০২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ মহেশখালীতে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, একাই ছিলেন বাড়িতে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসী নিহত কাঁঠাল পাতার বোঝা কাঁধে হালিমা, দিনে ৩০০ টাকায় চলে একার সংসার ১০ জেলায় বেশি হাম, টিকাদান কর্মসূচি নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা অর্ধেক কমাল সরকার সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত ৭৩, নারী ও শিশুও রয়েছে ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার অভিযোগ, লিখিত অভিযোগ পুলিশের কাছে আগামী ৫ দিনে বাড়তে পারে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর কুমিল্লায় শিক্ষাসফরের বাস খাদে, আহত ২০ মেডিকেল শিক্ষার্থী

তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে, সতর্কতা দিচ্ছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা। বিশ্বের তিন ডজনের বেশি জ্বালানি ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা, দালাল ও পরামর্শদাতার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এই সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য একটাই: “পৃথিবী এখনো এই সংকটের গভীরতা বুঝে উঠতে পারেনি।” তুলনা টানা হচ্ছে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সঙ্গে, বলা হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

হরমুজ থেকে তেল ও এলএনজি বেশি নেয় এশিয়ার দেশগুলো। চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ তেল রপ্তানি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মূল্যের দিক থেকে আরও বেশি সংবেদনশীল। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, ১৭০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের দৃশ্যকল্প

বাংলাদেশ বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ রুট দিয়ে আসে। তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালেই বাংলাদেশের চলতি হিসাবে বড় চাপ পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন। ২০০ ডলারের পরিস্থিতিতে পৌঁছালে তা হবে দেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এক অস্তিত্বসংকট।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ

তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে, সতর্কতা দিচ্ছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা

০৬:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা। বিশ্বের তিন ডজনের বেশি জ্বালানি ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা, দালাল ও পরামর্শদাতার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এই সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য একটাই: “পৃথিবী এখনো এই সংকটের গভীরতা বুঝে উঠতে পারেনি।” তুলনা টানা হচ্ছে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সঙ্গে, বলা হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

হরমুজ থেকে তেল ও এলএনজি বেশি নেয় এশিয়ার দেশগুলো। চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ তেল রপ্তানি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মূল্যের দিক থেকে আরও বেশি সংবেদনশীল। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, ১৭০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের দৃশ্যকল্প

বাংলাদেশ বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ রুট দিয়ে আসে। তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালেই বাংলাদেশের চলতি হিসাবে বড় চাপ পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন। ২০০ ডলারের পরিস্থিতিতে পৌঁছালে তা হবে দেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এক অস্তিত্বসংকট।