গরম মৌসুমে ঢাকার চেয়ে গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও কম হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে লোডশেডিং গ্রামীণ কৃষি কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সেচ পাম্প বন্ধ থাকায় ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন সীমাবদ্ধতা
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে এলএনজি ও তেলের আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। দ্বিগুণ দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। সরকার জানিয়েছে, দেশে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। তবে সরবরাহ সীমাবদ্ধতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি বিভ্রাটের কারণে গ্রামে লোডশেডিং হচ্ছে।
কয়লা ও গ্যাসের প্রভাব
দেশে কয়লা ও গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও সরবরাহ কম। গরম মৌসুমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গ্যাস ও কয়লা থেকে উৎপাদন সীমিত থাকায় লোডশেডিং বাড়ছে। বৃষ্টির দিনগুলোতে চাহিদা কমে সাময়িক স্বস্তি মিললেও, এখনও গ্রামে সমস্যা রয়েছে।
সরকারি পদক্ষেপ
সরকার রেস্তোরাঁ, দোকান ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ কম ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে। কয়লা ও তেলের আমদানিতে মনোযোগ বাড়িয়ে লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। লক্ষ্য, গরমে বিদ্যুৎ সরবরাহ সহনীয় রাখা।

গ্রামীণ জনগণের দৃষ্টিকোণ
গ্রামে কৃষকরা ব্যাটারি বা জেনারেটর ছাড়া সেচ চালাতে পারছেন না। বিদ্যুৎ না থাকায় সেচ পাম্প বন্ধ থাকছে, ফলে ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আছে। ক্ষুদ্র উদ্যোগের কাজও ব্যাহত হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















