ভেতর থেকে যুদ্ধের মুখ
যুদ্ধের পরিসংখ্যান ও সামরিক বিবৃতির বাইরে তেহরানের একজন সাধারণ বাসিন্দা এনবিসি নিউজকে জানিয়েছেন, ৩৫তম রাতটি ছিল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। তিনি বলেন, মৃত্যু মাত্র কয়েক মিটার দূরে ছিল বলে মনে হচ্ছিল। কাছের রাস্তায় অন্তত দশটি বিশাল বিস্ফোরণ হয়েছে।
বিস্ফোরণের ধাক্কায় জানালা ভাঙল
ওই বাসিন্দা জানান, বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশপাশের বাড়ির জানালা ও দরজা ভেঙে গেছে। গাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাছাকাছি বসবাসকারী আত্মীয়রা বিস্ফোরণের পর ভয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। চারদিক থেকে অ্যাম্বুলেন্স ও দমকলের সাইরেন এবং আতঙ্কিত মানুষের গাড়ির হর্নের শব্দে পরিস্থিতি ছিল নরকের মতো।
প্রত্যাশার চেয়েও তীব্র হামলা
তিনি বলেন, ষষ্ঠ সপ্তাহে যুদ্ধ তীব্র হবে সেটা আমরা জানতাম। কিন্তু এটা সহ্য করা সত্যিই কঠিন। আমরা জানি না পরের বিস্ফোরণ কোথায় হবে। ছোট ছোট শিশুরা ভয়ে কাঁদছে। বাজারে জিনিসপত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে।
ওষুধ কারখানায় হামলা
মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী তেহরানের তৌফিক দারু ওষুধ কারখানায় হামলা চালিয়েছে বলে ইরান সরকার জানিয়েছে। এতে কারখানার গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং জাতীয় ওষুধ সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধাক্কা লেগেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলা আহওয়াজ, শিরাজ, ইসফাহান, কারাজ, কেরমানশাহ ও বন্দর আব্বাসেও আঘাত হানে।
মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভ
একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সাধারণ নাগরিকদের ওপর এই নির্বিচার বোমাবর্ষণ বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের সামাজিক মাধ্যমেও এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে ব্যাপক জনমত গড়ে উঠছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















