয়েছে, যা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে পরিস্থিতির অবনতি

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে অনেক সাংবাদিককে ভিত্তিহীনভাবে হত্যা ও অন্যান্য মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর ফলে কেউ কেউ এখনও কারাগারে রয়েছেন, আবার অনেককে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সাংবাদিকদের স্বাভাবিক পেশাগত কর্মকাণ্ডে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করছে।

স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত

সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এসব মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সাংবাদিকরা যখন নিয়মিত আইনি চাপ ও হয়রানির মুখে পড়েন, তখন তাঁদের পক্ষে নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে সামগ্রিকভাবে সংবাদমাধ্যমের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ হলে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান

বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়, যদি কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ থাকে, তাহলে তা বিদ্যমান আইনের আওতায় স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা উচিত। তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সম্পাদক পরিষদের মতে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অগ্রগতির অভাব

সংগঠনটি জানায়, তারা একাধিকবার অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে এবং সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার মামলাগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান

সম্পাদক পরিষদ নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো দ্রুত পর্যালোচনা করে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বিবৃতির শেষে বলা হয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক অঙ্গীকার। সম্পাদক পরিষদ আশা প্রকাশ করেছে, সরকার এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।