০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
নিঃশব্দ যন্ত্রণার ভেতর ফ্যাশনের ঝলক, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির নতুন ছবি ‘ক্যুচার’ কেন আলোচনায় অর্থোপেডিক সার্জনদের ৫ অভ্যাস: বয়স বাড়লেও কীভাবে থাকবেন শক্তিশালী ও সচল নতুন বিতর্কে রাবি রাকসু নেতা: জাহানারা ইমামকে কটাক্ষ, পদ স্থগিতের দাবি ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান, কম্পন অনুভূত দিল্লি-কাশ্মীর-পাকিস্তানেও নতুন রহস্যময় পোস্টে মাহফুজ আলমের সতর্কবার্তা: ‘আমি প্রথম বলির পাঁঠা হতে পারি, কিন্তু শেষ নই’ নানা অঞ্চলে রেকর্ড বৃষ্টি, ভূমিকম্পের পর জাপানে দুই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাড়ল ভূমিধসের শঙ্কা নদীতে সাত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর লাশ ভাসার গুজব, তথ্য ভিত্তিহীন বলছে পুলিশ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড: ১৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা গণনা, ছাড়িয়ে গেল আগের সব হিসাব ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা আবারও তীব্র, ড্রোন হামলার অভিযোগে উদ্বেগে উপসাগরীয় অঞ্চল নড়াইলে ঐচ্ছিক অনুদান বিতর্ক: তালিকায় দুইবার এমপি বাচ্চুর মেয়ের নাম, ব্যাখ্যায় পিএসকে দায়ী করলেন সংসদ সদস্য

তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে, সতর্কতা দিচ্ছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা। বিশ্বের তিন ডজনের বেশি জ্বালানি ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা, দালাল ও পরামর্শদাতার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এই সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য একটাই: “পৃথিবী এখনো এই সংকটের গভীরতা বুঝে উঠতে পারেনি।” তুলনা টানা হচ্ছে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সঙ্গে, বলা হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

হরমুজ থেকে তেল ও এলএনজি বেশি নেয় এশিয়ার দেশগুলো। চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ তেল রপ্তানি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মূল্যের দিক থেকে আরও বেশি সংবেদনশীল। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, ১৭০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের দৃশ্যকল্প

বাংলাদেশ বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ রুট দিয়ে আসে। তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালেই বাংলাদেশের চলতি হিসাবে বড় চাপ পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন। ২০০ ডলারের পরিস্থিতিতে পৌঁছালে তা হবে দেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এক অস্তিত্বসংকট।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিঃশব্দ যন্ত্রণার ভেতর ফ্যাশনের ঝলক, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির নতুন ছবি ‘ক্যুচার’ কেন আলোচনায়

তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে, সতর্কতা দিচ্ছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা

০৬:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা। বিশ্বের তিন ডজনের বেশি জ্বালানি ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা, দালাল ও পরামর্শদাতার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এই সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য একটাই: “পৃথিবী এখনো এই সংকটের গভীরতা বুঝে উঠতে পারেনি।” তুলনা টানা হচ্ছে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সঙ্গে, বলা হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

হরমুজ থেকে তেল ও এলএনজি বেশি নেয় এশিয়ার দেশগুলো। চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ তেল রপ্তানি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মূল্যের দিক থেকে আরও বেশি সংবেদনশীল। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, ১৭০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের দৃশ্যকল্প

বাংলাদেশ বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ রুট দিয়ে আসে। তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালেই বাংলাদেশের চলতি হিসাবে বড় চাপ পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন। ২০০ ডলারের পরিস্থিতিতে পৌঁছালে তা হবে দেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এক অস্তিত্বসংকট।