ইরান যুদ্ধের মাত্র এক মাসের মধ্যে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডকে আংশিকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে। ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনের পদক্ষেপে দেখা দিয়েছে স্পষ্ট ভিন্নমত, যা ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ন্যাটো সহযোগীদের মধ্যে ফাটল আরও গভীর করেছে।
ফ্রান্সের অবাঞ্ছিত পদক্ষেপ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্রান্সকে সমালোচনা করেছেন, কারণ দেশটি ইসরাইলের উদ্দেশ্যে সামরিক সরবরাহ বহনকারী বিমানগুলোর জন্য নিজের আকাশসীমা বন্ধ করেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্সি জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি দেশটির নীতি অনুযায়ী নেওয়া হয়েছে। ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের এই পদক্ষেপকে সরাসরি বাধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এবং দেশটির সঙ্গে সকল সামরিক ক্রয় বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
ইতালির অনুমতি অস্বীকার
ইতালি সিসিলির সিগোনেলা বিমান ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান অবতরণের অনুমতি দেয়নি। ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গুয়িদো ক্রোসেট্টো জানান, এটি নীতিগত পরিবর্তন নয়, বরং বিদ্যমান চুক্তির বাইরে বিশেষ অনুমতি প্রয়োজন।
স্পেনের স্পষ্ট বিরোধ
স্পেন পুরোপুরি তার আকাশসীমা বন্ধ রেখেছে এবং শুধুমাত্র ন্যাটো সহযোগিতার জন্য নিজের ঘাঁটিগুলি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মার্গারিটা রোবলেস এ অবস্থানকে আন্তর্জাতিক আইন রক্ষা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফ্রান্স, ইতালি এবং স্পেনের দ্বন্দ্ব ইরান যুদ্ধকে ঘিরে ইউরোপীয় রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে অস্থির করছে। ট্রাম্পের মন্তব্যে ইউরোপীয় দেশগুলোর সাহসী বা অবহেলাকারী ভূমিকার বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















