০১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ডিম সিদ্ধ করার সঠিক উপায় নেটফ্লিক্সে এখনই দেখার জন্য সেরা ৩০টি শো ট্রাম্প বললেন, ৩২ দিন যুদ্ধ খুব কম সময়, তুলনা: ইরাক ৮ বছর ৮ মাস ২৮ দিন, ভিয়েতনাম ১৯ বছর ৫ মাস ২৯ দিন ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আন্ডারগ্রাউন্ড সিলো ও বাঙ্কার পুনরায় চালু ইরানের বড় তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস: কর্মকর্তা উদ্ধার অভিযান চলাকালীন বন্দুকযুদ্ধ মার্কিন যুদ্ধবিমানের কর্মকর্তা ইরান থেকে উদ্ধার গ্রামে লোডশেডিং বেশি, কৃষি উৎপাদন বিপদে শিশু মৃত্যুর রেকর্ড: চলতি বছরে দেশে হামে সর্বোচ্চ প্রাণহানি রাজধানীতে তেলের সংকটে রাতভর অপেক্ষা, মানুষ ঘুম হারিয়েছে

তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে, সতর্কতা দিচ্ছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা। বিশ্বের তিন ডজনের বেশি জ্বালানি ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা, দালাল ও পরামর্শদাতার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এই সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য একটাই: “পৃথিবী এখনো এই সংকটের গভীরতা বুঝে উঠতে পারেনি।” তুলনা টানা হচ্ছে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সঙ্গে, বলা হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

হরমুজ থেকে তেল ও এলএনজি বেশি নেয় এশিয়ার দেশগুলো। চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ তেল রপ্তানি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মূল্যের দিক থেকে আরও বেশি সংবেদনশীল। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, ১৭০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের দৃশ্যকল্প

বাংলাদেশ বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ রুট দিয়ে আসে। তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালেই বাংলাদেশের চলতি হিসাবে বড় চাপ পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন। ২০০ ডলারের পরিস্থিতিতে পৌঁছালে তা হবে দেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এক অস্তিত্বসংকট।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিম সিদ্ধ করার সঠিক উপায়

তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে, সতর্কতা দিচ্ছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা

০৬:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা। বিশ্বের তিন ডজনের বেশি জ্বালানি ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা, দালাল ও পরামর্শদাতার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এই সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য একটাই: “পৃথিবী এখনো এই সংকটের গভীরতা বুঝে উঠতে পারেনি।” তুলনা টানা হচ্ছে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সঙ্গে, বলা হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

হরমুজ থেকে তেল ও এলএনজি বেশি নেয় এশিয়ার দেশগুলো। চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ তেল রপ্তানি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মূল্যের দিক থেকে আরও বেশি সংবেদনশীল। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, ১৭০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের দৃশ্যকল্প

বাংলাদেশ বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ রুট দিয়ে আসে। তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালেই বাংলাদেশের চলতি হিসাবে বড় চাপ পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন। ২০০ ডলারের পরিস্থিতিতে পৌঁছালে তা হবে দেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এক অস্তিত্বসংকট।