০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে মার্কিন নীতি: বিশ্বকে সতর্কবার্তা তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, লেবাননে নিহত শিশুদের ছবি নিয়ে প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে জ্বালানি পাস ব্যবস্থা এই মাসেই চালু হচ্ছে, কিউআর কোডে নজরদারি বোমার আওয়াজের মধ্যেও তেহরানে ইস্টার পালন করলেন আর্মেনীয় খ্রিস্টানরা ট্রাম্পের অশ্লীল হুমকির জবাবে ইরানি দূতাবাসগুলোর কৌতুকপূর্ণ পাল্টা ইসরায়েলের লেবানন অভিযানে ১,৪০০ জনের বেশি নিহত, ৫৪ স্বাস্থ্যকর্মী ট্রাম্পের হুমকিতে তেলের দাম লাফ, ব্রেন্ট ক্রুড ১১০ ডলার ছাড়াল তিন দিনের কর্মসপ্তাহের ভুয়া চিঠি ভাইরাল, মন্ত্রণালয় বলছে এটি সম্পূর্ণ বানোয়াট মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল বোঝাই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

সাত বছর পর প্রথমবার ইরান থেকে তেল কিনল ভারত

ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে দেশটি সাত বছর পর প্রথমবারের মতো ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারত ২০১৯ সাল থেকে ইরানি তেল আমদানি বন্ধ রেখেছিল। তবে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ভারতের জ্বালানি সরবরাহে তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে। ভারত তার জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশ আমদানি করে, এর মধ্যে বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে।

দীর্ঘ সাত বছর পর ইরান থেকে তেল কিনলো ভারত

বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয় দিক

ট্রাম্প প্রশাসন গত মাসে ইরানকে সমুদ্রে থাকা ১৪ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল বিক্রির সাময়িক লাইসেন্স দিয়েছিল, বাজারে চাপ কমাতে। ভারতের এই পদক্ষেপ ভূরাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বাইরে গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহের একটি নজির তৈরি করেছে। বাংলাদেশও রাশিয়ান জ্বালানি পণ্য কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহতি চেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আরও অনেক দেশ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জ্বালানি সংগ্রহের পথ খুঁজবে, যা বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে মার্কিন নীতি: বিশ্বকে সতর্কবার্তা

সাত বছর পর প্রথমবার ইরান থেকে তেল কিনল ভারত

০৭:০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে দেশটি সাত বছর পর প্রথমবারের মতো ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারত ২০১৯ সাল থেকে ইরানি তেল আমদানি বন্ধ রেখেছিল। তবে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ভারতের জ্বালানি সরবরাহে তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে। ভারত তার জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশ আমদানি করে, এর মধ্যে বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে।

দীর্ঘ সাত বছর পর ইরান থেকে তেল কিনলো ভারত

বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয় দিক

ট্রাম্প প্রশাসন গত মাসে ইরানকে সমুদ্রে থাকা ১৪ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল বিক্রির সাময়িক লাইসেন্স দিয়েছিল, বাজারে চাপ কমাতে। ভারতের এই পদক্ষেপ ভূরাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বাইরে গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহের একটি নজির তৈরি করেছে। বাংলাদেশও রাশিয়ান জ্বালানি পণ্য কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহতি চেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আরও অনেক দেশ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জ্বালানি সংগ্রহের পথ খুঁজবে, যা বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারে।